Amazing Tips

অতীত আর বর্তমানের সময় ফোকড়

২০১৪ সালের দিকে নিজের ব্লগে এতো পরিমান লিখা লিখি করতাম এবং তখন লিখার জন্য যে কি পরিমান কষ্ট করতে হতো সেটা এখনকার তুলনায় অতি নগন্য। কি প্যাড মোবাইলে একটি বর্ন ৩ চাপে লিখে সেটা কাট কপি করে নিয়ে যেতাম নোট প্যাডে। দেন সেভ করে লেখা পোষ্ট করতে হতো। কখনো কখনো একটি লেখা একবারে লেখা যেতোনা কতটি ফন্ট একবারে টাইপ করে যাবে সে সীমাবদ্ধতার কারনে! কয়েকবার অংশ অংশ করে সে লেখা একটি জায়গায় বিন্যাস করা লাগতো।

তাও সেই লেখা নিজের ব্লগে পোষ্ট করার জন্য লাগতো পিসি, নিজের বাড়িতে পিসি থাকলেও ২০১৪ সালে ইন্টানেটর কানেকশন ছিলো খুব রেয়ার। পোষ্ট করার হন্য যেতে হতো সাইবার ক্যাফেতে। বা কখনো কখনো নকিয়া পিসি স্যুইট সফটওয়্যার ইনষ্টল করে মোবাইল টু পিসি কানেনশন দিয়ে অনেক কষ্টে করতে হতো পোষ্ট করার জন্য।

প্রচুর লিখা ছিলো, এখন যতটা জানি বা শিখেছি তখন এতনা না জানলেও চেষ্টা করেই যেতাম, সারাদিন এগুলোর পিছনেই এফোর্ট দিতাম। কিন্তু এখন সব সহজলভ্য হলেও লিখতে আর ভালো লাগে না, কখনো কখনো নিজের প্রিয় সংগঠনের কার্যক্রমের রিপোর্ট লিখতেও কেমন জানি অলসতা কাজ করে। আমার মাঝে মাজে আপসোসই লাগে যে, তখন আমি নিজের এবং অন্যর ব্লগে যে পরিমান লিখেছি সেগুলো থেকে আয়ও করা যেতো। কিন্তু গুগলের এডসেন্স বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা যায়, সেটাই জানতাম নাহ। কারন তখন ইউটিউব ছিলোনা! মূলত ছিলোনা বলতে বোজাচ্ছি তখন টু-জি ইন্টারনেটে ইউটিউব চলতো নাহ, জেলা শহরে।
আর ব্রডব্যান্ড তো এখনো এভেল এভেল নাহ তেমন।

তাই প্রচুর পরিমান শ্রম সেখানে দিলেও কোন সেখান থেকে যে আয়ের সুযোগ ছিলো সেটা জানা ছিলোনা। একমাত্র ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ছিলো সিটিসেল জুম, এবং তাদের সিমগুলো শুধু তাদের কোম্পনীর ফোনেই সাপোর্ট করতো, তুলনামূলক ভালো ছিলো সিটিসেলের ইন্টারনেট। তবে প্যাকেজ গুলো ছিলো বেশ বড় এমাউন্টের ২০০-৩০০ তাই তাতেও কেনা হতোনা। মনে আছে ২০১৩-১৪ তে রবিতে ১০ টাকায় সবোর্চ্চ পেতাম ২৫ মেগাবাইট! তাও ১০ মেগাবাইট বোনাস সহ। ঈদের আনন্দ লাগতো। তবে জাভা ফোনে ২৫ মেগাবাইট নেতাতই কম নয়। তবে ইন্টারনেট ছিলো সুপার স্লো, ৫ এম্বির অডিও ফাইল ডাউনলোড দিলে ৩০ মিনিটেও হতো নাহ, সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো ৯৯.৯৯% ডাউনলোডের পরে তা ইরোর হয়ে যেতো। এবং নতুন করে আবার শুরু করতে হতো। এতো সব বাধা উপেক্ষা করেও লিখতাম। তখন ফেসবুকে কোন চ্যাট অপশনও ছিলোনা, ছিলোনন এতো ফিচার। চ্যাট করার জন্য নামাতে হতো নিমবাজ নামের একটি সফটওয়্যার, জাভা ফোনে সফটওয়্যার নামনোও এতো সহজ ছিলোনা, প্রচুর লেগ আর ঝামেলা পোহাতেই হতো।

তখন অবশ্য খুব দামি ফোন ছিলো নকিয়ার সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেমের ফোন গুলো, জাভা থেকে ভালো সার্ভিস ছিলো সফটওয়্যার ক্ষেত্রে গেটজার আর ওয়েপট্রিক ছিলো তখনকার মোষ্ট কমন ওয়েবসাইট। অনেক তো হলো তখনকার ইন্টারনেট স্ট্রাগলের গল্প মূলত এতো গুলো লেখার কারন সেটাই যে কাল থেকে আবার কয়েকদিন লিখবো।

কি নিয়ে লিখবো!! হ্যা বলছি………

চারদিকে যখন করোনা মহামারী, তখন মুসলিমদের একাংশ নানান ধরনের কুসংস্কার আর আজগুবি গুজবে বিস্বাস সহ করছে নানান গাজাখুরি কথা বিস্বাস, আমার খুব আফসোসই লাগে বলতে পারেন। বিশেষ করে দক্ষিন এশিয়ার মুসলিমদের একটা অংশের জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়া খুবই দুঃখ জনক। তাই লিখবো মুসলিমদের বিজ্ঞানে অবদান নিয়ে, আমার ফ্রেন্ড লিষ্টে মনে হয়না তেমন কেউ আছে যে কিনা কুসংস্কারে বিস্বাস করে তবুও মুসলিমদের স্বর্নযুগের ইতিহাস লিখবো সংক্ষিপ্ত করে, জানা উচিত মুসলিমরা একবিংশ শতাব্দীতে এসে আনাড়ী হলেও আমাদের ছিলো স্বর্নযুগ, যার উপর ভর করেই দাড়িয়ে আছে আজকের উন্নত মানবসভ্যতা আর প্রযুক্তি।।

মুসলিমদের স্বর্নযুগ পর্ব- ৪

সিরিজটি লিখার উদ্দেশ্য ছিলো, অন্যকে জানানো এবং এতে করে নিজেরও অনেক কিছু জানা হলো, কথা বাড়াচ্ছিনা আজকেও থাকবে তিনটি নতুন বিষয়। আশা করি ভালো লাগবে, এবং বানান ভুলের জন্য দুঃখিত। কম্পিউটারে বিজয় আর মোবাইলের অভ্র লিখতে গিয়ে মাঝে মাঝে অভ্যাসের দরুন কিছু বানান আমি ভুল করে ফেলি।

আজ একটু ভিন্ন ভাবে শুরু করি, মূলত আজ এমন একটি বিষয়ে তুলে ধরবো যার জন্য বলা চলে মুসলিমদের হৃদয়ে রক্তক্ষরন হতে পারে, আবার করতে পারে গর্ব আবার হতে পারে মুসলিমদের হাজার বছর পিছিয়ে পড়ার কারন, হ্যা বলছিলাম “বাইতুল হিকমা” র কথা। বাইতুল হিকমা আব্বাসীয় খেলাফতের সময় বাগদাদে প্রতিষ্ঠা করেন আল মামুন। পুরো পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি হয় হার্ভার্ড, ঠিক তখনকার সময় পুরো পৃথিবীর জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রান ছিলো বাইতুল হিকমা।
বাইতুল হিকমাকে বলা হতো হাউজ অফ উইজডম।
বাইতুল হিকমা নিয়ে বেশ কিছু তথ্য থাকবে কমেন্টে লেখা ছোট করার সার্থে। আধুনিক পৃথিবীর জন্য আজ এই বাইতুর হিকমার আবিস্কার আর অবদান তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।

১- এ্যানক্রিপশন/ গোপননীয়তা

আপনাদের নিশ্চয়ই সকলের মনে আছে, একটি মাত্র স্পাম মেসেজে ক্লিক করার কারনে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা গায়ের হয়ে গিয়েছিলো। হ্যা বলসি সাইবার সিউকিরিটির বা এ্যানক্রিপশনের কথা। পুরো পৃথিবীই এখন এ মাধ্যমেই সকল শাখা নির্ভরশীল, ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তোলা সহ প্রায়। আর এই তথ্যর নিরাপত্তা ব্যাবস্থা বা এ্যানক্রিপ্ট ব্যবস্তার আবিস্কার হয়েছে বাইতুল হিকমা থেকেই, যার উদ্ভাবক ওয়ান অফ দ্যা গ্রেট ম্যাথমেটিশিয়ান “আল কিন্দি” তার আবিস্কারটা গ্রাফিকাল চিত্র ছাড়া তুলে ধরা কষ্টকর। তিনিই আবিস্কার করেন গোপনবার্তা পাঠানোর, নিদিষ্ট ব্যাক্তি ছাড়া ঐ বার্তা কেউ দেখলে পড়তে পারবেনা।
বর্তমানে এই এ্যানক্রিপশন ব্যবস্থা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও চিত্না করা যায়না। যেমনটা উইকিলিকসে কিছু তথ্য বেরিয়ে পড়াতে আমেরিকার মতো দেশও বিশ্বের কাছে নাকানি চুপানি খেয়েছে।

২- ট্রান্সলেশন/ অনুবাদ

আপনি জানেন কি, বাংলা ভাষায় যতগুলো শব্দ আছে ইংরেজিতে তার চেয়ে কয়েক গুন বেশি। এবং বাংলাতে ভুগোল বিষয়ের সব কিছু লিখা সম্ভবনাহ। সাহায্য নিতে হয় অন্য ভাষার, সে যাই হোক, তখনকার যুগে পৃথিবী ব্যাপি নানান জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা হলেও পুরো পৃথিবীতে তা ছড়িয়ে পড়তো না সেভাবে, কারন নানান জায়গায় ব্যবহার হতো নানান ভাষা। বিষয়টা এখন খুব সাধারন মনে হলেও সত্যি ভাবলে অবাক লাগে অনুবাদ বিষয়টা পৃথিবীকে আজকের এ উন্নতির পেছনে অনুবাদের একটা ব্যাপক অবদান আছে, আর এ অনুবাদের বিষয়টিও উদ্ভাবন হয় “বাইতুল হিকমাহ” থেকে। মূলত বাগদাদের বাইতুল হিকমাহ হয়ে উঠে বিশ্বের উচ্চশিক্ষার প্রধান স্থান। তখন পুরো পৃথিবী থেকেই সেখানে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতো। গ্রীক ও আরবীয় পন্ডিতরাই এ অনুবাদের কাজ শুরু করেন। অনুবাদ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভাবুন, ধরুন এই মুহুর্তে করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কার করার পদ্ধতি অন্য কোন ভাষায় লিখা আছে কিন্তু কেউ তা পড়তে পারছে না বা বুঝতে পারছেনা তার নিজের ভাষায়। বলা হয়া থাকে ইবনে সিনার সকল বই যদি অনুবাদ বা তার সব সাংকেতিক চিহৃ যদি বোঝা যেতো চিকিৎসা বিজ্ঞান আরো এগিয়ে থাকতো। গত পর্বে একটা ভুল করেছিলাম, বিশ্বের প্রথম মানমন্দিরে নামটা। দামেস্কে প্রথম মান মন্দির কাসিউন পর্বতের ‘’আল আল মুমতাহান। মূলত বাইতুল হিকমাহ থেকে তৈরীর উদ্যোগ নেয়াতে নামটা বাইতুল হিকমা বলে ফেলেছিলাম।

৩- ডেসিমেল সিস্টেম/ হিন্দু-এ্যারাবীক নিউমেরিক সিস্টেম।

ধরুন আমরা সকলে দৈনন্দিন জিবনে যে হিসাব নিকাশ করি, বা যে কোন কিছুতে পরিমাপ সহ সব কিছুতে কি ব্যবহার করি। হ্যা উত্তর হবে সংখ্যা পদ্ধতি, 1,2,3 এটাও এমন একটা আবিস্কার আজকের দুনিয়ার জন্য যা জিবনকে অনেক অনেক সহজ করে দিয়েছে। এটার মূলত আদি স্থান প্রাচীন ভারত, এই ডেসিমেল সিস্টেমে মূলত বাইতুল হিকমা থেকেই পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। কারন তখন আরবরা ধর্ম প্রচার ও ব্যবসায়ীক কাজে ভারতে গমন করতেন এবং তাদের এই পদ্ধতিটা ভালো লাগে, এবং তারাই ফিরে এসে এটার গানিতীক পদ্ধতি ও বিশ্বব্যাপি ব্যবহার শুরু হয়। “0” শুণ্য বা জিরো বা হলো সংখ্যা পদ্ধতিতে বিপ্লবী পরিবর্তন এনে দেওয়া উদ্ভাবন, মূলত প্রথমে জিরোর কোন ব্যবহার ছিলোনা। কিন্তু আল খাজওয়ামীর অবদান আছে, এবং শূন্যর আবিস্কার হয় প্রাচীন মিশরে। কিন্তু তারা এই শূন্যের ব্যবহার করতো নাহ। এবং তারা শূণ্যকে বামে বসাতো। কিন্তু শূণ্যের সফল ব্যবহার শুরু করে ভারতীয় গনীতবিদেরা। শূণ্যের মান যে ইনফিনিটি তাই তার পরেই মূলত বোঝা যায়। এবং শূণ্য ব্যবহার করেও যোগ বিয়োগ তারা সফল ভাবে করেন। আরবীয়রা শূন্য আবিস্কার করলেও এর ব্যবহার উদ্ভাবন করেন ভারতীয় গনীতবীদরা। আরবরা শূণ্যকে বলতো “নফর” যার অর্থ সুন্দর। পরে ইটালিয়ানরা এর অনুবাদ করে ইটালিয়ান ভাষায় তা থেকেই মূলত এর নাম দেয় হয় জিরো।
ভারতীয়দের ও আরবদের যৌথ অবদান থাকায় একে বলা হয়, হিন্দু-এ্যারাবিক নিউমেরিক সিস্টেম।

একটা জিনিস ভেবে খারাপ লাগছে যে, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়, মিডিয়াতে আইজ্যাক নিউটন, আইনস্টাইন দের নাম খুব গর্বের সাথে নেওয়া ও স্বরন করা হলেও, নেয়া হয়না আল হাইয়ান, আল হাজেন দের নাম নেয়া হয়না। অথচ আল হাজেনের একটি বই থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে নিউটন, আইনস্টাইনরাও গবেষনা করেছে, এবং তারাও তাকে সম্মান করতো… আর আমরা!!!

আর আল হাজেন আর একটি বিজ্ঞানের জনক, এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্সের জনকও তিনি…
সে কথা থাকবে আগামী পর্বে…..

ইনশাআল্লাহ চলবে…..
#HomeQuarantine

মুসলিমদের স্বর্নযুগ পর্ব-৩

আশা করি গত দুটি পর্ব আপনাদের ভালো লেগেছে, এবং মুসলিমদের পৃথিবী বদলে দেবার মতো আবিস্কার গুলো জেনেছেন, তো বরাবরের মতো
আজ শোনাবো মুসলিমদের এমন আরো ৩ টি আবিস্কার/উদ্ভাবন যা বর্তমান পৃথিবীতেও সব দেশ সে ভাবে শুরু করেনি। তো চলুন শুর করি….

১- মানমন্দির/ অবজারভেটরি

মূলত মানমন্দির বা অবজারভেটরি হলো মহাশূন্য গবেষনা কেন্দ্র ও আবহাওয়া নিয়ে পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। আর বিশ্বের প্রথম মানমন্দিরও মুসলিমের দ্বারা স্থাপিত হয়। আব্বাসীয় খলিফা আল মামুনের (রাজত্বকাল : ৮১৩-৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ) আমলে বাগদাদে প্রথম মানমন্দির নির্মিত হয়।
খুব সম্ভবত নাম “বাইতুল হিকমা” কেউ কেউ মনে করেন প্রাচীন মিশরীয় মুসলিমরা প্রথস মানমন্দির স্থাপন করে, তবে বাগদাদের বাইতুল হিকমাই ই প্রথম বলে যথেষ্ট প্রমান পাওয়া যায়।
কয়েক দিন আগের কথা, বাংলাদেশ গভমেন্ট ঘোষনা দিলো বঙ্গবন্ধুর নামে একটি মান মন্দির করা হবে, তো যথারীতি তা সামাজিক মাধ্যমে আসলো জাতীয় প্রত্রিকার সামাজিক মাধ্যমে আসলো। বরাবরের মতোই সেখানে শুধু গালাগাল আর হিন্দুরের মন্দির ভাবা শুরো করলো আমার বাঙ্গালী মুসলিমরা, কারন শব্দটি হিন্দুদের মন্দির শব্দের সাথে মিলে যায়!

২- এ্যলগরিদম/এ্যালজেবরা ও কিউবিক ইকুয়েশন।

আল খোয়ারিজমিকে আধুনিক বীজগণিতের জনক বলা হয়। তিনি সর্ব প্রথম গুন ও ভাগ করার জন্য সহজ প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন যেটাকে আমরা অ্যালগরিদম বলি। মুলত এটা খুব সহজ করে বোঝানোর জন্য, মুলত এ্যলগরিদমের আছে ব্যাক ব্যবহার। আধুনিক দুনিয়াতে যে সুপার সনিক যুদ্ধ বিমান, আর যানবাহন চড়ে মুহুর্তের মধ্যে একস্থান হতে এক স্থানে চলে যান সেটা মূলত এই এ্যলগরিদমের জন্যই সহজ হয়েছে, মূলত এ পর্ব গুলো লিখতে গিয়ে একটা জিনিস অনুভব করলাম যে আসলে সব কিছু লিখে শতভাগ প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ধরুন কোন পাইলট কে যদি একটা নির্দেশ দেয়া হয়, আর সেখানে যদি এই এ্যলগরিদমের ব্যবহার না করা হয় তাহলে তার সেই নির্দেশ টা বুঝতে এতোটাই কষ্টসাধ্য হবে যে সে নিয়ন্ত্রণও হারাতে পারে শুধু কি তাই, আধুনিক বিজ্ঞানের সকল শাখাতেই এর ব্যবহার আছে। যো কোন যন্ত্র বা মেশিনের তৈরী হতে শুরু করে তা কার্যকরী ভাবে কাজ করাতে বিজ্ঞানীদের করতে হয় হাজার হাজার, এমনকি কোটি কোটি ইকুয়েশন।

—–ওমর খৈয়াম—-
এবং ইঞ্জিনের শক্তি কত থেকে কত হলে কত গতিতে চলবে, বা কোন যন্ত্রের সঠিক নিয়ন্ত্রনের জন্য এবং এ জাতীয় কাজের জন্য যা দরকার হয়, তা হলো কিউবিক ইকুয়েশন! আর এই যুগান্তকারী আবিস্কার করেন ইরানের গনিতবীদ “ওমর খৈয়াম”
এবং ওমর খৈয়াম গনিতের যে উপপাদ্য রচনা করেছেন তা এখনও পড়ানো হয়। তিনি স্বাধীনভাবে গণিতের দ্বিপদ্বী উপপাদ্য আবিষ্কার করেন। বীজগণিতে ত্রিঘাত সমীকরণের সমাধান তিনিই প্রথম করেন। বহুমুখী প্রতিভার দৃষ্টান্ত দিতে বলা হলে বিশ্বসাহিত্য কিংবা ইতিহাসে যাদের নাম উপেক্ষা করা কঠিন ওমর খৈয়াম তাদের মধ্যে অন্যতম ও শীর্ষস্থানীয়।

বীজ গনিত, এ্যলজেবরা, বা ইকুয়েশন ছাড়া আধুনিক বিশ্ব কেন, শিক্ষা বা গবেষনা ও কল্পনা করা যায়।

৩- অপটিক্স/ আলোক বিজ্ঞান

যারা চোখে কোন সমস্যার কারনে চোখে চশমা ব্যবহার করেন বা চোখের কোন কোন জটিলতার কারনে ঔষুধ খেয়ে সুস্থ্য হয়েছেন তাদের তো এ বিজ্ঞানীতে মনে রাখাই উচিত। হ্যা এই গুরুত্বপূর্ণ অপটিক্সের আবিস্কারও মুসলিমদের হাত ধরেই, গ্রিক বিজ্ঞানীরা ও এরিষ্টোটল মনে করতেন, মানুষের চোখ থেকে আলো বের হয়ে তা বস্তুর উপর পরে এবং তার কারনেই মানুষ দেখতে পায়। এবং তা দ্বিতীয় শতকেও গ্রিক বিজ্ঞানী উইক্লিড-টলেমীও তাতের তত্বকে নানা রকম যুক্তিতে সঠিক বলে দাবি করেন।

কিন্তু তা ভুল প্রমান করেন ইরানের বিজ্ঞানী “আল হাজেন” যার পুরো নাম আল হাসান ইবন হাইসাম। তিনি নতুন তত্বে বললেন, মানুষের চোখ থেকে নয়, বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে এসে যখন আমাদের চোখের রেটিনার ওপর পড়ে তখনই আমরা বস্তুটাকে দেখি। এবং তিনি আলোক বিজ্ঞানের উপর একটি বই লেখেন দ্যা অপটিক্স নামে, এবং তিনি আবিস্কার করেন আলোর গতি আছে, আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে গেলে এর গতি কমে যায়। আগে মানুষ মনে করত আলোর গতি অসীম। এবং আল হাজেনই আলোক বিজ্ঞানের জনক, এবং তাকে বলা হয় ফাদার অফ অপটিক্স।
এবং বিজ্ঞানী আল হাজেনের লেখা বই দ্যা অপটিক্স থেকে অনুপ্রানীত হয় পৃথিবীর প্রায় সকল বড় বিজ্ঞানীরা আলোক বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেন এবং আল হাজেনের তত্ব সঠিক প্রমান হয়, সে তালিকায় আছেন আইজ্যাক নিউটন হতে আইনস্টাইন পর্যন্ত।
মজার ব্যাপার হলো বিজ্ঞানী গ্যালিলিউ, বিজ্ঞানী আল হাজেনের একটি তত্ব মানতে চাননি যা হলো আলো কোথাও পৌছাতে সময় নেয়, কিস্তু গ্যালিলিউ তা পরিক্ষা করে ভুল প্রমান করতে চান, যা নিয়ে একটি ঘটনা আছে যা কমেন্টে দিবো। লেখা ছোট করার সুবিধার্থে। তার চেয়েও মজার কথা হলো, বিজ্ঞানী আল হাজেনের এ আলোক বিজ্ঞানী হয়ে উঠার পিছনে একটি গল্প আছে, তিনি ইরাকে জন্ম গ্রহন করলেও বসবাস করতেন মিশরে। তখন নীল নদের দেশ মিশরে প্রচুর বন্যা হতো, তখন মিশরের শাসকেরা তাকে অর্থ দেন বাধ নির্মানের জন্য, কিন্তু তিনি তা না করে বাধ নির্মানের টাকা দিয়ে আলোক বিজ্ঞানের উপর গবেষনা করেন।

ইসলামের স্বর্নযুগ সিরিজটি লিখতে গিয়ে নতুন করে অনেক পড়াশুনা করে এটা বুঝতে পারলাম যে, আমি যে বিষয়গুলো নিয়ে টপিক আকারে লিখছি বা যে সকল মুসলিম বিজ্ঞানীদের কথা উল্লেখ করছি তাদের সকল অবদানের ১% ভাগও আমার লেখাতে নেই, তবুও চেষ্টা করছি যতটুকু সম্ভব তুলে ধরার।
মুসলিমদের এতো সুন্দর গৌরমময় সময় ছিলো তা ভাবতেও ভালো লাগছে….

ছবিতে- বিজ্ঞানী “আল হাজেন” ও “ওমর খৈয়াম”

ইনশাআল্লাহ চলবে…..
#HomeQuarantine

মুসলিমদের স্বর্নযুগ পর্ব-২

আজ শোনাবো মুসলিমদের এমন আরো ৪ টি আবিস্কার/উদ্ভাবন যা আজকের পৃথিবীর জন্য বয়ে এনেছে কল্যান আর জিবনকে করেছে সহজ, সৃষ্টি হয়েছে আধুনিক পৃথিবী। মূলত গত পোষ্টে ৬ টি টপিকে লিখতে গিয়ে অনুভব করলাম লেখার মান কিছুটা দূর্বল হয়ে যাচ্ছে। তো চলুন….

১- রসায়ন/ ক্যামেস্ট্রি

বলা হয়া থাকে প্রতিটা মানুষ সকাল থেকে ঘুমানো পর্যন্ত যা কিছু আমাদের চোখে পড়ে তার মধ্যেই ক্যামেস্ট্রির অবদান, মেডিসিন, ব্যাটারি, কম্পিউটারে চিপ হতে শুরু করে সব। বলা হয় ক্যামেস্ট্রি ইজ এভরিহয়ার। এবং এই ক্যামেস্ট্রির পিতা বলা হয় ইরানের বিজ্ঞানী “জাবির ইবনে হাইয়ান” কে।
তিনি শুধু রসায়নবিদই ছিলেন নাহ, তিনি ছিলেন পিজিশিয়ান, ফার্মাসিস্ট, দার্শনিক। তিনি একাই লিখেছিলেন ৩ হাজার বই! যা কিনা পৃথিবীর আর কোন বিজ্ঞানীর ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়না। এবং তার আবিস্কার ক্যামেস্ট্রিকে নিয়ে গিছে এক ভিন্ন মাত্রায়। তিনি রসায়নের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিলেন যার অনেকগুলো এখনও ব্যবহৃত হয়। যেমন: হাইড্রোক্লোরিক ও নাইট্রিক এসিড সংশ্লেষণ, পাতন এবং কেলাসীকরণ। তিনি শুধু রসায়নবীদ ছিলেন নাহ, পদার্থ বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞানেও তার ভুমিকা আছে। এবং তাকে রসায়নের জনকও বলা হয়ে থাকে। প্রকৃতি ভারসম্য তত্ত নিয়ে তার লেখা দ্য বুক অফ ব্যালেন্স অন্যতম। এছারাও তিনি রাসায়নিক সংখ্যায়ন পদ্ধতি আবিস্কার করেছেন। নাইট্রিক এসিড, সালফারিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিন এডিসও তার আবিস্কার করা।

২- সার্জারি/ সার্জারীর ইকুয়েপম্যান

হ্যা আরো হাজার বছর পূর্বে, বিশ্বের প্রথম সার্জন বলা হয় “আবুল কাশেম খালিফ ইবনে আল আবাদ আল জাওয়ারী” কে। তিনিই প্রথম শল্য চিৎকিসার মাধ্যমে সিজারিয়ান করেছিলেন। এবং ১৫০০ পৃষ্টার একটি এনসাইক্লোপিডিয়া রচনা করেন সার্জারির উপর, যা পরবর্তী ৫০০ বছর উইরোপে ছিলো মূল সার্জারী বিদ্যার ওহি। তিনিই শল্য চিৎকিসা দাড়া ক্ষত শেলাই আবিস্কার করেছিলেন। তিনি চিৎকিসা বিজ্ঞান নিয়ে কিতাবুল তাফসির নামের বই লেখেন ৩০ টি খন্ডে, যা কিনা কিছু ক্ষেত্রে এই একবিংশ শতাব্দিতেও ব্যবহার করা হয়। আবুল কাসেম কর্ডোভার বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন শাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা ও চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় তিনি নিজেই সার্জারী ইনস্ট্রিমেন্ট আবিস্কার করেন, তিনি নাকের ছিদ্রে ঔষধ দেয়ার, দাঁত তোলার, দাঁতের গোড়া সাফ বা স্ক্রেপিং করার, দাঁতের গোড়ার গোশ্ত কাটার, চোখের ছানি অপারেশন করার, অন্ধ চোখ চিকিৎসা করার, চোখের পলকের গোশত কাটার, শরীরের যেকোন অংশের বর্ধিত গোশ্ত বেঁচে ফেলার, তীর বের করার, মূত্রনালীর পাথর বের করার, ভাঙা হাড় বের করার, জরায়ূর মুখ প্রশস্ত করার, জরায়ূ থেকে গোশত বের করার, মৃত ভ্রুণকে বের করার দু’রকম যন্ত্র, মৃত ভ্রুণের অংগচ্ছেদ করার যন্ত্র এবং সাধারণ অন্ত্রচিকিৎসার কয়েকরকম যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করেন। তিনি স্পেনে জন্মগ্রহন করেন। কিন্তু আমরা মুসলিমরা কি তার কথা জানি বা মনে রেখেছি! চিৎিকিসা বিজ্ঞানে বিস্ময়কর আবিস্কার সার্জারি। যা প্রতি মুহুর্তে জীবন রক্ষা করে এ ধরনীর। তাকে আধুনিক শল্য চিৎকিসার জনক হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।

৩- বিশ্বমানচিত্র/ ওয়ার্ল্ড ম্যাপ।

আধুনিক যুগে আমরা গুগলে ম্যাচে পুরো পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনে যে বিস্ময় এনেছি, আমরা কি জানি তার শুরুটাই মুসলিমদের দ্বারাই করা হয়েছিল। বিশ্বের প্রথম আংশিক মানচিত্র আকার পর, তাতে ছিলো নানান সমস্যা ও অংসগতি। এবং তা দিয়ে ব্যবসায়ের কাজে রাষ্ট্র চিহ্নিত করা যেতো নাহ। ১১৫৪ সালের দিকে প্রথম পূর্নাঙ্গ ও তখনকার সবচেয়ে নির্ভুল মানচিত্র অংকন করে, মুহাম্মদ আল উদ্রিসি। তিনি ছিলেন আরব ভুগোলবীদ ও বিজ্ঞানী।
তার হাত ধরেই আধুনিক ম্যাপ। ভাবতে পারেন মানচিত্র হীন পৃথিবী!

৪- ফ্লাইং মেশিন/ উড্ডয়ন

আকাশে উড়ে বেড়াতে কে না চায়, বিজ্ঞানের শত শত আবিস্কারের মধ্যে অন্যতম একটি হলো আধুনিক বিমান বা এভিয়েশন ব্যবস্থা।
যা প্রথম করে দেখান, আন্দালুসের বহুশাস্থ্রবিশারদ ” আব্বাস ইবনে ফিরনাস” তিনিই প্রথম যিনি কিনা উড়তে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়াও তিনি জলঘড়ির নকশা করেছিলেন।

৫- জিওডেসি/ পৃথিবী, চন্দ্র, ইত্যাদি সংক্রান্ত গনিত।
ও ফলিত বিজ্ঞান। (বোনাস ওয়ান)

সৌর জগতের এ বিষয়গুলোর যে আকার আকৃতি ও ব্যাসার্ধ তাও আবিস্কার করেন মুসলিম বিজ্ঞানী।
“আবু বায়হান আল বিরুনি” নামের উজবেকিস্তানের বিজ্ঞানী, তিনি পৃথিবীর ব্যাসের ডায়াগ্রাম ও চাঁদের দশা নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে পৃথিবীর পুরো বিজ্ঞানের ফাদার এন্ড মাদার বলা হয় যাদের কে তাদের মধ্যে একজন হয়ে যান। ( একটা ব্যক্তিগত কথা বলি আমি বিজ্ঞানের ছাত্র না হবার কারনে তার কিছু কাজ মূলত কি তা নিয়ে লিখতে পারছি নাহ, প্রায় সবাই ক্ষেত্রেই হচ্ছে এ সমস্যাটা তবে চেষ্টা করবো সবোর্চ্চ।) তাকে মর্ডান জিওসিডির পিতা বলা হয়।

তবে একটা দুঃখ জনক সত্য হলো, আমাদের মুসলিমরা বর্তমানে মুসলিমদের এ অবদান গুলো মনে রাখিনী। বৈশ্বিক ও রাজনৈতিক কারনে নিজেদের গর্বের জায়গাগুলো নষ্ট করেছি। বর্তমানেও যে মুসলিম রা একদম পিছিয়ে তাও নাহ। তবে সমান তালে আগানো হয়নি, তবে সম্পদের পাহার হয়েছে মুসলিম বেশিরভাগ দেশই যা কিনা ভোগ বিলাশেই নষ্ট হচ্ছে। গবেষনা, উদ্ভবন এগুলোতে বিনিয়োগ কম যাচ্ছে। আশা করি এ আধার কাটবে আগামীতে।

চলবে ইনশাআল্লাহ….
#HomeQuarantine

Let’s go For Time Travel On 30 Years Ago Windows 1.0.1

We all live in the digital age. It was also thanks to the modern computer. And our digital world of the computer sector. 

Thus it depends on which one of the instruments of all things technological. Since the computer is a device that is required for it to operate Windows or OS. 

Hardware Software’s relationship with the Windows built-in. Windows enables you to install various types of computer work, you Can Run Windows XP, Vista, 7,8, 10 etc used. Microsoft is aware of that too.  

And Microsoft is going to continue to update their systems from the beginning. So that we can use more features. 

If you run Microsoft Windows 1.0 if one of the first to look at the rest of the head will be lost. 

Windows 1.0

0 Novembar 1985 on their new operating system Microsoft released Windows 1.0. IBM PC XT (Model 5160) for the first time on a computer that is running Windows 1.0. You will need to run the operating system is only 256 KB in size Ram. The Hard Disk will be required in your memory card from my little Storage.

Grand Father period, the IBM PC XT (Model 5160) was only 10 MB of hard disk computer. It was more than enough to need it. The computer had Clock Speed ​​4.77 Megahertz. Today we’ll continue our early computers, Microsoft’s great Operating System.

Before I share an article using the Virtual Machine Tutorial For Windows computer, Android, Linux Kernel or the Macintosh Operating System is Run. No need to run Windows Virtual Machine, however, will not be needing this.

When your maximum of 5MB to spend much more time will be required native Loading depending on the speed of your Internet. I’ll post the link so that you can use. However, to have a look at some of the Screenshot Review.

Windows 1.0.1 can be used in the CGA or EGA Display feature.

  • CGA Display
  1. IBM PC XT, 256Kb RAM, 10Mb Hard Disk, Color Display
  • EGA Display
  1. IBM PC XT, 640Kb RAM, 10Mb Hard Disk (Formatted), 128Kb EGA, Enhanced Color Display

You can use both. Loading after I added the link to access the following will be successful.

Loading when you are done you will receive for your Windows 1.0.1. So have to wait until the Interface. And then a strange need.

Windows 1.0.1 can see it on the main Interface. The desktop says I’m not like you, so it’s okay. I’m a stranger to period is the grandfather. After all, we’re back to the era of the beginning of the Time Travel.

As you see in the Start Menu, click on the appropriate Category, just as here. As you enter the Menu, click on the SubMenu that right here. However, the difference here is A, B, C in the Category. A or B or C you can see by clicking on the Windows 1.0.1 features. A. As the figure above

Pogramagulora Category B at the top of the image. Here you will get SubMenu either Menu. However, only one of the Double Click the mouse and you will not be able to Enter. Click on the mouse to enter Sub Menu to be.

At the top of the image at C program. Here you will have to act in accordance with the instructions above. And since it’s 30+ years ago, the operating system, so a lot of things, but you’re going to have a look at some of the unknown may be used.

How To Use Windows 1.0.1  

We can do a lot of the time on the windows. However, it is associated with certain features. Such as Calculator, Calendar, Paint, Notepad, etc. This was built for Microsoft Windows 1.0.1 features then, of course, they do. Maybe 30 years ago it would have been done.

If you want to continue the Program on the View menu, click and hold the mouse. SubMenu occurs, select Programs.


The program, which looks over the 30+ years ago was our grandfather who has missed a lot of things. What if they are on the computer.


Click on the .exe file to your Program into groups to be just. After I click on the file, such as Calculator.exe Calculator has come to my calculations. I’m 50 + 50 = 100, the results are calculated properly. Just as the updating of the Abacus Computer was discovered.


Close the X icon in the update of Windows can not use. Close to the top of the image so you like.

There is no alternative to the time clock information. In essence, because of the rainy seasoning condiment equal to ten. So maybe the clock did not forget to add Microsoft.


I could not resist the temptation to use the Paint Program at yourself in the form of a Text Box made. You can see them using the Paint program.


Microsft Office, even if you have used the program to write the check out early. You can use the name of the Write.Exe. If the Code Practice, as well as for you if you try to use Notepad.exe exists.


Lucky us that we are using the Control Panel and many of the modern eras of the original features have been used.

However, if you do not mention all the articles will be much larger. If you want to skip the rest of the features you can see on the cost of 5Mb.

Enjoy the links below also show his surprise with Windows 1.0.1.

Windows 1.01

Although it is a good feature, one thing to be aware of the Windows 10 operating system has been updated. Today, we’re using our next generation may see it as much as I practised, I wish to say how many features are missing. Because everything will change with time. Today we enjoy the future it may be nothing.

I do not know how you got out of the article. If you take the good with your valuable views, likes, comments and shares, but do not forget to inform others.
I’ll see you again some other time to be updated with something new every day, so please visit us. 
www.DarkMagician.Xyz

Writers Ismail Hossain Sourov.

Mail থেকে কি Mobile Number এ SMS পাঠানো সম্ভব চলুন জেনে নেই

আপনার মনে হয়তো এমন প্রশ্ন আসতেই পারে যে Mail থেকে কি Mobile Number এ SMS পাঠানো সম্ভব আর যদি সম্ভব হয়েই থাকে তবে তা কিভাবে করা যাবে তো চলুন দেরী না করে বিস্তারিত জেনে নেই এর উত্তর।

 

আমরা সবাই SMS এর কাজ সম্পর্কে জানি যা ১৬০ অক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ তাই এ নিয়ে তেমন কিছু উল্লেখ করার দরকার বলে মনে করছিনা। তবে Mail থেকে কি Mobile Number এ SMS পাঠানো সম্ভব তবে এর জন্য দরকার হবে আপনার মোবাইল অপারেটর এর Gateway Address আর আপনার যদি তা জানা থাকে তবে আপনি মেইল থেকে মোবাইল নাম্বারে SMS পাঠাতে পারবেন।

 



কেমন এই গেটওয়ে ঠিকান আর কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তার একটি উদাহরন দিচ্ছিঃ-
Gujarat Airtel (India) এর গেটওয়ে ঠিকানা হলো  919898number@airtelmail.com আর সেখানে আপনি Mail থেকে Message পাঠাতে চাইলে Gateway Address এর আগে মোবাইল নাম্বার টি যুক্ত করে দিবেন এবং Send বাটনে ক্লিক করে পাঠিয়ে দিবেন। 
Example:- 919898number@airtelmail.com


ঠিক তেমনি M1 (Singapore) এর গেটওয়ে ঠিকানা হলো  @m1.com.sg আর এখানেও শুধু অপারেটর এর মোবাইল নাম্বার যুক্ত করে দিলেই চলে যাবে আপনার ম্যাসেজ।
Example:- number@m1.com.sg

আশা করি টাইটেল এর উত্তর পেয়ে গিয়েছেন যে Mail থেকে মোবাইল নাম্বারে SMS পাঠানো যায় এবং তার জন্য দরকার হয় শুধু অপারেটর এর Gateway Address এবং তা যদি আপনার সংগ্রহে থাকে তবে আপনি SMS পাঠাতে পারেবন।


এবার হয়তো অনেকেই জানতে চাইবেন যে GP,Airtel,BL,Robi,Teletalk এর Gateway Address কি?


প্রথমেই বলে নিচ্ছি বাংলাদেশের উল্লেখিত কোম্পানী চাইবেনা যে তাদের ব্যবসার লাল বাত্তি জলে উঠুক তাই তারা এগুলো কে সিক্রেট রেখে অপারেট করে যাচ্ছে তাই সেগুলো সাধারনের নাগালের বাহিরে এবং আমার জানা নেই।


তবে আপনি যদি অন্য কোন দেশে বসবাস করেন যেমন USA এর মত আধুনিক দেশ গুলোতে তবে আপনারা এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারবেন আর এর জন্য আপনার দরকার হবে Gateway Address আর তা আপনাকে খুজে নিতে হবে তবে আমি একটু কাজ সহজ করে দিচ্ছি আপনার সিম কোম্পানী গুলো গেটওয়ে ঠিকানা জানতে হলে নিচের লিংকে চলে যেতে পারেন সেখানে কিছু সংখ্যক ঠিকানার তালিকা রয়েছে হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে।


মোবাইল কোম্পানীর গেটওয়ে ঠিকানা


যদি ভালো লেগে থাকে তবে লাইক,কমেন্ট এবং শেয়ার করে অন্যদের জানতে সহযোগিতা করতে পারেন।


তাহলে আপাদত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ www.DarkMagician.Xyz

The post Mail থেকে কি Mobile Number এ SMS পাঠানো সম্ভব চলুন জেনে নেই appeared first on DarkMagician.

Suicide Tree – Gympie Gympie যে গাছ ছুয়ে ফেললে মানুষ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় আসুন জেনে নেই বিস্তারিত

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ হাজির হয়ে গেলাম অদ্ভুত এক টপিক নিয়ে আলোচনা করার জন্য যার টাইটেল Suicide Plant – Gympie Gympie কেন এ নিয়ে লিখতে যাচ্ছি বিস্তারিত পড়ুন বুঝে যাবেন।




এমন কি কখনো শুনেছেন বা ভেবেছেন যে একটি গাছ কিংবা পাতা স্পর্শ করার কারনে মানুষ আত্মহত্যা করতে পারে শুধু তাই নয় এর সংস্পর্শে এলে প্রানীরাও আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়ে যায়।


এর কারন কি তা বলছি জেনে নিনঃ


প্রথমত এই গাছের পাতায় রয়েছে অধিকহারে Neurotoxin বা  বিষ যা ছুয়ে ফেললে ১৫ মিনিটের মাথায় একজন সুস্থ মানুষের মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম তবে তার প্রয়োজন হয়না কারন এই পাতা ছুয়ে ফেলার সাথে সাথে শরীরে আরম্ভ হয়ে যায় Acid এবং Electrocuted এর অনুভূতি যা মানুষ হোক আর প্রানীই হোক তাকে তীব্র যন্ত্রনা দিয়ে পাগল করে দিবে আর সেই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মানুষ কিংবা প্রানীরা করে ফেলে আত্মহত্যা কারন তাদের কাছে তখন মরনটাই এর থেকে বাঁচার উপায় বলে মনে হয়ে থাকে।


শুধু তাই নয় একটি করুন অভিজ্ঞতা দিয়েছিল Cyril Bromley নামে এক ব্যক্তি যে কিনা WWII Training এর সময় হাসপাতালে অসহনীয় যন্ত্রনা নিয়ে ভর্তি হয় ১৯৬৩ সালে সে তার সিনিয়র কর্মকর্তা কে জানায় যে সে Gympie Gympie এর পাতা টয়লেট পেপার হিসাবে ব্যবহার করে ফেলেছিলেন তারপর থেকে তার এই অবস্থা। সে এই অসহনীয় ব্যথা তাকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ভুগতে হয়।
তাহলে বুঝতেই পারছেন যে এই পাতা ছুয়ে ফেলা মানে কত বড় ভুল করে ফেলা।

এর থেকে বাচা সম্ভব কিন্তু এর যন্ত্রনা সহ্য না করতে পেরে মানুষ কিংবা প্রানী আত্মহত্যা করে ফেলে।
আর যদি বেঁচেও যায় তবে তা অনেক কষ্ট দায়ক হয়ে পড়ে। আর মূলত এই কারনে একে Suicide Plant হয়ে যায় এর নাম।


এই Gympie Gympie গাছে ফল ধরে এবং তা খাওয়াও যায় তবে কথা হলো কে চাইবে এই মারাত্মক ঝুকি নিতে কারন তা যতই মজাদার হোক না কেন।


এই গাছ পাওয়া যায় Australian Rainforest এ তাই বলে ঝুকিমুক্ত ভাববেন না বাংলাদেশের কোন পাগল উদ্ভিদ প্রেমী এই গাছ এনে বাংলাদেশে রোপন করে দেয় নি তো…..।।

তাহলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু কেমন লাগলো আজকের এই ভিন্ন রকম আয়োজন।
এই পোষ্ট হতে বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ Dark Magician

ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করুন মাত্র কয়েক সেকেন্ডে

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন সবাই?
আশাকরি ভালোই আছেন।

আমি Cyber Jack আছি আপনাদের সাথে।

 

আজ আমি এসেছি খুবি দাড়ুন একটি টিপস নিয়ে৷ যেটা আমাদের খুবই জরুরি।

আমরা অনেকেই Background Remover, Picsart, Photoshop এবং অন্যান্য আ্যাপস/সফটওয়্যার ব্যবহার করে আমাদের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করি৷

যারা নতুন তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে অনেক সময় লেগে যায়৷ সময় লাগিয়ে কাজ করেও সুন্দর ভাবে করতে পারি না।

আর যারা এক্সপার্ট, তাদেরও সময় লাগে।

কিন্তু, আজ আমি এমন একটি টিপস শেয়ার করব। যা দিয়ে আপনি খুব সহজেই রিমুভ করতে পারবেন৷

সরি, আপনি রিমুভ করতে পারবেন বললে ভুল হবে৷
আপনার রিমুভ করতে হবে না। আপনি সুধু ছবি টা আপলোড করে দেবেন৷

তারাই আপনার ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে দেবে।

সম্পূর্ণ ফ্রি..!

ভাবিছেন কে রিমুভ করে দেবে?
হতাশ হবেন না ভাই। বুঝিয়ে বলছি।

এটা কোন আ্যাপস বা সফটওয়্যার না৷
এটি অনলাইন ফটো ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার ওয়েবসাইট।

এই ওয়েবসাইট এ গিয়ে সুধু আপনার ছবি টা সিলেক্ট করে আপলোড করে দেবেন।
মাত্র কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে দেবে।

সাইট এর লিংক পাওয়ার জন্য নিচের ছবিতে ক্লিক করুন৷

ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
এটাই আমাদের দাবি৷ 
আমাদের উৎসাহিত করার জন্য আপনার একটি কমেন্ট ই যথেষ্ট।