মুভি রিভিউ

Lost In Space – মহাকাশে হারিয়ে যাওয়া অস্থির এবং সেই মানের মুভি সিরিজ Season 2 নিয়ে আজকের রিভিউ সাথে Hindi Dubbed ডাউনলোড লিংক

কিছুদিন আগে আমরা Lost In Space নামক একটি ওয়েব সিরিজ নিয়ে আলোচনা করেছিলাম তবুও যারা জানেনা তাদের জন্য ছোট্ট করে বলছি। এই সিরিজে আপনি দেখতে পাবেন মানুষ কিভাবে অন্যগ্রহকে নিজের বাসস্থান বানানোর জন্য রিসার্চ করছে আর ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাকাশে এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহে আর এই রিসার্চ করতে গিয়েই ঘটে যাবে তাদের সাথে অনেক রোহমর্ষক ঘটনা আর এই সব দূর্ঘটনা গুলোকে কিভাবে ক্যালকুলেশন করে বাচতে হবে তাই সাইন্টিফিক তুলে ধরা হয়েছে এই ওয়েব সিরিজে আর এই ওয়েব সিরিজের প্রধান আকর্ষন হলো Robinson Family আর সাথে উইলের রোবট কিংবা এলিয়েন যা কাহিনী তে আরো টুইস্ট এনে দেয় তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের Season 2 এর রিভিউ।


 
যারা গত পর্ব মিস করেছেন তারা এই Season 2 দেখার আগে Season 1 দেখে নিবেন নয়তো পুরো কাহিনীতে জটলা পাকিয়ে ফেলবেন তাই আগের Season 1 এর রিভিউ এবং ডাউনলোড লিংক পাবেন নিচের লিংকে ভিজিট করুন।
 
 
যাই হোক গত Season এর শেষের দিকে দেখা যায় Robinson Family এর Jupitar একটি Black Hole এর দিকে অগ্রসর হতে থাকে সকল কন্ট্রোল হারিয়ে আর সেখানেই সমাপ্তি ঘটে আর তারপর তাদের খোজ জানার জন্য অনেকেই অপেক্ষা করছেন হয়তো।
 
তারা ব্লাকহোলের মাধ্যমে পৌছে যায় আরেকপ্রান্তে নতুন একটি গ্রহতে যেখানে তারা শুরু করে গাছ এর উপর রিসার্চ এবং করে ফেলে বাগান যেহেতু তাদের জুপিটারের ইলেকট্রিসিটি যথেষ্ট ছিলোনা Launch করার মত তাই তারা এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকে আর এভাবেই কেটে যায় অনেকগুলো মাস।
 
কিন্তু একদিন মিথেন এর আক্রমনে শেষ হয়ে যায় বাগান এবং সবাই মিলে এখান থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তারা বিজলি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার প্লান করে যার জন্য তাদের যেতে হবে নদীর ঐপারে কিন্তু তাদের কাছে জুপিটার ছাড়া আর কিছুই নেই কিন্তু কি আর করা তারা তাদের স্পেস Ship কে বানিয়ে ফেলে পালতোলা নৌকার মত কিছু একটা আর পারি দিয়ে বসে ঔ পারে পৌছানোর জন্য।
 
 
কিন্তু এখানেও বিপত্তি ঘটবে তাদের সাথে ঝড় এসে তাদের ফেলে দিবে নতুন ঝামেলায় কিন্তু এখান থেকে মরতে মরতে বেচে যাবে এবং বিদ্যুৎ সংগ্রহ করে স্পেস এ রওনা হবে।
 
 
কিন্তু সেখানেও তাদের জন্য অপেক্ষা করছে নতুন চমক Resolute এ কারন কেউ যে নেই আর সেখানে সম্পূর্ণ খালি তাহলে নিশ্চই এখানেও হামলা করেছিলো এলিয়েন তাহলে কি সবাই মরে গিয়েছে খুজতে থাকে এই প্রশ্নের উত্তর।
 
 
যাই হোক Resolute এ তাদের সাথে দেখা হয়ে বসে স্পেস সিক্রেট টিম এর সাথে এবং জানা যায় তারা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট নিয়ে কাজ করছে মানে এলিয়েন।আর তাদের কাছেই রয়েছে এলিয়েন ইঞ্জিন যা কিনা সফর করাতে পারবে ধারনার বাহিরের গতিতে কিন্তু তারা জানেনা কিভাবে এটা চালাতে হবে তবে এই ব্যাপারে উইল তো একধাপ এগিয়ে কি ঠিক তো।
 
উইল তার রোবট খুব মিস করছে আর তাই তার আকর্ষন সিক্রেট টিম এর কাজের দিকে অবশেষে যুক্ত হয়েই যায় তাদের প্রজেক্টে এবং তার রোবট খুজতে চলে যায় একটি গ্রহে যেখানে রয়েছে অন্যান্য কলোনির সদস্যরা।
 
 
কিন্তু সেখানেই অপেক্ষা করছে তাদের জন্য ট্রাপ উইলের রোবট কে আটকে রেখে প্রতিশোধ নেওয়ার বন্দোবস্ত করে রেখেছে অন্য একটি এলিয়েন এবং রুপ ধরে থাকে উইলের রোবটের মত কিন্তু অনেক ঘটনার পর উইল শেষ পর্যন্ত তার রোবট কে খুজে পাবে।
 
এদিকে পানির জন্য চলছে হাহা কার আর সেই পানি খুজতে গিয়ে বের করে আনবে নতুন বিপদ যা কিনা লোহাকেও বালু বানিয়ে ফেলার মত ক্ষমতা রাখে অন্যদিকে ক্যাপ্টেন কলোনির লোক বাদ দিয়েই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিবে কারন তাদের কাছে যথেষ্ট পরিমান পানি নেই। সেখানেও রবিনসন ফ্যামিলী সবাইকে বাচানোর জন্য যুদ্ধ ঘোষনা করে দিবে।
 
 
উইলের মা বাবা কে ঠেলে ফেলা হবে স্পেস এ মেইনটেনেন্স পট এর মধ্যে করে কি  ঘটবে তা বলছিনা দেখে নিতে হবে।
 
তারপর যুদ্ধ শেষ হলে বাধবে মহা যুদ্ধ এলিয়েন টিম আসছে তাদের ইঞ্জিন নিয়ে যেতে এবং মানুষেরা সবাই সিদ্ধান্ত নেয় তাদের বাচ্চাকে উইলের রোবট এবং ইঞ্জিন সহ অন্য কোথাও পাঠিয়ে দিবে যাতে তারা নিরাপদ থাকে। এদিকে মেরিন এলিয়েন থামাতে ব্যবহার করবে ম্যাগনেটিক ফিল্ড বাঁচাতে পারবে কি নিজেদের।
 
অন্যদিকে উইল এবং তার এলিয়েনের কারনে বেচে ফিরেছে অন্য একটি এলিয়েন সাথে শত্রু পক্ষ এখন দেখার বিষয় হলো তারা কি পারবে এলিয়েন থেকে বেচে ফিরতে কিংবা আসলেই কোন গন্তব্যে পৌছাতে।
 
আমি তো শুধু অল্প কিছু তথ্য তুলে ধরেছি তবে মূল জিনিস আপনি না দেখলে উপভোগ করতে পারবেন না আর জানতে পারবেন না আসলে কি ঘটতে যাচ্ছে তাদের ভাগ্যে।
 
চলুন কয়েকটি ফাইটিং স্ক্রিন দেখে নেইঃ
 
 
সত্যি কথা বলতে আমি অনেক উপভোগ করেছি সিরিজটি আর অপেক্ষা করছি এর Season 3 এর জন্য এবার আপনি যদি ডাউনলোড করতে চান তবে চলে যান নিচের লিংকে এবং ডাউনলোড করুন এই সাইন্স ফিকশন ওয়েব সিরিজ Lost In Space Season 2.
 
আপনি যতটুকু সাইজে ডাউনলোড করতে চান শুধু তা নির্বাচন করে দিবেন।
Download Link
Episode 1
https://anonfile.com/5dA4a9Icnb
Episode 2
https://anonfile.com/n9A0a9Iand
Episode 3
https://anonfile.com/B6A8a4Icn4
Episode 4
https://anonfile.com/R8AcafIdn3
Episode 5
https://anonfile.com/z6Afa1I6n2
Episode 6
https://anonfile.com/3bA7a8I5nf
Episode 7
https://anonfile.com/p6A4abIfn6
Episode 8
https://anonfile.com/xcA0a4I3nf
Episode 9
https://anonfile.com/FcA1afIfn7
Episode 10
https://anonfile.com/71Aca3I0nes
তাহলে আজকের মত বিদায় যদি ভালো লেগে থাকে তবে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু আর চাইলে আমার ছোট্ট ব্লগ থেকে ঘুরে আসতে পারেন নিচে লিংক

সেরা থেকেও সেরা একটি সাইন্স ফিকশন ওয়েব সিরিজ The Flash এবার Dual Audio তে ডাউনলোড করে নিন সাথে ছোট্ট রিভিউ

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজকে ২০০তম আর্টিকেল এ কিছু স্পেশাল নিয়ে হাজির হয়েছি আমার দেখা সেরা সাইন্টিফিক ওয়েব সিরিজ The Flash নিয়ে চলুন দেরী না করে শুরু করা যাক রিভিউ।



আজকের রিভিউ টা একটু অন্যভাবে করবো যেমন ধরুন আসল কিছু টপিক পোষ্টে উল্লেখ করবোনা তাহলে হয়তো দেখার মজা নষ্ট হয়ে যেতে পারে তবে অল্প কিছু তথ্য তুলে ধরবো আর মূল কাহিনী নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করবো তারই সাথে জানাবো এই সিরিজ সম্পর্কে আমার মতামত।


চলুন প্রথমে জেনে নেই The Flash টি আসলে কি?

আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন Marvel Super Hero এবং DC Comics Super Hero দের সম্পর্কে যারা জানেন না তাদের জন্য জানাচ্ছি উদাহরন স্বরূপ।

Avenger মুভি সিরিজ তো নির্ঘাত সবাই দেখেছেন সেখানে হয়তো Iron Man, Captain America, Hulk, Spider Man, Doctor Strange, Black Panther ইত্যাদি সুপার হিরো দের লক্ষ্য করেছেন যারা কিনা Marvel Super Hero নামে পরিচিত ঠিক তেমনি DC Comics এর সুপার হিরো হলো Batman, Super Man, Wonder Woman, AquaMan, Shazam, Green Lantern ইত্যাদি।

তেমনি DC Comics এর আরেক সুপার হিরো হলো The Flash আর এর কাহিনী উঠে এসেছে কমিকস থেকে তবে আমি কোন প্রকার কার্টুন বা এনিমেশন শেয়ার করতে আসিনি এসেছি সাড়া ফেলে দেওয়া ওয়েব সিরিজ The Flash নিয়ে যা প্রথম পর্ব প্রকাশ করা হয় ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখ।এটা মূলত Super Hero, Drama, Action, Scientific আমেরিকান সিরিজ যা Developed করেছে Greg Berlanti, Andrew Kreisber, Geoff Johns. আর এটি পেয়েছে People’s Choice Award তাহলে বুঝতেই পারছেন কেমন জনপ্রিয় এই ওয়েব সিরিজ।


আমাদের The Flash বা সুপার হিরোর নাম Barry Allen যে কাজ করে সেন্ট্রাল সিটি পুলিশ ফোর্স এর জন্য এবং সে একজন সাইন্টিস্ট ক্রাইম ডিপার্ট্মেন্ট ফরেনসিক এর কাজ গুলো পরীক্ষা করাই তার কাজ শুরুটা এভাবেই হবে। অন্যদিকে রয়েছে এক জিনিয়াস সাইনটিস্ট হ্যারিসন ওয়েলস (আমার Favourite) যে কিনা Star Lab এর ফাউন্ডার এবং সকল কিছুর মূল যে কিনা আরো ভালো প্রযুক্তি মানুষকে দেওয়ার জন্য ঘটায় Particle Accelator আর তার সাথে সহযোগিতায় থাকে Cisco Ramon, Caitlin Snow and Ronnie Raymond এরাও জিনিয়াস সাইনটিস্ট। তবে এতে ঘটে যায় অনেক অঘটন আর কিছুটা পাওয়ার বা বিজলির ঝাটকার কবলে পড়ে সেন্ট্রাল সিটির অনেক জনগন এবং আমাদের হিরো ব্যারি এ্যালেন এবং এর কারনে কমাতে চলে যায় সে দীর্ঘ নয় মাস পর জ্ঞান ফিরলে সে অদ্ভুত কিছু অনুভব করতে থাকে। তার ভিতরে চলে আসে সুপার পাওয়ার সে পেয়ে যায় Speed Power যা কন্ট্রোল করতে সমস্যাই হচ্ছিলো তার।


আরেকটু জানাই Barry Allen এর বাবা জেল এ আছে কোন কিছু না করেও সাজা খাটছে আর আমাদের সুপার হিরো চায় তার বাবাকে নির্দোষ করতে আর তার মা মারা গিয়েছে তাই সে ছোট কাল থেকেই বড় হয়েছে পুলিশ Joe West এর কাছে। তবে কিন্তু মূল সমস্যাটা তার মা মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করেই আগাতে থাকবে মজা নষ্ট করতে রাজী নই তাই কিছু বাদ দিয়ে সামনে আগাচ্ছি।


চলে যাচ্ছি হ্যারিসন ওয়েলস এর স্টার ল্যাব এ ব্যারি এ্যালেন যে নয়মাস কমাতে ছিলো সেই সময়টা তাকে ভালো করার দায়িত্ব নেয় হ্যারিসন ওয়েলস এবং যখন ব্যারি নিজের পাওয়ার বুঝতে পারছিলোনা তখন তার পাশে দাঁড়ায় স্টার ল্যাব এর মেম্বার হ্যারিসন ওয়েলস সহ Cisco Ramon, Caitlin Snow and Ronnie Raymond এবং তার পাওয়ার নিয়ে কন্ট্রোল করার জন্য ট্রেনিং করাতে থাকে এবং তৈরী করে তার জন্য পোষাক এবং গ্যাজেট।

ব্যারি এ্যালেন চিন্তা করে যে সে নিজেকে আড়ালে রেখে মানুষের উপকার করবে তার সুপার পাওয়ার দিয়ে যেই ভাবা সেই কাজ তার সাথে যুক্ত হয়ে যায় স্টার ল্যাব এর সকলে এবং তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে থাকে এভাবেই আগাতে থাকবে আমাদের সুপার হিরো।


মূলত সে একাই পাওয়ার পায়নি আরো অনেকে নানান রকমের পাওয়ার পেয়ে বসে সেই Particle Accelerator ঘটানোর কারনে এবং অন্যরা তাদের পাওয়ার খারাপ কাজে ব্যবহার করতে থাকে আর The Flash তাদের রুখে দাড়াতে সাহায্য করতে থাকবে যাতে সেন্ট্রাল সিটি নিরাপদ থাকে।


প্রতিটি পর্বে থাকবে নতুন নতুন আকর্ষন যা আপনাকে দিবে সাইন্টিফিক ফিলিংস সাথে Action.
তবে মজার ব্যাপার হলো এই সিরিজে ব্যারি তার Speed Power কাজে লাগিয়ে অতীত এবং ভবিষ্যৎ টাইমলাইনে চলে যেতে সক্ষম। 


 আর মজার ব্যাপার হলো হ্যারিসন ওয়েলস হাটতে পারেনা তবে হুইল চেয়ারে বসে Flash কে নতুন নতুন জিনিস শেখাতে থাকে তার পাওয়ার কিভাবে এবং কি কাজে ব্যবহার করতে হবে তা শেখাতে থাকে আর অন্য দিকে সিসকো রেমন এবং ক্যাটলিন তার ভালো বন্ধু হয়ে যায় যারা কিনা ব্যারি এ্যালেন কে সকল ধরনের রিপোর্ট দেওয়া থেকে শুরু করে তার সকল মেডিকেল ট্রিট্মেন্ট করবে এই সিরিজে।


এবার আসি ভিলেন প্রসংগে যার নাম রিভার্স ফ্ল্যাশ যে কিনা এসেছে অন্য টাইমলাইন থেকে মানে ভবিষ্যৎ থেকে এবং এসে ফেসে গেছে আর যেতে পারেনি একমাত্র এটাই হলো Flash এর প্রতিদ্বন্দ্বী।


তবে Twist টা আমি জানাবো না এটা মুভি দেখে জেনে নিতে হবে আর এই Reverse Flash কিংবা Eobard Thawn হচ্ছে ব্যারি এ্যালেন এর মায়ের খুনী যে কিনা চেয়েছে অতীতে গিয়ে ফ্ল্যাশ কে ছোট থাকতেই শেষ করে দিতে।

স্টার ল্যাব এর সদস্যরা এবং ব্যারি এ্যালেন মিলে তৈরী হবে টিম ফ্লাশ ।


স্টার ল্যাব এ সুপার ভিলেন দের আটকে রাখার জন্য বানানো হয়েছে করা সিকিউরিটির জেল। 

 পার্টিকেল এক্সালেটর 

উপরের চিত্র টি স্টার ল্যাব এর যেখান থেকে কন্ট্রোল করা হয় কমান্ড এবং আলোচনা। 

এটা হচ্ছে সিক্রেট রুম যেখানে রয়েছে Future Computer যা কিনা ব্যারি এ্যালেন ভবিষ্যৎ এ বানাবে। 

শুটিং চলাকালীন  

স্টার ল্যাব এর সুপার হিরো


সিরিজের শেষের দিকে টক্কর হবে সুপার হিরো VS সুপার ভিলেন কি জিতবে জানতে হলে অবশ্যই দেখতে হবে পুরো সিরিজ।

পুরো সিরিজ মূলত ২৩ পর্বের তবে একসাথে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হয় নাই আজ ১০ পর্ব দেওয়া হলো আগামীতে বাকী ১৩ পর্ব নিয়ে হাজির হবো যদি আপনারা কমেন্টে জানান যে সিরিজ টি আপনাদের চাই কিংবা ভালো লেগেছে।

আমার কথা যদি জানতে চান আমি ২ দিনে পুরো সিরিজ দেখে শেষ করেছি আমার পক্ষে অপেক্ষা করা সম্ভব হয়নি কারন এটা আমার দেখা বেস্ট সাইন্স ফিকশন ওয়েব সিরিজ।

ডাউনলোড করতে হলে নিচের লিংকে চলে যান এবং ১০ টি পর্ব ডাউনলোড করে নিন।


Download Link


হয়তো আরো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার দরকার ছিলো তবে সময়ের অভাবে তা সম্ভব হয়ে ঊঠেনি তারপরেও আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে কারন আগামী পর্ব আপডেট বা আপলোড করবো আপনাদের কমেন্টের ভিত্তিতে তাই মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

তাহলে সবাই ভালো থাকবেন আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
চাইলে গরীবের ক্ষুদ্র সাইট ভিজিট করতে পারেন নিচের লিংকে গিয়ে।
সৌজন্যেঃ DarkMagician.Xyz

Lost In Space – মহাকাশে হারিয়ে যাওয়া অস্থির এবং সেই মানের মুভি সিরিজ নিয়ে আজকের রিভিউ সাথে Hindi Dubbed ডাউনলোড লিংক

আজকের আর কোন প্রকার টিপস এবং ট্রিক নয় অনেকদিন হয়ে গেলো কোন মুভি নিয়ে রিভিউ লিখিনা তাই আজ একটি ওয়েব সিরিজ নিয়ে রিভিউ করবো এবং সাথে তার ডাউনলোড লিংক শেয়ার করবো তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের রিভিউ।

Lost In Space 

মহাকাশ নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই কেউ কল্পনা করতে ব্যস্ত আর কেউ লজিক নিয়ে ব্যস্ত কিন্তু কেমন এই আমাদের মহাশূন্যের অদূর গ্রহ গুলো সবার জানার কম বেশী ইচ্ছা পোষন করে থাকে, তবে আমি তেমন বেশী কিছু জানিনা তবে এরকম ঘটনা গুলো নিয়েই কিন্তু এই রহস্যময় এবং এডভেঞ্চার এ ভরা ওয়েব সিরিজ টি। 


Lost In Space ওয়েব সিরিজ টির প্রথম খন্ড প্রকাশ করে এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখ ২০১৮ সালে Netflix
প্রযোজনায় ছিলো Matt Sazama, Burk Sharpless এবং মজার ব্যপার হলো এই সিরিজ টি ১৯৬৫ সালে একই নামে মুক্তি পাওয়া টেলিভিশন সিরিজের নতুন সংস্করন বলা যেতে পার। তবে এই সিরিজটি অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে যা বলার মত না আর আমি নিজেও শেয়ার করছি ভালো লাগা থেকে।


এবার আসি এর স্টোরি লাইন সম্পর্কে হালকা ধারণা দিতে – রবিনসন ফ্যামিলী ঠিক করে তারা পৃথিবী থেকে দূরে গিয়ে স্পেস এ বসবাস করবে এবং নতুন করে তাদের জীবন সাজাবে যেই ভাবা সেই কাজ।
তবে যখন তারা Resolute থেকে তাদের জুপিটার নিয়ে বের হয় তখন এলিয়েন এসে Resolute এ হামলা করে আর এতে কলোনিস্ট রা নিজদের জান বাচাতে পালতে থাকে তবে এলিয়েন এর হামলায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয় রবিনসন ফ্যামিলীর জুপিটার আর তারা গিয়ে ক্রাশ ল্যান্ডিং করে অচেনা অজানা এক গ্রহতে।

যেখানে খনিকের মধ্যে পরিবর্তন হচ্ছিল পরিবেশ যেমন ধরুন কয়েক সেকেন্ডে পানি বরফ হয়ে যাওয়ার মত আবহাওয়া আর জুপিটার গিয়ে পড়ে পানির মাঝে আর সেখান থেকে ব্যাটারী আনার জন্য নিচে গিয়ে বরফ হয়ে যায় তাদের একজন। আর তাকে বাচানোর পথ খুজতে থাকে উইল এবং তার বাবা সেখানেও ঘটে বিপত্তি উইল পড়ে যায় গুহার ভেতর যেখানের পরিবেশ পুরো আলাদা রয়েছে গাছপালা। উইলের বাবা সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েকে আগে বাচাতে হবে কারন যে সে বরফের ভিতর উইল ভালো আছে আর পড়ে তাকে নেওয়া যাবে।


বরফ গলাতে আগুন জালানোর চেষ্টায় সফল হলেও কিছুক্ষনের মধ্যে নিভে যায় সব আশার আলো প্রথমত বৃষ্টি এসে গলানো বরফ এর জায়গা পুরে দিচ্ছিল আর ওদিকে উইল গিয়ে পড়ে এলিয়েন স্পেস শীপ এর কাছে যেখানে একটি আহত এলিয়েন রয়েছে। চারদিকে আগুন উইল এর যাওয়ার কোন পথ নেই কিন্তু সে ভাবল এলিয়েন এর উপকার করার আর সে সেটটা করলো। এলিয়েন উইলকে বাচালো এবং তারা এবার ফ্যামিলীর বাকীদের দিকে কাছে রওনা হলো।
যখন সবাই বরফে আটকে পড়া মেয়েটিকে বাচানোর হাল ছেড়ে দিচ্ছিল তখন উইল এবং এলিয়েন গিয়ে তাকে বরফের ভিতর থেকে বের করে আনে আর এতে পরিবারের সবার সাথে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়।


এবার তারা এখানেই বসবাসের কথা ভাবতে থাকে গ্রহ নিয়ে রিসার্চ আরম্ভ করে আর এভাবেই চলতে থাকবে একের পর এক চমক আপনিও হয়তো চেয়ে বসতে পারেন আরেকটু সময় কেন বাড়ালোনা প্রত্যেকটি পর্বের।

তাদের অজানা গ্রহে নানান সব উদ্ভট জিনিস ঘটতে থাকে তবে রবিনসন ফ্যামিলি চেষ্টা করতে থাকে রেজুলুট এর সাথে কন্টাক্ট করার। কিন্তু কিছুই হচ্ছিলনা আর অন্য দিকে আরো কিছু জুপিটার এই গ্রহে ক্রাশ হয় যার ফলে সবাই আশা করছে কেউ না কেউ তো এই গ্রহে আছে তাদের এক হতে হবে এবং সকল সমস্যার হাল রের করতে হবে।

আর এদিকে চলে এসেছে অন্য প্রজাতির এলিয়েন যা কিনা জুপিটারে থাকা ফুয়েল শেষ করছিলো টাংকি চেক করতে গিয়ে দেখা মিলে বড় বড় ইল এর। আর এদিকে হীরার বৃষ্টি থেকে কোনমতে বেচে ফিরলো রবিনসন ফ্যামিলী। ঠিক এভাবেই আগাতে থাকতে সব রহস্যময় কাহিনী আমি যদি সব বলতে থাকি তবে আগে থেকে জেনে যাবেন তাই মজা নষ্ট হতে পারে আর এজন্যই খুদ্র খুদ্র অংশ এই রিভিউতে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
তবে এক্ষুনি শেষ করছিনা কারন এখানে অনেক ধরনের প্রশ্ন রয়ে যাবে যেমন ধরুন এলিয়েন হামলার পরেও কি রেজুলুট এ কেউ জীবিত আছে নাকি সবাই মারা গেছে আর তাই যদি হয় তাহলে কি তারা আর ফিরতে পারবেনা পৃথিবীতে।

তাদের মধ্যে ঢুকে যাবে কোন এক বহুরুপী তারা কি তাকে সনাক্ত করতে পারবে তার প্লান এর মোকাবেলা করতে পারবে। 

ফুয়েল কি শেষ পর্যন্ত মিলবে কারন তাদের হাতে সময় আছে আর ১ সপ্তাহ এর পর এই গ্রহের আবহাওয়াতে সবাই গলেও যেতে পারে তাই বাচতে হলে এখান থেকে যেতে হবে। 

তারা রোবট নিয়ে আনন্দে থাকলেও এই রোবটের কারনে গিয়েছে কারো জীবন আর সেও এই গ্রহে রয়েছে কি হবে শেষ পর্যন্ত রোবট কি তাদের সাথেই থাকবে নাকি তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।
কারন এই এলিয়েন রোবট এর কারনে তারা এই সমস্যাতে আর অন্য দিকে উইল আর এলিয়েন কি সব সময় বন্ধু থাকতে পারবে নাকি এলিয়েন হয়ে যাবে কিলার মেশিন।
এরকম সকল প্রশ্নের উত্তর যদি পেতে চান তবে অবশ্যই এর দশ টি পর্ব আপনাকে দেখতে কারন এই ১০ টি পর্ব মিলে প্রথম Season এর সমাপ্তি টানবে।


এবার আসি ডাউনলোড লিংক নিয়ে প্রথমত প্রতিটি পর্ব HD কোয়ালিটিতে আর সাইজ ২৫০-৩০০ এর মধ্যে আর Hindi Dubbed হওয়াতে আশা করি আরো আনন্দের সহিত দেখতে পারবেন।

সব গুলো গুগল ড্রাইভে আপলোড করা তাহলে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।

Lost In Space Download Link Season -1 











জানিনা আপনাদের কেমন লাগবে তবে যদি ভালো লেগে থাকে মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ 
&

টিংকার বেল এর হারানো গুপ্তধন – পরীদের গল্প পর্ব-২ এর রিভিউ সাথে ডাউনলোড লিংক তো রয়েছেই Animation ভক্তদের জন্য

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ হাজির হয়েছি  Tinker Bell সিরিজের ২য় পর্ব নিয়ে তো চলুন দেরী না করে শুরু করা যাক আজকের মুভি রিভিউ।


মুভিটি সর্ব প্রথম প্রকাশ পায় October 27, 2009ইং সালে যার Director হলো Klay Hall.
মুভিটি তৈরী করতে খরচ হয়েছিলো ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন ইউএসডি ডলার।
বক্স অফিস হিট খায় $8,582,265 মিলিয়ন ইউএসডি ডলার তাহলে বুঝতেই পারছেন।
আর Disnep এর মুভির রেটিং নিয়ে ভাবতে হবেনা।
মুভিটির সাইজ 170MB.
মুভিটি যদিও English Language এর তবে আমি Hindi Dubbed শেয়ার করছি।

Tinker Bell Lost Treasure Review:


প্রতি বছরের একটা সময় আসে যখন পরীদের ম্যাজিকাল Pixie Dust Tree এর জন্য Blue Pixie Dust সংগ্রহ করতে হয় এবং তা সম্ভব হয় চাঁদ এবং Moon Stone এর বদৌলতে। প্রতি বছর সেক্টর বানানোর জন্য পরীদের নির্বাচিত করতে হয় যেমন Garden Fairy, Animal Fairy, Light Fairy, Snow Fairy etc থেকে তবে এবার সেই দায়িত্ব পায় Tinker Bell তাকে ডাকা হয় রানীর মহলে এবং Moon Stone ধরিয়ে দিয়ে সেক্টর বানানোর কাজ আরম্ভ করে দিতে বলা হয়।
 এবং তাকে আগে বানানো কিছু সেক্টর দেখানো হয়। যাই হোক রানীর মহলে প্রবেশের আগে ভেবেছিলো সে আজ যা করেছে তা নিয়েই হয়তো সভা শুরু হবে কারন সে নৌকা বানিয়ে চালাতে চালাতে গাছের মাথায় ঊঠে গিয়েছিলো যাই হোক সে কাজে মন দিলো কারন Pixie Dust না থাকলে সকল পরী হারাবে তাদের ম্যাজিকাল পাওয়ার।
Tinker Bell এর কাজে সাহায্য করবে বলে Terence ঠিক করলো এবং যেই ভাবা সেই কাজ সে প্রতিদিন Tinker Bell কে ঘুম থেকে ঊঠানো তার ঘর পরিস্কার রাখা সহ তার দরকারী সব কাজ করার চেষ্টা করছিলো কারন সে তার ভালো বন্ধু হতে চায়।কিন্তু Tinker Bell এটা সহ্য করতে পারছিলোনা তার কাজে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করুক কিন্তু বলতেও পারছিলোনা Terence কে সরাসরি তাই সে বুদ্ধি করে Terence কে ধারালো কিছু আনার জন্য পাঠালো যাতে সে কিছুক্ষন একা একা তার কাজ সম্পূর্ন করতে পারে।

কিন্তু Terence একটি কম্পাস নিয়ে আসে যা Tinker Bell এর সদ্য বানানো সেক্টর টি ভেংগে মুচড়ে দেয় আর তাই Tinker Bell প্রচন্ড রেগে যায় এবং Terence এর সাথে দূর্ব্যবহার করে ভাগিয়ে দেয়। কিন্তু কিছুক্ষন পরে রাগ ঝারার জন্য কম্পাসে লাথি মেরে বসে যার ফলে কম্পাসের ঢাকনা খুলে যায় এবং মহা মূল্যবান Moon Stone ভেংগে যায় যা দেখে Tinker Bell এর ভয়ে কলিজা শুকিয়ে যায়।
Clank এবং Booble এর আগমন ঘটে এবং তারা জানায় যে কিছুক্ষনের মধ্যে পরীদের একটি অনুষ্ঠান শুরু হবে এবং Tinker Bell কে সেখানে যাওয়া উচিৎ। না চাইতেও গেলো এবং Fairy Mairy কে একটু চাল খাটিয়ে জিজ্ঞাসা করে ২টা Moon Stone হলে আরো বেশী কার্যকরী কিছু করা যেত, কিন্তু Fairy Mairy জানায় ৩০০ হাজার বছর ধরে শুধু একটাই Moon Stone রয়েছে যা কিনা Tinker Bell এর কাছে যা শুনে Tinker Bell বেহুশ হওয়ার অবস্থা।
কিছুক্ষনের মধ্যে নাটক শুর হবে এবং Tinker Bell সেই নাটক থেকে জানতে পারলো একটি আয়না রয়েছে যা কিনা তিনটি Wish পূরন করতে সক্ষম কিন্তু এক Pirate দুইটি Wish খরচ করে ফেলেছে আর একটি মাত্র Wish বাকী রয়েছে। তবে সেই আয়না রয়েছে সাত সমুদ্র তেরো নদীর পরে।
Tinker Bell সিদ্ধান্ত নিলো সে সেই আয়না খুজে বের করে Moon Stone ফিরিয়ে আনবে আর সে জন্য অনেক দূর যেতে হবে তাই তার Extra Pixie Dust দরকার কিন্তু সে পেলোনা কারো কাছ থেকে শেষমেশ Terence এর কাছে চায় কিন্তু সেখানেও নিরাশ হয় তবে না থেমে তৈরী করে ফেলে বেলুন আকৃতির কিছু একটা যা তাকে নিয়ে যাবে সেই আয়নার খোজে তবে ২ দিনের ভিতর সেক্টর দিতে হবে এই চিন্তা মাথায় বনবন করে ঘুরছে।
সে রওনা হয়ে গেলো এবং এক সময় তার ক্ষুধা অনুভব হয় এবং সে খাবারের প্যাকেট দেখে খালি হয়ে গিয়েছে সেকি খাবার তো ছিলো দেখা গেলো Bliss (জোনাকী) সব খেয়ে সাবাড় করে ফেলেছে কি আর করা চলে যেতে বললো Bliss কে কিন্তু সে চায় Tinker Bell কে সাহা্য্য করতে যাক অবশেষে Tinker Bell রাজী হয়ে যায় এই ভেবে Bliss অন্ধকারে কাজে আসবে।
এক সময় গল্পে বলা জায়গার মত একটি জায়গা Tinker Bell এর চোখে পড়ে এবং সে বেলুন গাছে বেধে bliss কে পাহারা দিতে বলে নিজে জায়গাটাকে কাছ থেকে দেখতে গেলো। ঐ দিকে ঝড় বেলুন ঊড়িয়ে নিয়ে যায় আর Bliss এসে Tinker Bell কে বোঝাতে চেষ্টা করে যে বেলুন চলিয়া গেছে। খুজতে লাগলো কিন্তু পেলোনা আর নিচে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো Tinker Bell.
জ্ঞান ফিরে Bliss কে দেখতে পেলো Tinker Bell এবং বললো যে তার খিদে পেয়েছে তার পক্ষে আর সামনে যাওয়া সম্ভব নয়। Bliss গিয়ে বনের বন্ধু বান্ধব ডেকে নিয়ে আসে যা Tinker Bell কে খাবার এনে মেহমানদারী করে এবং সেই কাংখিত পথে যেতে সাহায্য করে কিন্তু এক গুহায় গিয়ে পড়লো বিপদে।
কারন দুজন পাহাড়ায় আছে এবং তারা Tinker Bell কে ভিতরে প্রবেশ করতে দিবেনা আর দানব গুলো নিজেরাই তর্ক করা আরম্ভ করলো আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে Tinker Bell তাদের পাশ কাটিয়ে সামনে আগালো।
এবং অনেক কিছুরপর সে সেই জাদুর আয়না হাতে পেলো এবং Wish করতে গিয়ে ভুলে Bliss এর উপর রেগে গিয়ে উলটা Wish করে ফেললো যে Bliss এর বাত্তি নিভে যায় এবং তা কার্যকর হয়ে গেলো।
যা তার শেষ ভরসাও গেলো Tinker Bell এবার ভেংগে পড়লো আর Terence কে মনে করলো যে ও পাশে থাকলে সাহায্য করতে পারতো তাকে। আর ঐ দিকে Tinker Bell এর ঘরে গিয়ে Moon Stone এর ভাংগা অংশ দেখতে পেয়ে Terence বুঝতে পারলো Tinker Bell সমস্যায় আছে এবং তার সূত্র ধরে Tinker Bell কে খুজতে বের হয়ে গেলো।
আর Tinker Bell আয়নাতে Terence কে দেখতে পেলো………।।


এখন দেখার বিষয় হলো Tinker Bell কি পারবে তাদের সেক্টর উপহার দিতে কারন সে Moon Stone ভেংগে ফেলেছে যার ফলে সব পরীর ম্যাজিক শেষ হয়ে যাবে Tinker Bell কি পারবে সব কিছু বাচাতে না নিজেই ভেগে যাবে? আর সে কি পারবে তার ম্যাজিকাল ক্ষমতা ছাড়া ঠিক সময়ে পৌছাতে আর Terence কি সত্যিই Tinker Bell এর কোন সাহায্যে আসতে পারবে? Bliss কি আর কখনো তার পাছায় আলো জালাতে পারবেনা?

এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ডাউনলোড করে মুভিটি আপনাকে দেখতে হবে যার লিংক নিচে দেওয়া হলো।

Tinker Bell Lost Treasure Download – Hindi:





তাহলে আপনারা মুভিটি উপভোগ করুন আর কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু …।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স

পরীদের গল্প কে না পছন্দ করে তবে চলুন পরীদের গল্প নিয়ে বানানো Animation সিরিজের রিভিউ দেখে নেওয়া যাক সাথে ডাউনলোড লিংক

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি মজার এবং জনপ্রিয় একটি Animation মুভি নিয়ে যার পুরো গল্প জুড়ে থাকবে পরীদের গল্প এবং নাম Tinker Bell তো চলুন শুরু করা যাক রিভিউ।


আপনারা যারা Disnep এর মুভি গুলো দেখে থাকেন তারা অবশ্যই তাদের মুভির মান সম্পর্কে অবগত আছেন তাই সাহস করে শেয়ার করার জন্য লিখতে বসলাম আগে মুভি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাকঃ

Tinker Bell:

Tinker Bell মুভিটি পরিচালনায় ছিলেন Bradley Raymond. মুভিটির গল্প লিখেছেন Jeffrey M. Howard.Tinker Bell প্রকাশ করা হয় 18 September 2008 সালে সম্পূর্ণ English ভাষায় তবে আমি Hindi ভাষায় ডাবিং টি শেয়ার করবো।Tinker Bell মুভিটি নির্মানের জন্য বাজেট খরচ হয়েছে 50 Million US Dollar এবং Box Office হিট হয়  $9,199,510 Million Dollar.তাহলে বুঝতেই পারছেন মুভিটি সেই মানের হবে।


এবার চলুন Tinker Bell কাহিনী সংক্ষিপ্ত ভাবে জেনে নেওয়া যাকঃ


যখন কোন বাচ্চা হেসে ঊঠে তার সেই হাসি থেকে জন্ম নেয় একটি করে পরী। তেমনি আমাদের গল্পের পরীর জন্ম হবে এবং সে বাতাসে ভাসতে ভাসতে গিয়ে Pixie Hollow তে গিয়ে পড়বে এবং Pixie Hollow তে আরো অনেক পরীরা বাস করে যাদের ভিতর সবাই আলাদা আলাদা কাজ এবং ভিন্ন ধরনের ম্যাজিকের অধিকারী।


Queen Clarion সেই নতুন পরীর ম্যাজিকাল পাওয়ার জানার জন্য সব ধরনের ম্যাজিকাল আইটেম সামনে রেখে নতুন পরীকে বলবে ম্যাজিকাল আইটেম গুলোকে স্পর্শ করা জন্য। কিন্তু স্পর্শ করতেই সেগুলো চুপসে যেতে থাকে এবং এতে ভড়কে যায়।


 নতুন পরী অবশেষে একটি ম্যাজিকাল হাতুড়ী নতুন পরীর দিকে নিজে নিজেই আগাতে থাকে এবং যখন নতুন পরী তা স্পর্শ করে তখন তা লাইটিং করে ঊঠে। আর তা দেখে রানী নতুন পরীর নাম রাখেন Tinker Bell.


Clank এবং Bobble Tinker Bell কে Tinker পরীদের গ্রুপে স্বাগতম জানাতে আসে এবং তাকে আশ পাশ দেখাতে থাকে এবং পরীদের আলাদা আলাদা কাজ সম্পর্কে জানাতে থাকে , যেমন Garden Fairy , Winter Fairy , Pixie Dust Fairy , Water Fairy , Animal Fairy , Wind Fairy. সবশেষে Tinker Bell কে তার ঘর দেখিয়ে দিয়ে Clank এবং Bobble প্রস্থান করে।



Tinker Bell অন্য সকল Fairy দের সাথে বন্ধুত্ব করার জন্য পরিচিত হতে থাকে আর অন্য দিকে Fairy Mary এর ওয়ার্কশপে Tinker Fairy দের কাজ করতে থাকে। 


সবাই ব্যস্ত তাদের কাজ নিয়ে কারন পরীদের কাজ প্রকৃতি রক্ষা করা কাহিনীতে। সবাই MainLand যাবে এর প্রস্তুতি
তাই সে রানীকে তার ট্যালেন্ট দেখানোর জন্য গ্যাজেট বানায় কিন্তু সেই গ্যাজেটে আহত হয় একটি কাঠ বিড়াল।


 রানী Tinker Bell কে জানালো Tinker পরীদের MainLand যেতে দেওয়া হয়না। তাই সে চিন্তা করলো সে তার Magical Talent বদলে ফেলবে অন্য পরী যারা MainLand যেতে পারে তাদের ম্যাজিক গুলো শিখবে এবং যেই ভাবা সেই কাজ তাই সে তার Fairy বন্ধুদের বললো তাকে তাদের ম্যাজিক গুলো শিখিয়ে দেওয়ার জন্য।


প্রথমে Water Fairy এর কাজ শিখতে যায় ব্যর্থ হয় এবং তারপর সে Light Fairy দের কাজ শিখতে যায় কিন্তু কিছুতেই সে Light ধরতে পারছিলোনা আর অন্যদিকে জোনাকিরা তার দিকে চেয়ে বসে আছে কখন পরীটি তাদের  আলো জালিয়ে দিবে কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হয় এবং পরিস্থিতির বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে। 


তারপর সে Animal Fairy দের কাজ শিখার চেষ্টা করে এবং Tinker Bell কে বলা হয় বাচ্চা পাখিটিকে উড়া শিখানোর জন্য কিন্তু Tinker Bell কে দেখে বাচ্চা পাখি ভয় পায় এবং সে যে ডিমের খোলস ভেংগে বের হয়েছে তা আবার জোড়া লাগাতে থাকে যাতে পরীটি তাকে ঊড়া শিখাতে গিয়ে মেরে ফেলতে না পারে যাই হোক Tinker bell এবং পাখির বাচ্চার টানাটানি মারামারি দেখে অনেকে হেসে কুটি কুটি।



সবশেষে Tinker Bell যায় অহংকারী Wind Fairy এর কাছে এবং অনুরোধ করে তাকে আর অন্যদিকে অহংকারী Wind Fairy টি Tinker Bell কে বিপদে ফেলার জন্য ভয়ংকর Grass ধরার কুবুদ্ধি দেয় এবং বলে এই কাজ করতে পারলে তাকে সে Garden Fairy এর কাজ শিখাবে। Mainland যাওয়ার লোভে Tinker Bell বিপদজনক সেই Grass ধরার চেষ্টা করে যার ফল হিসাবে Mainland যাওয়ার যে প্রস্তুতি পরীরা করছিলো তার সব Tinker Bell এর কারনে নষ্ট হয়ে যায় এবং রানী এবং Fairy Mary এর মতে তা সময়মত ঠিক করা একদম অসম্ভব।



এখন দেখার বিষয় হলো Tinker Fairy দের কাজ সব ঠিক করা এবং নতুন নতুন গ্যাজেট বানানো আর Tinker Bell সবার মতে একটি আশ্চর্য মানের ট্যালেন্ট কিন্তু আসলেই কি সে তাই আর Tinker Bell কি একা সব ঠিক করতে পারবে এবং তার কি Mainland যাওয়ার স্বপ্ন কি পূরন হবে তা জানতে হলে Hindi ভাষায় Dubbed করা মুভি টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন সাইজ 244Mb মাত্র।

Tinker Bell Download:

Download Link – 244MB

যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে হাজির হবো পুরো সিরিজ নিয়ে তাই আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

যদি সময় থাকে গরীবের ছোট্ট ব্লগ ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।DarkMagician.Xyz
তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স

Adventures, Mystery, Explorer নিয়ে সাজানো Jim Button Highly Compressed মুভির বাংলা Review

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ হাজির হয়েছি একটি মুভি রিভিউ নিয়ে যার নাম Jim Button চলুন তা হলে শুরু করা যাক।





Review :


মুভিটি প্রথম মুক্তি পায় March মাসের ২৯ তারিখ ২০১৮ ইং সালে। মুভিটির Director হলেন Dennis Gansel.
মুভিটি তৈরী করা হয়েছে বাচ্চাদের নোভেল (German: Jim Knopf und Lukas der Lokomotivführer) বইটির উপর ভিত্তি করে যা লিখেছেন Michael Ende.
আমি যে novel প্রাপ্ত জার্মান বইটির নাম উল্লেখ করেছি তা কিন্তু প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৬০ সালে যা কিনা ১৯৬১ সালে German Young Literature হিসাবে পুরস্কৃত করা হয়।
তাই একটা দিক হলো মুভিটি দেখলে আপনার Novel এর কাহিনী জানা হয়ে যাবে আর মজার ব্যাপার হলো মুভিটি হিন্দি ডাবিং করা সাথে Highly Compressed.
অনেকেই রেটিং যোগ করতে বলেন তবে আমার ধারনা রেটিং এর কথা না জিজ্ঞাসা করে রিভিউ টি পড়ুন তাহলে মুভি সম্পর্কে বুঝে ফেলবেন।


StoryLine :


প্রথম থেকেই বলি সমুদ্রের মাঝে ছোট্ট দুই উচু টিলা নিয়ে একটি রাজ্য Morrow Land যেখানে বসবাস করে রাজা সহ তিন জন প্রজা।


একদিন সেই দ্বীপ এ একটি পার্সেল নিয়ে আসে এবং সেই পার্সেলে দেখা যায় একটি জীবিত বাচ্চা।

রাজা এবং প্রজাদের চিন্তা কে পাঠাবে এমন অদ্ভুত পার্সেল যাই হোক আদরে বড় হয়ে ঊঠবে সেই বাচ্চা টি Jim এর নিয়েই বাধবে ভেজাল।

রাজা চিন্তায় পড়ে যায় কারন তার রাজ্যে অনেক জনগন (৩জন) তাই আরো মানুষ হলে জায়গা হবে না তাই হয়তো Amma থাকবে নয়তো Jim মানে যে কোন একজনকে বিদায় করতে হবে যেই ভাবা সেই কাজ তিনি (রাজা)  ইঞ্জিনিয়ার Luke কে বললো Amma কে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাতে।

তাই সবশেষে সিদ্ধান্ত নিলো ইঞ্জিনিয়ার এবং Amma এই সুন্দর Morrow Land থেকে বিদায় নেবে কিন্তু Jim ও রাতের আধারে যোগ দিলো Amma এবং Luke এর সাথে।


Amma হচ্ছে একটি ট্রেন যা কিনা পানি,বালি,মাটি, রাস্তায় চলতে পারে সাথে অনুভূতিও প্রকাশ করে।


যাই হোক তারা পৌছে যায় অন্য একটি রাজ্যে এবং jim এর পাওয়া সূত্র অনুসারে এই রাজ্যের ছোট্ট রাজকুমারী কে কেউ কিডন্যাপ করে বেচে দিয়েছে তারা সেই রাজ্যের রাজার সাথে দেখা করে রাজকুমারী কে উদ্ধারের প্রতিজ্ঞা করে Dinosaurs এর দেশে রওনা হয় পথে অনেক বাধা বিপত্তি ঘটতে থাকে।


 আর দেখা মিলতে থাকে অদ্ভুত সব জিনিসের সাথে মরতে মরতে কোন মতে বেচে যায় luke, jim, Amma অবশেষে Dinosaurs এর দেশে প্রবেশ করতে হবে


তবে ছোট ওস্তাদ জানালো সেখানে Dinosaurs ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ নিষধ।

এখন তারা কি পারবে সেই Dinosaurs এর দেশ থেকে রাজকুমারী কে বাচাতে……..


অন্য দিকে রাজকুমারী কে যে ভুলভাল পড়িয়ে মেরে ফেলছে বিজ্ঞ ড্রাগন

গল্পে অনেক টুইস্ট বলা হয় নাই কারন তাহলে মুভি দেখার মজা নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাই সংক্ষেপে একটু খানি তুলে ধরলাম।


তবে আপনি যদি মনে করেন কাহিনী মজার হবে তবে ডাউনলোড করে দেখতে পারেন আশা করি সময় মন্দ যাবেনা।

Download Sources :

Please Don’t  Angry For Shortlink

Jim Button Part – 1

Jim Button Part – 2


সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন আমার পার্সোনাল ব্লগ সাইট DarkMagician.Xyz


তাহলে উপভোগ করুন আর আমি আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স


রহস্যে ঘেরা Escape Room কি আপনি জানেন তো নয়তো জেনে নিন গল্পে গল্পে এর মৃত্যুর ফাদ সম্পর্কে [Mega Tune]

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আজ হাজির হয়ে গেলাম Escape Room সম্পর্কে কিছু দরকারী তথ্য নিয়ে যা জানতে পারলে হয়তো আপনিও অবাক হবেন।

আমি মুভি নিয়ে পরে লিখবো আগে কিছু দরকারী তথ্য বলি Escape Room সম্পর্কে এটা মূলত এমন একটি ঘর যেখান থেকে বের হওয়া অসম্ভব কারন যারা এর নির্মান করে থাকেন যাতে এখান থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা যাতে একবারে না থাকে মানে ০%

আর এর নির্মান কেনই বা করবে এটা মনে প্রশ্ন আসতেই পারে তবে বিস্তারিত বলছি ইন্টারনেট এর অন্ধকার জগত রয়েছে যা হয়তো আপনি অবগত আছেন। আর সেখানে অসংখ্য পরিমানের উদ্ভট মস্তিস্ক দাড়া বানানো লোকের দেখা মিলে যারা কিনা লাইভ মৃত্যুর গেমস গুলো দেখার জন্য বা আয়োজন করানোর জন্য স্পন্সর করে থাকে আর এর পিছনে থাকে অনেক বড় গ্রুপ যাদের কাজ হলো এগুলো লাইভ স্ট্রিম করা।
আরো জানলে অবাক হবেন যে সেখানে বাজি ধরা হয় কে জিতবে অথবা কে হারবে তাদের উপর সহজ কথায় বেচে যাওয়া বুঝে নিতে পারেন।

আর এই কাজে অনেক শক্তিশালী নিরাপত্তার মাধ্যমে সম্পাদিত করা হয়ে থাকে যাতে তাদের কোন ভাবেই ধরা ছোয়া না যায় যদিও FBI এর উপর নজর রাখছে তারপরেও ক্রিমিনাল মাইন্ড এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে।

যাই হোক তারা মানুষের জীবন মরন নিয়ে খেলে থাকে এবং এর জন্য তারা অনেক অর্থও পেয়ে থাকে তাই এই গেমস বন্ধ করা আদেও সম্ভব কিনা তা বলা মুশকিল।

প্রথম দিকে একে Red Room নামে প্রকাশ করা হয়েছিল তবে তখন তারা লাইভ স্ট্রিমে কি করতো তার ব্যাখ্যা দিয়ে নেইঃ-

তারা প্রথম দিকে,  একজন মানুষকে টর্চার করার জন্য আনা হতো আর যারা দর্শক থাকতো তারা বলতো যে ঐ ব্যাটার চোখ ঊঠিয়ে ফেলো আমি ৫০০ডলার দিবো আবার কেউ বলতো মগজ বেড় করে ফেলো আবার কেউ বা বলতো ওর পেট চিড়ে ফেলো Heart বের করে দেখাও ১০০০ ডলার দিবো অনেকটা এই টাইপের। তারা অত্যন্ত নির্মম ভাবে এই সব লাইভে প্রচার করতো আর তাদের মেম্বার বেশীরভাগ অঢেল টাকা পয়সার মালিক। তবে এক সময় তারা প্রশাসনের হাতে পড়ে এবং এই কার্যক্রম বন্ধ থাকে কিছুদিন।

এরপর হয়তো অন্য কেউ এবার Escape Room নামে নতুন খেলার উদ্ভাবন করে।

কি এবার বলুন আমরা কি সব জানি যা আমাদের আশেপাশেই ঘটে যাচ্ছে হয়তো না, তেমনি ইন্টারনেট এর Deep Web এ এরকম কার্যক্রম ঘটে থাকে যদি আপনি এ নিয়ে রিসার্চ করতে জানেন তবে হয়তো এর দেখা মিলবে ।

তাই এবার মানা না মানা আপনার ব্যপার।

আর এই ধরনের কার্যক্রমের উপর বানানো হয়েছে একটি মুভি যার নামকরণ ও Escape Room দেওয়া হয়েছে যদি আপনি মুভিটি দেখতে চান তবে একবারে শেষে প্রান্তে ডাইনলোড লিংক যুক্ত করা হয়েছে।

এবার দেখে নেওয়া যাক Escape Room মুভি রিভিউ

প্রথমেই ছয়জন Lucky মানুষের কাছে চিঠি যাবে যে একটি গেমসের আয়োজন করা হয়েছে যে ঘর থেকে পালাতে পারবে গেমসে তাকে ১০,০০০$  ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।

Lucky কেন বলেছি তা আস্তে আস্তে জানতে পারবেন।

তাদের মধ্যে ছিলো ৪ জন ছেলে ২ জন মেয়ে তারা গেমসটিতে অংশগ্রহন করার জন্য একটি রুমে এসে একত্রিত হয়। তাদের মধ্যে কেউ সৈনিক কেউবা Business করে আর লেখাপড়া চলছে এমন একজন ও এখানে রয়েছে সবাই নিজের কাজে Expert.

রুমে অপেক্ষা করতে করতে ছয়জন বিরক্ত হয়ে যায় কখন খেলা শুরু হবে আর কার সাথে দেখা করতে তারা এসেছে কিন্তু তারা জানতোনা যে তারা যে কক্ষে রয়েছে তা Escape Room এর অংশ। রিসিপশন আছে তবে ঢাকনা আটকানো তাই কথা জিজ্ঞাসা করলে একই কথা বারংবার রিপ্লাই আসতে থাকে।

অবশেষে তাদের একজন রাগ করে বাহিরে যাওয়ার জন্য যে দরজা দিয়ে ঢুকেছিলো তার Lock ধরে টান দিতেই ভেংগে হাতে চলে আসে এবং বাহিরে যাওয়ার পথ বন্ধ বুঝতে পারে সবাইকে দেখানোর জন্য ডাকলে দেখা যায় Lock টি একটি ভোল্টের মত কিছু হয়ে গেছে তখন ছোট মেয়েটি ভোল্টের মাত্রাটা ঘুরিয়ে দিতেই পুরো ঘরে আগুনি এসি চালু হয়ে যায়।

এবার তারা গরম থেকে বাচতে সুত্র খোজা আরম্ভ করে দেয় এবং তারা কাউন্টারের ঢাকনা খোলার চাবি পায় এবং কাউন্টার খুলে দেখতে পায়।

সেখানে কোন মানুষ নয় বরং পুতুল এবং রেকোর্ডিং চলছে। এবার সেখানে কল বেজে উঠে একজন রিসিভার তুলে কানে লাগাতেই ওপাশ থেকে বলে ঊঠে Games  Started…….

এবার তারা আবারো নতুন সূত্র খুজে পেতে মরিয়া হয়ে উঠলো এবং দেখতে পেলে তাদের সামনে থাকা টেবিলে অনেক গুলো বোতাম রয়েছে এবং সব গুলো বোতাম একসাথে চেপে ধরলে একটি গুপ্ত দরজা খুলছে তো গুপ্ত দরজা খুলতেই একজন ফানেল বেয়ে ভিতরে প্রবেশ করলো যাচাই করতে এখান থেকে আসলেই বের হওয়া যায় কিনা । সবার হাত বোতাম গুলোর উপর।

তো একজন একজন করে পালাতে থাকলো এবং দেখা দিলো নতুন বিপদ বোতাম চেপে ধরার জন্য লোক কম পড়ে গেলো। এবার তারা কি করবে?
তারা পানির গ্লাস ভরে ভরে বোতাম গুলোর উপর রাখতে থাকলো যাতে পথ খোলা থাকে তারপর তারা বের হবে এই চিন্তা কিন্তু শেষের বোতাম টা তে গ্লাস রাখতে গিয়ে পানি কম পড়ে গেলো এবার নিজেকেই গালি দেওয়া আরম্ভ করলো কেন বেশী পানি খেয়েছিলো যাই হোক অবশেষে মনে পড়লো Wine আছে কিছুটা,  তা দিয়ে গ্লাস পূরন হয়ে গেলো।

এবার তারা ছোট্ট দরজা দিয়ে বেরোতেই পিছনে ফিরে দেখলো।

এবার সবাই একটি কাঠের ঘরের মাঝে নিজেদের আবিস্কার করলো……

এবারো সূত্র খুজতে থাকলো যাতে এই রুম থেকে বেরুতে পারে অবশেষে খুজে পেলো তালা খোলার সুত্র সবাই খুশীতে বের হয়ে পড়লো এবং যা দেখলো তারা নিজেদের চোখকেও বিশ্বাস  করাতে পারছিলনা।

প্রথমত কাবাব বানানোর হাত থেকে রক্ষা করা তারপর এবার বরফের দেশে দাঁড়িয়ে থাকা কেমন যেন বেখাপ্পা লাগছে চলতি সময়টা ।

যাই হোক বুঝতে পারলো গেমস থেকে মুক্তি পায় নাই তারা ঠান্ডায় জমতে লাগলো এবং সূত্র খোজায় মন লাগালো।
অনেক কষ্টের পরেও সূত্র না পাওয়ায় একজন অভিমানে সিগারেট জালিয়ে টানতে থাকে তখন গেমস খেলা পাগল ছেলেটি লাইটার চায় যাতে তারা আগুন জালাতে পারে ধুমপান করতে করতে লাইটার ছূড়ে মারলো ছেলেটি লাইটার টি নিতে গিয়ে বরফ ভেংগে ভিতরে ডুবে যায়।
সবার মন খারাপ এবং লাইটার দেওয়া লোকটিকে গালাগাল দিতে লাগলো কিন্তু অতিরিক্ত ঠান্ডা মনে করিয়ে দিলো নিজেদের বাচার জন্য সূত্র খোজার কথা।

আবার ঠান্ডায় কাপতে কাপতে সূত্র খোজায় মনোযোগ দিলো অবশেষে তারা বরফে জমা একটি সূত্র পেলো যা দিয়ে দরজা খুলবে কিন্তু ঠান্ডায় এখন তা কাজে লাগানো যাবেনা আগে বরফ গলতে হবে তারপর তারা এই রুম থেকে মুক্তি পাবে।

দেখা দিলো বিপদ ঝড়ো বাতাস সাথে বরফ এর মেঝেতে ফাটল ধরা কিন্তু তখনো যে বাকি বরফ গলে সূত্র বের হতে।

অবশেষে তারা মরতে মরতে বাচে এবং অন্য রকম উল্টাপাল্টা অদ্ভুত একটি রুমে নিজেদের আবিস্কার করে ।

এই রুমে সব কিছু উলটো যা উপড়ে থাকার কথা তা নিচে এবং যা নিজে থাকার কথা তা উপরে।
এখানেও সুত্র খোজা আরম্ভ করলো , অল্পের জন্য প্রানে বাচলো বুড়ো লোকটি কারন মেঝে খুলে নিজে পড়ে যাচ্ছে আর এক পা দিলেই পড়ে যেতো হয়তো একবারে অনেক গভীরে।

এবার Puzzle মিলানোতে মন লাগালো ছোট্ট মেয়েটি যাতে Lock এর পাসওয়ার্ড জানা যায়।
অবশেষে লক খুললো এবং দরজার নব মিললো যা দিয়ে দরজা খুলবে।

এবার দরজার নব নিয়ে আসার সময় পুল বোর্ড ধরে আসছিলো ।

কিন্তু নব টি মেঝেতে পড়ে গেলো এবং তা ঊঠাতে আর্মি মেয়েটি মেঝে তে নামে এবং মেঝেটি ভেংগে পড়ে যায় মেয়েটি কোনমতে নব টি অন্যদের কাছে ছুড়ে মারলো।

যাতে অন্যরা বাচতে পারে আর নিজে একটি টেলিফোন লাইন ধরে ঝুলে রইলো নিজেকে বাচাতে কিন্তু তার ছিড়ে পড়ে তার মৃত্যু হয়।

নিজে মরেও অন্যকে বাচিয়ে দিয়ে গেলো।

বেচে থাকা চারজন নতুন রুমে নিজেদের আবিস্কার করে এবং সুত্র পায় যে তাদের সম্পর্কে গেমসের লোকেরা সব কিছুই জানতো তাদের কে আমন্ত্রন দেওয়ার কারন বুঝে পেতে আর দেরী হলোনা।

নিজেদের ভিতর জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে এলো তারা সবাই কোন না কোন ভাবে মরার মুখ থেকে ফিরে এসেছে এবং কোটির ভিতর একজন Lucky তাই গেমার রা দেখতে চায় কে সব থেকে বেশী Lucky.
এবার যে রুমে রয়েছে সে রুম থেকে ৫ মিনিটে বের না হতে পারলে বিষাক্ত গ্যাস পুরো রুমে ছড়িয়ে যাবে আর দরজা খোলার একটাই পথ তাদের হার্টবিট রেট যদি তা মেলে মেশিনে তবেই দরজা খুলবে। এই হার্ট বিট রেট মিলাতে গিয়ে শর্কে মারা যায় বুড়ো লোকটি।

অন্যদিকে ছোট মেয়েটি ক্যামেরা ভাংগায় ব্যস্ত যাতে তারা কি করছে কেউ দেখতে না পারে আর অন্যদিকে গ্যাস বের হওয়া আরম্ভ হয়ে গিয়েছে।

তখন ব্যবসায়ী লোকের হার্টবিট মেশিনের সাথে মিলে যায় এবং দরজা খুলে তারা দুজন গেলেও মেয়েটা ক্যামেরা ভাংগায় ব্যস্ত অবশেষে গ্যাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে ……

হার্ট বিট মিলে যাওয়ায় মেশিন পথ খুলে দিলেও সমস্যা রয়ে যায় তাদের নতুন রুম নিয়ে।

তারা রুমে পৌছাতেই ঝগড়া মারামারি আরম্ভ করে বুড়ো লোকটিকে শর্ক দিয়ে মেরে ফেলার জন্য।

তারা যখন সুত্র খুজতে মন দিলো তখন একটি দরজা খুলতে হবে তাই দুজনে হাত লাগালো সুত্র পেলো বটে কিন্তু হাতে লেগে যায় ভয়ংকর কোন কিছু যা মতিভ্রম ঘটাতে সক্ষম।
এখন বাচার জন্য সুত্র খুজতে একটি ইঞ্জেকশন পায় যা এন্টিডট হিসাবে কাজ করবে।

কিন্তু মানুষ দুজন হওয়ায় মারামারি বেধে যায় কে নিবে ইঞ্জেকশন তা নিয়ে।

অবশেষে তাদের মধ্যে একজন মরে যায় অন্যজন ইঞ্জেকশন কাজে লাগায় ।এবং অন্য রুমে প্রবেশ করে।

এবার সুত্র খোজা আরম্ভ করতে চারদিকের দেয়াল চেপে আসতে থাকে কিন্তু মিলানো হয় নাই ধাধার উত্তর।

অবশেষে সব যদি বলে দেই তাহলে কি হয় বাকীটা মুভিতে আমি সবথেকে বড় টুইস্ট বলিনি তা হলো দুজন প্রানে বাচে তার ভিতর একজন পুলিশ নিয়ে সেই বিল্ডিং এ যায় সবাই কে ধরিয়ে দিতে যেখানে Escape Room গেমস খেলেছে তারা।

কিন্তু এ কি কিছুই যে আগের মতো নেই মনে হচ্ছে যেখানে তারা এসেছে এখানে কয়েক যুগেও মানুষের প্রবেশ হয় নাই মানে পুরো সব চেঞ্জ তাই পুলিশ বেচে থাকা লোকটি কে অবজ্ঞা করলো তখন বাকী যে বেচে রয়েছে হাসপাতালে তার জবানবন্দী নেওয়ার কথা বললে পুলিশে বলে তার শরীরে তিন ধরনের ড্রাগস পাওয়া গেছে।

এরকম টাই মূলত হয়ে থাকে তবে তারা বসে থাকে না তারা অন্য কোথাও নতুন সব চিন্তাভাবনা কাজে লাগিয়ে লাইভ স্ট্রিম করে থাকে যা মুভি দেখলে আরো ক্লিয়ার হয়ে যাবেন।

দেখা যাবে তারা অন্য কোথাও আবার গেমস চালু করে দিয়েছে।

যাই হোক যদি মুভিটি ডাউনলোড করতে চান তবে নিচের লিংকে চলে যান এবং ডাউনলোড করে নিন।

মুভি ডাউনলোড লিংক সম্পূর্ন হলিউডের হলেও দেখতে পারবেন হিন্দী ভাষায় সাথে ছোট সাইজে ভালো কোয়ালিটিতে পাবেন।

মুভিটির ডিরেক্টর Adam Robitel এবং মুভিটি বানাতে খরচ হয়েছে ৯ মিলিয়ন ইউএসডি ডলার এবং মুভি বক্স অফিসে হিট খায় ১৫৫.২ মিলিয়ন USD ডলারের।
মুভিটি প্রকাশ পায় জানুয়ারীর ৪ তারিখ ২০১৯ ইং সালে।
জানিনা পোষ্টটি কেমন লেগেছে আপনাদের কাছে যদি একটু ভালোও লেগে থাকে তবে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে ।
সৌজন্যেঃ Cyber Prince

সাইন্স ফিকশন মুভি ফ্যান্টাসটিক ফোর প্রথম পর্ব

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম সাইন্স ফিকশন মুভি Fantastic 4 সিরিজের প্রথম পর্ব নিয়ে।
 এই মুভি সিরিজ  যারা দেখেন নি আশা করি ভাল লাগবে।

Fantastic Four (2005):

Fantastic 4 সিরিজের প্রথম পর্ব মুক্তি পেয়েছিল ২০০৫ সালে।
পরিচালকঃ Tim Story
অভিনেতা/অভিনেত্রীঃ Ioan Gruffudd, Michael Chiklis, Chris Evans, Jessica Alba.
ক্যাটাগরীঃ অ্যাকশন , এডভেঞ্চার , ফ্যামিলি , সাইন্স ফিকশন
ভাষাঃ ইংরেজী এবং হিন্দি ।
১০৬ মিনিট এর সাইন্স-ফিকশন মুভি  ।


Dr. Victor Von এর সাথে Ioan Gruffudd, Michael Chiklis, Chris Evans, Jessica Alba. মহাকাশে

একটি পরীক্ষা চালতে মহাকাশে সফর করে । মহাকাশে সফরে তাদের সাথে ঘটে যায় শক্তিশালী কসমিক রেডিয়েশন এক্সপোজ যার মাধ্যমে অসাধারন সব শক্তি চলে আসে তাদের মধ্যে ।

 Dr. Victor Von খারাপ কিছু  পরিকল্পনা করতে থাকে এর এতে বাধা দিতে থাকে Ioan Gruffudd, Michael Chiklis, Chris Evans, Jessica Alba ।

                                       

বাকিটা মুভি থেকে দেখে নিবেন…………।।


তাহলে উপভোগ করুন মুভিটি ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যে: Cyber Prince

দেখে নিন হলিঊডের সাইন্স ফিকশন মুভি হিন্দী ভাষায় – Avengers Infinity War (2018)

 Avengers Infinity War
 
 
মুভিটি মুক্তি পেয়েছে ২৩শে এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখে
পরিচালকঃ Anthony Russo, Joe Russo
বাজেটঃ ৩১৬ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার
বক্স অফিসঃ ১.৬৮৬ বিলিয়ন ডলার
 
 
এই মুভিটি দেখলে মনে হবে যেন সুপার হিরোর মেলা বসেছে।সকল Marvel সুপার হিরোকে এনে একত্রিত করা হয়েছে।
 
 
সুভি সারাংশঃ Thanos যে কিনা বের হয়েছে ছয়টি শক্তিশালী মনি খুজে বের করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে।Thanos মনে করে যে গ্রহ এবং উপগ্রহ গুলোতে বেশী জনসংখ্যা হয়ে গেছে যদি অর্ধেক মেরে ফেলা যায় তবে আরো সুন্দর করে সাজানো যাবে সব এবং এই কাজ করলে সবার উপকার হবে বলে মনে করে Thanos.
 
 
Thanos একের পর এক গ্রহ ধ্বংস করে চলেছে আর মনি সংগ্রহ করে চলেছে এদিকে বসে নেই Avengers রা তাদের সাথে যুক্ত হবে Gurdian Of Galaxy এর তারকারা , Doctor Strange, Spider Man, Black Panther আরো কিছু মুখ। তবে এত সুপার হিরো থাকার পরেও যেন Thanos কে কোন ভাবে থামানোর উপায় নেই। এদিকে Thanos নিজের মেয়ের আত্মার বিনিময়ে সংগ্রহ করে ফেলেছে শক্তিশালী একটি মনি। Thor এর জীবন বাচাতে গিয়ে দিয়ে দিয়েছে আরেকটি মনি Loki. অন্যদিকে Iron Man এর জীবনের বিনিময়ে লুফে নিয়েছে সময় মনি এভাবে সে একত্রিত করে ফেললো ৬টি মনি এবার যেন বাচার আর কোন পথ নেই Avengers দের তবুও শেষ পর্যন্ত কি হয় জানতে হলে অবশ্যই দেখতে হবে সম্পূর্ণ এই মুভিটি।
 
 
যদি মুভিটি ডাউনলোড করতে চান তবে নিচের লিংক দেখুন।
 
 
 
তবে কি উপভোগ করুন মুভিগুলো।
আজকের মত বিদায়, দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ Cyber Prince

টিউলাইট Novel মুভি সিরিজের ৩য় পর্ব Eclipse সেই মানের Romantic, Vampire মুভি (পর্ব-৩)

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি টিউলাইট নোবেল উপর তৈরী মুভি Twilight Saga Series এর ৩য় পর্ব Twilight Saga Eclipse

দেখে নেওয়া যাক ৩য় পর্বের বিস্তারিতঃ

The Twilight Saga: Eclipse (2010)

মুক্তি পেয়েছিল ২০১০ সালে

IMDB rating: 4.9/10

ধরন : সাহসিক | নাটকীয় | কল্পনা
সাইজ : ১৬০ mb
ভাষা : ইংরেজী 2CH – হিন্দী 2ch
কোয়ালিটি 480p হাইলী কম্প্রেস
পরিচালক : ডেভিড স্ল্যাড
তারকা: ক্রিসন স্টুয়ার্ট, রবার্ট প্যাটিনসন, টেলর লুতনার

The Twilight Saga: Eclipse (2010):

বেলা আবারো নতুন বিপদের সম্মুখীন হয় , প্রথমত বেলাকে মেরে ফেলার জন্য ভিক্টোরিয়া নিজের দল তৈরী করছে
আর ২য় তাকে এডওয়ার্ড অথবা জ্যাকব যে কোন একজন কে বেছে নিতে হবে।

এ নিয়ে আরম্ভ হয়ে যায় তুমুল যুদ্ধ এডওয়ার্ড এবং জ্যাকবের মধ্যে । বেলা এখন কার হবে এটা তার নিজেকেই পছন্দ করে নিতে হবে কারন তার স্নাতক ডিগ্রী সে অর্জন করে ফেলেছে ।

অবশেষে সে এডওয়ার্ডকে বেছে নেয় আর জ্যাকব কে বন্ধু হিসাবে । এর মধ্যে ভিক্টোরিয়া তৈরী হয়ে গেছে তার দল নিয়ে বেলার উপর আক্রমন আনার জন্য । এখন দেখার বিষয় হলো এডওয়ার্ড কি পারবে বাচাতে বেলাকে , আর জ্যাকব কি তাদের সাহায্য করবে।

জানতে হলে অবশ্যই দেখতে হবে মুভিটি ডাউনলোড লিংক নিচে দেওয়া হলো ।

ডাউনলোড লিংক

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যে: সাইবার প্রিন্স

টিউলাইট নোবেল সিরিজ মুভির ২য় পর্ব Vampire, Romantic, Thriller, Horror – (পর্ব-২)

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি টিউলাইট নোবেল  উপর তৈরী মুভি Twilight Saga Series এর ২য় পর্ব Twilight Saga New Moon

দেখে নেওয়া যাক ২য় পর্বের বিস্তারিতঃ

The Twilight Saga New Moon (2009)

                                                 মুক্তির পেয়েছিল ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ ইং তারিখে
পরিচালক : Chris Weitz
মুভির ফিচারে ব্যবহার করা হয়েছে যে গানটি তা Possibility লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন ।
Box office হিট হয়েছে 709.7 million USD ডলার
সিরিজ : The Twilight Saga
সময়ঃ ১৩০ মিনিট
ক্যাটাগরীঃ Adventure,Drama,Fantasy
সাইজঃ ১৬৭ MB
The Twilight Saga: New Moon (2009)
এডওয়ার্ড বেলাকে ছেড়ে চলে যায় কিন্তু কোথায় বা কেন চলে যায় সে তা জানেনা এ যেন মানতে পারছিল না সে । সব কিছুতেই শুধু এডওয়ার্ড এর প্রতিচ্ছবি বেলার সামনে ভাসতে থাকে । এ সময় তার পাশে এসে দাঁড়ায় জ্যাকব । কিন্তু কিছুতেই এডওয়ার্ড ছাড়া নিজেকে কল্পনা করতে পারছিলনা ।
তাই আত্মহত্যা করার জন্য পাহাড় থেকে লাফ দেয় কিন্তু জ্যাকব এই যাত্রায় তাকে বাচিয়ে নেয় ।
বেলার অদ্ভুত লাগে তখন যখন জানতে পারে জ্যাকব নেকড়ে পরিবারের সদস্য যারা পাহাড়া দিচ্ছে ভ্যাম্পেয়ারদের শহর থেকে দূরে রাখার জন্য ।
ঘটে যায় আরেকটি ঘটনা এডওয়ার্ড তাকে ফেলে যায়নি বরং বেলাকে বাচাতে গিয়ে যে অপরাধ করে ফেলেছে তার সাজা ভুগছে এডওয়ার্ড ও চায় নিজেকে শেষ করে দিতে বেলার হাতে সময় যেন আর নেই এলেক্স এসে জানাল এই কথা এখন দেখার বিষয় ওরা কি পারবে এডওয়ার্ড কে বাচাতে নাকি পারবেনা ………………………………………।।
বাকীটা মুভি থেকে দেখে নিতে পারেন নিচে ডাউনলোড লিংক ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।


টিউলাইট নোবেল টি পড়েছেন না পড়ে থাকলে মুভির মাধ্যমে দেখে নিন (পর্ব – ১)

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম  রোমান্টিক ভ্যাম্পেয়ার মুভি যা দর্শকের কাছে পেয়েছে অন্যরকম মানের মানের জনপ্রিয়তা । এই মুভি সিরিজটি এসেছে নোবেল বিজয়ী Twilight (novel series) থেকে এর সম্বন্ধে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন ।

Twilight Saga  পাঁচটি রোম্যান্স ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্রের একটি সিরিজ যা  আমেরিকান লেখক স্টেফনি মেয়ারের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি ।
আর এতে অভিনয় করেছেন  ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট, রবার্ট প্যাটিনসন, এবং টেলর লুতনার এবং আরো অনেকে ।
৫ টি ছবিতে বাজেট  খরচ হয়েছে $৩৮৫,০০০,০০০ ডলার  এবং এর মূল চরিত্রগুলো এডওয়ার্ড কুলেন, বেলা সোয়ান, জ্যাকব ব্ল্যাক, আরও অনেকে।আমি আপনাদের সাথে পুরো মুভি সিরিজটি শেয়ার করবো হাইলী কম্প্রেস ডাউনলোড লিংক সহ তবে ধৈর্য সহাকারে দেখবেন।
তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রথম পর্বের বিস্তারিত:
প্রথম পর্বের নাম টিউলাইট মুক্তি পেয়েছিল ২০০৮ সালে ।
IMDB rating: ৫.২/১০
ধরন : Drama | Fantasy | Romance
সাইজ : 155mbভাষা : হিন্দি 2ch – ইংরেজী  2ch
কোয়ালিটি : হাইলী কম্প্রেস -BLU-RAY 
পরিচালনা : Kristen StewartRobert PattinsonTaylor Lautner
তারকা :  Edward Cullen, Bella Swan, Jacob Black

সারাংশঃ
Bella Swan সবার থেকে অন্যরকম একটি মেয়ে এবং তার বাবা শহরের পুলিশ ইনচার্জ ,বেলা কোলাহল মুক্ত পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে , তার সাথে দেখা করতে আসে তার বাবার বন্ধু এবং তার ছেলে জ্যাকব এবং গিফট দেয় একটি গাড়ি । বেলা  ফিনিক্স এর অ্যারিজোনা হাই স্কুল এ ভর্তি হয়  ।
কারন তার মা পুনরায় বিয়ে করেছিলেন তাই বেলা তার পিতার সঙ্গে ওয়াশিংটনের ছোট একটি শহরে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নেয় , একবারে একঘেয়েমি চলছিল তার জীবন তখন ঘটে যায় তার সাথে সবচেয়ে রহস্যময় ঘটনা  ।  হাই স্কুলের এডওয়ার্ড এর দেখা মিলে যে কিনা সবার থেকে আলাদা থাকতে পছন্দ করে কিন্তু  কেন জানি বেলাকে একেবারেই পছন্দ করতে পারেনি এডওয়ার্ড । এডওয়ার্ড রৌদ্রে স্কুলে অনুপস্থিত থাকে, কেন এডওয়ার্ড এর চোখ সবার থেকে ভিন্ন এ নিয়ে গবেষনা আরম্ভ করে বেলা । এডওয়ার্ড সত্যিই অন্য ছেলেদের মতো নয় । এডওয়ার্ড একটি  সিংহের চেয়ে দ্রুত দৌড়াতে এবং পর্বতে উঠতে পারে । শুধুমাত্র একহাত দিয়ে চলন্ত গাড়ী থামিয়ে ফেলতে পারে , এবং  1918 সাল থেকে এখন পর্যন্ত বুড়ো হয়নি । তাহলে কি এডওয়ার্ড একজন রক্তচোষা , মেরে ফেলবে কি বেলা কে নাকি গড়ে ঊঠবে তাদের মাঝে না ছেড়া বন্ধন ……………।
ভ্যাম্পেয়ার এবং মানুষের ।
জানতে হলে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন


আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।