PC Tips

কম্পিউটারের Folder গুলোকে বিভিন্ন Colour এ সাজিয়ে একটা স্টাইলিশ Look দিতে চান তবে ডাউনলোড করে নিন 19 ডলার মূল্যের পিসি সফটওয়্যার Teorex Folder Icon

স্টাইলিশদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম ১৯ ডলার মূল্যের পিসি সফটওয়্যার যা দিয়ে আপনি আপনার উইন্ডোজের ফোল্ডারগুলোকে দিতে পারবেন নানান রঙ্গের কালার।

 

Teorex FolderIco দিয়ে কি করা যাবেঃ

এটা মূলত একটি সফটওয়্যার যেখানে অনেক ধরনের আইকন অথবা কালার বিদ্যমান রয়েছে আপনি মাউসে কয়েকটি ক্লিক করে বদলে দিতে পারবেন পুরাতন আর একঘেয়ামী স্টাইল। সব কিছুই তো লেটেস্ট রাখতে চান তবে নিজের কম্পিউটারের লুক টা কেন আর পুরাতন রাখবেন তবে তার আগে এক নজরে দেখে নিন।

আপনি নিশ্চিন্তে ডাউনলোড এবং ইন্সটল করতে পারেন কোন সমস্যা নেই কারন এতা র‍্যাম ব্যবহার করেনা বললেই চলে তাই আপনার কম্পিউটার স্লো হওয়ার ভয় নেই। আর আমি আপনাদের সাথে ফুল ভার্সন সাথে সিরিয়াল শেয়ার করবো যাতে আপনি ফ্রিতেই প্রিমিয়ামের মজা উপভোগ করতে পারেন।

কিভাবে কালার করবেনঃ

ব্যবহার করতে হলে তো অবশ্যই ডাউনলোড করতে হবে যা একেবারে পোষ্টের শেষে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে ফেলুন।

প্রথমে আপনি যে ফোল্ডারটিকে কালার করতে চান তার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। Change Folder Icon নামে একটি অপশন পাবেন তাতে গেলেই কালারগুলো দেখাবে আপনি নিজ দায়িত্বে পছন্দ করে নিবেন।
বুঝার সুবিধার্থে উপরের চিত্রটি দেখতে পারেন।

তাহলে নিচে থেকে ডাউনলোড করে নিন

Teorex Folder Ico 11 MB

পাসওয়ার্ড হলো www.movie4tag.ga    









আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে। 
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স এবং নতুন মুভি সবার আগে পেতে MyMovie4u

এবার পিসিকে দিন অসাধারণ ডিজাইনের থীম TransFormers আর হয়ে যান স্টাইলিশ বস

কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
আমাদের কম্পিউটারে সকল আপডেট মুভি , গেমস , সফটওয়্যার ইত্যাদি থাকে কিন্তু কম্পিউটারে থীম বা স্টাইল কি সেরকম ভাবে আপডেট রাখে সকল ব্যবহারকারীরা। দেখা যায় বেশীরভাগ ব্যবহারকারীরা ডিফল্ট থীম নিয়ে পড়ে রয়েছে।


তবে আমরা কিন্তু চাইলেই সাজিয়ে নিতে পারি আমাদের উইন্ডোজ কম্পিউটারটিকে নিজের মনের মত রুপ দিতে পারি তবে এর জন্য হয়তো আপনাকে থীম বানাতে হবে অথবা থীম সংগ্রহ করতে হবে। তাই আজকের টিউনে এই থীম আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।


TransFormers Styles
 
TransFormers মুভিটি আশা করি দেখেছেন এখন সময় হয়েছে উইন্ডোজ কম্পিউটার কে Transformers বানানোর।
ডাউনলোড লিংক তো নিচে পাবেন তবে এর আগে কিছু চিত্র দেখে নেওয়া যাক।
এতেও আছে RocketDock, Dark Theme, Icon, Bootimg, Gadget.
ডাউনলোড করার আগে জেনে নিন
Windows 78.110 RS2 & RS3 FALL CREATORS UPDATE 1709 [X86_X64]
ব্যবহার কারীর জন্য।
 
Download Link 46.7 MB
ফাইলের পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga

শতর্কতাঃ উইন্ডোজ ইন্সটল কিভাবে দিতে হয় এ সম্বন্ধে না জানা থাকলে পোষ্ট টি এরিয়ে যাওয়া ভালো হবে আপনার জন্য। কারন অনেক সময় প্যাকগুলো ব্যাক আপ এবং রিস্টোর করা ছাড়া রিমুভ করে দিলে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এছাড়াও এন্টিভাইরাস এটিকে ম্যালওয়্যার হিসাবে দেখাতে পারে। তাছাড়াও যদি কোন সমস্যা হয় তবে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রাথমিক জ্ঞান যদি থাকে তবে আপনি ব্যবহার করুন আর সবশেষে আমি প্রত্যেকটি প্যাক এর পাশে কোন উইন্ডোজে চলবে তা উল্লেখ করেছি তাই উলটাপালটা কিছু করলে তার জন্য কিন্তু আমি দায়ী নই। 

তাই সবকিছু নিজ দায়িত্বে করুন ধন্যবাদ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 


Windows 11 বের হওয়ার আগেই চলুন ব্যবহার করে দেখি Windows 11 এর Theme

আমাদের নিত্যদিনের অধিকাংশ কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
আমাদের কম্পিউটারে সকল আপডেট মুভি , গেমস , সফটওয়্যার ইত্যাদি থাকে কিন্তু কম্পিউটারে থীম বা স্টাইল কি সেরকম ভাবে আপডেট রাখে সকল ব্যবহারকারীরা। দেখা যায় বেশীরভাগ ব্যবহারকারীরা ডিফল্ট থীম নিয়ে পড়ে রয়েছে।

তবে আমরা কিন্তু চাইলেই সাজিয়ে নিতে পারি আমাদের উইন্ডোজ কম্পিউটারটিকে নিজের মনের মত রুপ দিতে পারি তবে এর জন্য হয়তো আপনাকে থীম বানাতে হবে অথবা থীম সংগ্রহ করতে হবে। তাই আজকের টিউনে এই থীম আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

Windows 11
 
যদিও উইন্ডোজ ১০ নিয়ে ব্যস্ত আছি তবুও দেখা পাওয়া গেল উইন্ডোজ / জানালা ১১ এর এখন যদি নিচের চিত্র দেখে ভাল লাগে তবেই শুধু ডাউনলোড করে পরখ করে নিতে পারেন।তবে এর কিছু চিত্র দেখে নেওয়া যাক।

যদি ভালো লাগে তবে ডাউনলোড করে নিতে পারেন তবে জেনে নিন 
Windows 7/10 RS2 & RS3 FALL CREATORS UPDATE 1709 [X86_X64]
ব্যবহারকারীর জন্য প্রযোজ্য।
 
Download Link 13.1 MB
পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga

শতর্কতাঃ উইন্ডোজ ইন্সটল কিভাবে দিতে হয় এ সম্বন্ধে না জানা থাকলে পোষ্ট টি এরিয়ে যাওয়া ভালো হবে আপনার জন্য। কারন অনেক সময় প্যাকগুলো ব্যাক আপ এবং রিস্টোর করা ছাড়া রিমুভ করে দিলে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এছাড়াও এন্টিভাইরাস এটিকে ম্যালওয়্যার হিসাবে দেখাতে পারে। তাছাড়াও যদি কোন সমস্যা হয় তবে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রাথমিক জ্ঞান যদি থাকে তবে আপনি ব্যবহার করুন আর সবশেষে আমি প্রত্যেকটি প্যাক এর পাশে কোন উইন্ডোজে চলবে তা উল্লেখ করেছি তাই উলটাপালটা কিছু করলে তার জন্য কিন্তু আমি দায়ী নই। 

তাই সবকিছু নিজ দায়িত্বে করুন ধন্যবাদ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 

আপনার পিসির জন্য দেখে নিতে পারেন BattleField স্টাইলের Theme ডাউনলোড লিংক সাথে রিভিউ

আমাদের নিত্যদিনের অধিকাংশ কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
আমাদের কম্পিউটারে সকল আপডেট মুভি , গেমস , সফটওয়্যার ইত্যাদি থাকে কিন্তু কম্পিউটারে থীম বা স্টাইল কি সেরকম ভাবে আপডেট রাখে সকল ব্যবহারকারীরা। দেখা যায় বেশীরভাগ ব্যবহারকারীরা ডিফল্ট থীম নিয়ে পড়ে রয়েছে।

তবে আমরা কিন্তু চাইলেই সাজিয়ে নিতে পারি আমাদের উইন্ডোজ কম্পিউটারটিকে নিজের মনের মত রুপ দিতে পারি তবে এর জন্য হয়তো আপনাকে থীম বানাতে হবে অথবা থীম সংগ্রহ করতে হবে। তাই আজকের টিউনে এই থীম আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।


BattleField Style:

এবার আসি একটি গেমিং স্টাইলিশ থীম প্যাক নিয়ে যার BattleField. গেমস খেলতে তো পছন্দ করি চলুন এবার উইন্ডোজ কম্পিউটার কেও দেওয়া যাক গেমিং স্টাইল। যদি পছন্দ হয় তবে নিচে ডাউনলোড লিংক পাবেন তবে তার আগে কিছু চিত্র দেখে নেওয়া যাক।
 
এতে পাবেন Rocket Dock Menu, Dark Feature, Stylish Icon, Theme, Cursor.
উপভোগ করতে পারবেন শুধু মাত্র 
 Windows 10RS1 [X86_X64]
এর  ব্যবহারকারীরা।
যদি ভালো লেগে থাকে তবে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
Download Link 16.8MB

পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga 
 পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga
 
 
শতর্কতাঃ উইন্ডোজ ইন্সটল কিভাবে দিতে হয় এ সম্বন্ধে না জানা থাকলে পোষ্ট টি এরিয়ে যাওয়া ভালো হবে আপনার জন্য। কারন অনেক সময় প্যাকগুলো ব্যাক আপ এবং রিস্টোর করা ছাড়া রিমুভ করে দিলে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এছাড়াও এন্টিভাইরাস এটিকে ম্যালওয়্যার হিসাবে দেখাতে পারে। তাছাড়াও যদি কোন সমস্যা হয় তবে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রাথমিক জ্ঞান যদি থাকে তবে আপনি ব্যবহার করুন আর সবশেষে আমি প্রত্যেকটি প্যাক এর পাশে কোন উইন্ডোজে চলবে তা উল্লেখ করেছি তাই উলটাপালটা কিছু করলে তার জন্য কিন্তু আমি দায়ী নই। 

তাই সবকিছু নিজ দায়িত্বে করুন ধন্যবাদ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 

এবার আপনার কম্পিউটারে ব্যবহার করুন Android Oreo Theme আর পিসি থেকে মজা নিন Android এর

আমাদের নিত্যদিনের অধিকাংশ কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
আমাদের কম্পিউটারে সকল আপডেট মুভি , গেমস , সফটওয়্যার ইত্যাদি থাকে কিন্তু কম্পিউটারে থীম বা স্টাইল কি সেরকম ভাবে আপডেট রাখে সকল ব্যবহারকারীরা। দেখা যায় বেশীরভাগ ব্যবহারকারীরা ডিফল্ট থীম নিয়ে পড়ে রয়েছে।


তবে আমরা কিন্তু চাইলেই সাজিয়ে নিতে পারি আমাদের উইন্ডোজ কম্পিউটারটিকে নিজের মনের মত রুপ দিতে পারি তবে এর জন্য হয়তো আপনাকে থীম বানাতে হবে অথবা থীম সংগ্রহ করতে হবে। তাই আজকের টিউনে এই থীম আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

Android Oreo Style
 
Android প্লাটফর্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো Oreo তবে কেন আমরা এই ফিচারটি কম্পিউটার থেকে উপভোগ করছিনা। তবে তার আগে এর কিছু চিত্র দেখে নিন যদি পছন্দ হয় তবে নিচে দেওয়া ডাউনলোড লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
 
 
এতে আপনি পাচ্ছেন Rocket Dock Menu , Icon , Theme , Gadget এবং সাথে Oreo স্টাইল তো আছেই।
আপনি যে সকল উইন্ডোজে এই প্যাকটি চালাতে পারবেন।
Windows 78.110 RS2 & RS3 FALL CREATORS UPDATE 1709 [X86_X64]
 তাহলে ডাউনলোড লিংক নিচে রইলো চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
Download Link 30.2MB
পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga
 
 
শতর্কতাঃ উইন্ডোজ ইন্সটল কিভাবে দিতে হয় এ সম্বন্ধে না জানা থাকলে পোষ্ট টি এরিয়ে যাওয়া ভালো হবে আপনার জন্য। কারন অনেক সময় প্যাকগুলো ব্যাক আপ এবং রিস্টোর করা ছাড়া রিমুভ করে দিলে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এছাড়াও এন্টিভাইরাস এটিকে ম্যালওয়্যার হিসাবে দেখাতে পারে। তাছাড়াও যদি কোন সমস্যা হয় তবে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রাথমিক জ্ঞান যদি থাকে তবে আপনি ব্যবহার করুন আর সবশেষে আমি প্রত্যেকটি প্যাক এর পাশে কোন উইন্ডোজে চলবে তা উল্লেখ করেছি তাই উলটাপালটা কিছু করলে তার জন্য কিন্তু আমি দায়ী নই। 

তাই সবকিছু নিজ দায়িত্বে করুন ধন্যবাদ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 

আপনার সাধারণ উইন্ডোজ কম্পিউটার কে দিন হুবহু MAC OS এর স্টাইল আর মজা নিন Mac OS এর আপনার Windows থেকেই

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম অন্য রকম একটি টপিক নিয়ে যার টাইটেল “আপনার সাধারণ উইন্ডোজ কম্পিউটার কে দিন হুবহু MAC OS এর স্টাইল আর মজা নিন Mac OS এর আপনার Windows থেকেই”
 
টিউন তো আরম্ভ করবো তার আগে একটা প্রশ্ন করা যাক।
আপনি কি অ্যাবাকাস এর নাম শুনেছেন হয়তো অনেকেই জানেন যে এটা একটা গণনাকারী যন্ত্র। আর আমরা যে আজ কম্পিউটারে গেমস এবং গ্রাফিক্যাল সহ নানা ধরনের কাজ গুলো করে থাকি সেই কম্পিউটারের আবির্ভাব হয় কিন্তু গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে কিন্তু তা আজ শুধু গণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
 
 
আমাদের নিত্যদিনের অধিকাংশ কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
আমাদের কম্পিউটারে সকল আপডেট মুভি , গেমস , সফটওয়্যার ইত্যাদি থাকে কিন্তু কম্পিউটারে থীম বা স্টাইল কি সেরকম ভাবে আপডেট রাখে সকল ব্যবহারকারীরা। দেখা যায় বেশীরভাগ ব্যবহারকারীরা ডিফল্ট থীম নিয়ে পড়ে রয়েছে।
 
Default Theme
 
তবে আমরা কিন্তু চাইলেই সাজিয়ে নিতে পারি আমাদের উইন্ডোজ কম্পিউটারটিকে নিজের মনের মত রুপ দিতে পারি তবে এর জন্য হয়তো আপনাকে থীম বানাতে হবে অথবা থীম সংগ্রহ করতে হবে। তাই আজকের টিউনে থীমটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

Mac OS Style:

আমাদের অনেকের পছন্দের তালিকায় রয়েছে এই ম্যাক। তবে আপনি চাইলে আপনার উইন্ডোজ ৭ , ৮.১ , ১০ কে সাজিয়ে নিতে পারবেন ম্যাক স্টাইলে তার জন্য আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে নিচে থেকে Application ফাইলটি আর ইন্সটল করে নিতে হবে।
 
দেখে নেওয়া যাক কিছু  চিত্রঃ
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
যদি আপনি আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারকে ম্যাক স্টাইল দিতে চান তবে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
চালাতে পারবেন উইন্ডোজ 7,8.1,10 ব্যবহারকারীরা

Download Link 47.5 MB

পাসওয়ার্ড হলো 
www.cyberdl.ga
 
 
শতর্কতাঃ উইন্ডোজ ইন্সটল কিভাবে দিতে হয় এ সম্বন্ধে না জানা থাকলে পোষ্ট টি এরিয়ে যাওয়া ভালো হবে আপনার জন্য। কারন অনেক সময় প্যাকগুলো ব্যাক আপ এবং রিস্টোর করা ছাড়া রিমুভ করে দিলে উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এছাড়াও এন্টিভাইরাস এটিকে ম্যালওয়্যার হিসাবে দেখাতে পারে। তাছাড়াও যদি কোন সমস্যা হয় তবে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত প্রাথমিক জ্ঞান যদি থাকে তবে আপনি ব্যবহার করুন আর সবশেষে আমি প্রত্যেকটি প্যাক এর পাশে কোন উইন্ডোজে চলবে তা উল্লেখ করেছি তাই উলটাপালটা কিছু করলে তার জন্য কিন্তু আমি দায়ী নই। 
তাই সবকিছু নিজ দায়িত্বে করুন ধন্যবাদ।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 

Logo ডিজাইন করার জন্য ডাউনলোড করে নিন ৪০৬৭ টাকা সমতুল্য একটি পিসি সফটওয়্যার AAA Logo Maker Premium আর ডিজাইন করুন আপনার মনের মত


হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছে আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি

ডাউনলোড করে নিন 49.95 Dollar মূল্যের AAA Logo Maker পিসি সফটওয়্যার আর Logo ডিজাইন করুন আপনার মনের মত ।


আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ৪০৬৭ টাকা মূল্যের উইন্ডোজ সফটওয়্যার ।

কি করা যাবে সফটওয়্যার টি দিয়ে ?

আপনি সফটওয়্যার টি দিয়ে Logo , Banner তৈরী করতে পারবেন ।
যেমন ধরুন চাইলেই Youtube Intro , ফেসবুক কভার ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করতে পারবেন ।

যেসব ফিচার উপভোগ করতে পারবেনঃ

AAA লোগো দিয়ে আপনি প্রায় যে কোন ধরণের ওয়েবসাইট, গ্রাফিক্স বা উচ্চ রেজুলেশন প্রিন্টিংয়ের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরি করতে পারেন।  আপনার ওয়েবসাইটের জন্য লোগো, ব্যানার, বোতাম, শিরোনাম এবং আইকন। ব্যবসায়ী কার্ড, লেটার হেডস, পোষ্টার এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক গ্রাফিক্স ডিজাইন AAA সফটওয়্যার থেকে সরাসরি তৈরী করতে পারবেন এবং সাথে Import এবং Export সুবিধা তো আছেই।

AAA Logo Maker  বেশিরভাগ শিল্প, প্রযুক্তি, আর্থিক, স্বাস্থ্যসেবা, সাধারণ ব্যবসায় এবং খুচরা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, ভ্রমণ ও পর্যটন, সংগঠন, ক্রীড়া এবং ফিটনেস, খাদ্য এবং পানীয় সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার গ্রাফিক্স ডিজাইনের

কাজে ব্যবহার করা হয় ।

অভিজ্ঞতা ছাড়াও কয়েকটি ক্লিকের মধ্যে একটি Professional Logo বানিয়ে ফেলতে পারবেন। আপনি হাজার ডিজাইনের ভিতর থেকে যে কোন একটি পছন্দ করুন এবং সাজিয়ে নিন আপনার মনের মত করে শুধুমাত্র  সম্পাদনা করে । চাইলে নিজের বানানো Scratch থেকে বানিয়ে ফেলতে পারবেন আপনার ডায়নামিক ডিজাইন।

কি আছে নতুন ভার্সনে AAA Logo v.5.0:

নতুন ভার্সনে ১০,০০০ Vector আইকন যোগ করা হয়েছে যা আপনি ক্যাটাগরী অপশনে পাবেন।
Automatic Canvas সাইজ তৈরী করবে অথবা চাইলে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট / বড় করতে পারবেন।
রঙ পছন্দ করতে পারবেন আপনার Canvas এর জন্য Colour মেনু থেকে।
Logo, টেমপ্লেট এবং Banner গুলো পুনরায় ব্যবহার করতে পারবেন সঞ্চয় না করে।
তাহলে আর দেরী কেন যদি মনে করেন সফটওয়্যারটি আপনার দরকার নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
পাসওয়ার্ড ঃ www.bdtechteam.ml
ডাউনলোড হয়ে গেলে Extract করুন ।
Extract করতে পাসওয়ার্ড লাগবে যা উপরে উল্লেখ করা হয়ছে।

উপরের ছবির মত Accept এ ক্লিক করুন।
এবার Extract এ ক্লিক করুন।

এবার উপরে উল্লেখিত পাসওয়ার্ড টি দিয়ে OK বাটনে ক্লিক করুন
First Name: Alfonso
Last Name: García de Leániz
REGISTRATION kEY: 46bD-3agB-M2eE-hdmA
এবার আপনি ফুল ভার্সনের AAA Logo Maker ব্যবহার করার জন্য তৈরী।
এরপর ও যদি আপনার ফুল ভার্সন করতে সমস্যা হয় তবে নিচের ভিডিও টি দেখে নিবেন ।

আজকের জন্য বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স ।

মনের ভুলে পিসি অথবা মোবাইল থেকে দরকারী ফাইল Delete করে ফেলেছেন এখন মাথায় হাত তাহলে দেখে নিন টিউটোরিয়াল সাথে 499$ ডলার মূল্যের সফটওয়্যার

হ্যালো বন্ধুরা আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম 

ভুলক্রমে আপনার PC Hard Disk অথবা Memory Card থেকে File Delete করে ফেলেছেন 

কিন্তু এখন আফসোস করছেন তাহলে আসুন শেষ উপায় কি হতে পারে দেখে নেওয়া যাক

 
 
আমরা আমাদের দৈনন্দিক জীবনের অনেক দরকারী ও মূল্যবান ফাইল , ডকুমেন্ট , ছবি , ভিডিও , অডিও ইত্যাদি ফাইলগুলো সংরক্ষন করার জন্য বেছে নেই Pen Drive , Memory Card , Hard Disk ইত্যাদি জিনিসগুলোকে।
এর মূল কারন হলো দরকারী জিনিসগুলো যাতে হারিয়ে না যায়। বিপত্তি ঘটে তখন যখন তা ভুলে Delete করে দেই।
এক চাপে হয়তো না ভেবে মুছে ফেলি সব কিন্তু যখন মনে পড়ে যে সেখানে সব থেকে মূল্যবান জিনিসটি ছিলো তখন হায় হায় করি আর নিজেকে গালাগাল করে থাকি ( গালাগাল টা হয়তো সবার জন্য প্রযোজ্য নয় ) হয়তো এটা এমন এক পরিস্থিতিতে গিয়ে দাঁড়ায় যার কারনে চলে যেতে পারে চাকুরী , প্রেমিকার শেষ স্মৃতি অথবা না ফেরার দেশে চলে যাওয়া কারো শেষ স্মৃতি, আবার হতে পারে তা কোন দরকারী ডকুমেন্ট ( যেমন Sallery Sheet) চাইলে তো এমন হাজারো কারন দেখানো যাবে তাই টালে না গিয়ে তালে ফিরে আসি।
আমরা সাধারনত পিসিতে ফাইল মুছে ফেললে তা Recycle Bin এ গিয়ে জমা হয় আবার Recycle Bin  থেকে মুছে ফেললে একবারে বেপাত্তা হয়ে যায় আর Android এর কথা বলতে গেলে সেখানে এরকম Recycle Bin প্রাথমিক ভাবে থাকেনা যদি না নিজে Third Party এপ ইন্সটল দিয়ে থাকেন। 
আর অন্যদিকে দেখা যায় অনেক সময় Pendrive/Hard Disk/Memory card Corrupt হয়ে যায় যার কারনে অনেক মূল্যবান কিছু হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আবার হয়তো অনেকে আছেন যে পুরো Hard Disk এর একটি পার্টিশন ডিলেট করে দিয়েছন ভুলক্রমে।আবার অনেকে আছেন যারা মেমোরী কার্ড Format করতে গিয়ে একটি ড্রাইভ Format করে দিয়েছেন।
যাই হোক আজকের টিউনে আমি আপনাদের উপরে উল্লেখিত সমস্যা থেকে কিভাবে সমাধান পাওয়া যায় তার ট্রিক টি এখন উপস্থাপন করছি।
এর জন্য আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে iCare Data Recovery Pro 8.1.4.0 যার Technician ভার্সনের মূল্য 499$ ডলার। এখন ভাবছেন কোথায় পাবেন চিন্তা কিসের এটাও তো ট্রিকের একটি অংশ এটা ছাড়া কি আর টিউন সম্পূর্ন হয় আপনারাই বলুন।
iCare Data Recovery Pro 8.1.4.0 এর মাধ্যমে আপনি আপনার হারিয়ে যাওয়া ফাইলগুলো থেকে ৯০% ফাইল Recover করতে পারবেন তবে এর জন্য অবশ্যই এর Paid ভার্সন টি লাগবে কারন ফ্রি ভার্সনে 2GB এর উপর আপনাকে সাপোর্ট দিবেনা। 
প্রথমে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড লিংক পোষ্টের নিচে সংযুক্ত আছে।
ডাউনলোড হয়ে গেলে উপরের মত একটি ফাইল দেখতে পারবেন ডাবল ক্লিক করে Open করুন।
Accept বাটনে ক্লিক করুন
Extract বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার কাছে পাসওয়ার্ড চাইবে পাসওয়ার্ড দিন www.cyberdl.ga
এই রইলো আপনার মূল ফাইল এখন আপনি ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে ইন্সটল করে ফেলুন।
ইন্সটল হয়ে গেলে Keygen থেকে Key Generate করে ফুল ভার্সন করে ফেলুন।
এবার আসি মূল কাজে  iCare Data Recovery Pro 8.1.4.0 সফটওয়্যার টি Open করুন।
উপরের মত দেখতে পাবেন এখন যদি আপনি হারানো ফাইল ফিরে পেতে চান তবে Deleted File Recovery অথবা Deep Scan File Recovery তে প্রবেশ করুন। তবে আমার মতে সময় বেশী নিলেও Deep Scan File Recovery টা ভাল হবে। আর যদি আপনি আপনার Hard Drive পার্টিশনের ফাইল খুজে পেতে চান তবে অবশ্যই Lost Partition Recovery তে প্রবেশ করবেন।সবগুলোর কাজ একই তাই আমি Deep Scan Recovery দিয়ে দেখাব।
উপরের মত আপনার পিসির সকল ড্রাইভ দেখাবে যদি মেমোরী কার্ড অথবা পেন ড্রাইভ সংযুক্ত থাকে তাও Show করবে।এখন আপনি কোন ড্রাইভ থেকে File Recover করতে চান নির্ধারন করুন এবং প্রবেশ করুন।
এবার Deep Scan হতে সময় লাগবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন যতক্ষন না শেষ হয়।
Scan হয়ে গেলে উপরের মত কিছু দেখাবে তা নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করুন।
আপনি যেখানে Recover ফাইলগুলো সঞ্চয় করতে চান তা দেখিয়ে দিন।
দেখুন সকল ফাইল দেখাবে আপনার কাজ হবে আপনার মুছে ফেলা ফাইল্গুলোকে নির্বাচন করা এবং Recover বাটনে ক্লিক করা।
দেখুন Recover আরম্ভ হয়ে গেছে অপেক্ষা করুন আপনার হারিয়া যাওয়া ফাইল ফিরে পাওয়ার জন্য।
সব কিছু ঠিকমত হয়ে গেলে উপরের মত আসবে আপনি যেখানে Save রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেখানে গেলে Recover করা সকল ফাইল আপনি পেয়ে যাবেন।
যদি মনে করেন সফটওয়্যার টি আপনার কাজে লাগতে পারে তবে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
 উপরের লিংকে প্রবেশ করলে একটি এড দেখাবে আপনি উপরের ডান পাশের কর্নারে Skip Add বাটনে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে। 
যদি ফুল ভার্সন করতে এরপরও কোন সমস্যা থাকে তবে নিচের ভিডিও টি দেখে নিতে পারেন।
মুছে ফেলা ফাইল Recover কিভাবে করতে হয় না জেনে থাকলে নিচের ভিডিও টি দেখে নিতে পারেন।
তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

আপনি কি ওয়েব ডিজাইনার হতে চান কিন্তু কোডিং সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নেই তাহলে এখনি তৈরী করে ফেলুন ব্লগার , ওয়ার্ডপ্রেস , জুমলা ইত্যাদি প্লাটফর্ম গুলোর জন্য মনের মত ডিজাইন ডাউনলোড করে নিন ১৬,৫৫৩ টাকা মূল্যের পিসি সফটওয়্যার যা দিয়ে কোডিং ছাড়া বানাতে পারবেন দারুন সব ডিজাইন ।

আপনি কি ওয়েব ডিজাইনার হতে চান কিন্তু কোডিং সম্বন্ধে কোন জ্ঞান নেই তাহলে এখনি তৈরী করে ফেলুন ব্লগার , ওয়ার্ডপ্রেস , জুমলা ইত্যাদি প্লাটফর্ম গুলোর জন্য মনের মত ডিজাইন ডাউনলোড করে নিন ১৬,৫৫৩ টাকা মূল্যের পিসি সফটওয়্যার যা দিয়ে কোডিং ছাড়া বানাতে পারবেন দারুন সব ডিজাইন ।

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম ব্লগার , ওয়ার্ডপ্রেস , জুমলা ইত্যাদি প্লাটফর্ম গুলোর জন্য মনের মত ডিজাইন ডাউনলোড করে নিন ১৬,৫৫৩ টাকা মূল্যের পিসি সফটওয়্যার যা দিয়ে কোডিং ছাড়া বানাতে পারবেন দারুন সব ডিজাইন 

 
 
বর্তমান সময়ে ওয়েব ডিজাইনারদের চাহিদা অনেক বেশী বিশ্বব্যপী। যেমন ধরুন আপনার একটি প্রতিষ্ঠান আছে আর বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের উপর মানুষ অনেকটা নির্ভরশীল তাই আপনার প্রতিষ্ঠানকে সবার কাছে তুলে ধরার মাধ্যম হতে পারে আপনার ওয়েব সাইট। কেউ কেউ হয়তো এটাকে নেশা অথবা শখ হিসাবে বেছে নিয়েছে আর কেউবা পেশা হিসাবে। কিন্তু তার জন্য দরকার কোডিং সম্বন্ধে জ্ঞান , অভিজ্ঞতা এবং ধৈর্য। চাইলেই আপনি একদিনে কোডিং গুলো শিখে ফেলতে পারবেন না এর জন্য চাই প্রচুর সময় এবং চর্চা।
 
 
 
কিন্তু আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি ১৬,৫৫৩ টাকা মূল্যের পিসি সফটওয়্যার যা দিয়ে আপনি কোন কোডিং জ্ঞান ছাড়াই কিছু সময়ের ভিতর বানিয়ে ফেলতে পারবেন অসাধারন সব ডিজাইন যা আপনার কল্পনায় একে রেখেছেন তাও আবার জনপ্রিয় সব প্লাটফর্মগুলোর জন্য। 
 
 
এক নজরে এর ফিচার গুলো দেখে নেওয়া যাকঃ
 
 
 
Artisteer প্রথম এবং একমাত্র ওয়েব ডিজাইন অটোমেশন Software যা অবিলম্বে চমৎকার ওয়েবসাইট টেমপ্লেট এবং ব্লগ থিম তৈরি করে দিতে সক্ষম ।
 
 
প্রথমত ওয়েব ডিজাইন সম্বন্ধে ধারণা তৈরি করুন।
মিনিটের মধ্যে চমৎকার ব্লগ অথবা ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইন করুন
ব্লগার, জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস এবং অন্যান্য সিএমএস প্লাটফর্মে রপ্তানি করুন
ফটোশপ, সিএসএস, এইচটিএমএল বা অন্যান্য কোডিং শিখতে হবে না কারন ব্যবহার করা সহজ এবং মজাদার!
লাইভ ভিউ , ডাউনলোড এবং অনলাইন ওয়েবসাইট তৈরী এবং টেমপ্লেট সম্পাদনার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
ডিজাইনের প্রজেক্টগুলো সেভ করুন পরবর্তীতে কাজ করার জন্য।
ডিজাইনগুলোকে Export করতে পারবেন কোডিং বা থীম বা টেমপ্লেট হিসাবে।
এছাড়াও আছে অনেক Sample ডিজাইন যা আপনি Edit করে সাজাতে পারবেন।
 
 
Sample গুলো দেখে নিতে পারেন নিচের লিংক থেকে
 
 
কেন ব্যবহার করবেনঃ
 
 
 
প্রথমত এটি দামী সফটওয়্যার যা আপনাকে কোন প্রকার কোডিং জ্ঞান ছাড়াই অসাধারন সব ডিজাইন তৈরী করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও এটি একটি Award প্রাপ্ত সফটওয়্যার । 
 
 
পোস্টটি পড়ার পর যদি মনে করেন সফটওয়্যারটি আপনার দরকার তাহলে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন
 
password:www.bdtechteam.ga
 
উপরের লিংক হতে ডাউনলোড করতে সমস্যা হলে সৌজন্য লিংক দেখতে পারেন তবে তা অতিরিক্ত প্রয়োজনে ।
যদি ফুল ভার্সন করতে সমস্যা হয় তবে নিচের ভিডিও টি দেখে নিতে পারেন।
 
 
 
আজকের জন্য বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে ।
 
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স 

উইন্ডোজ ৭ এর This copy of windows is not genuine ম্যাসেজটি চিরদিনের জন্য বন্ধ করে দিতে চান Genuine করা ছাড়াই শুধু মাত্র CMD ব্যবহার করে তাহলে বিস্তারিত দেখুন

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আসজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হলাম যেভাবে উইন্ডোজ ৭ এর
This copy of windows is not genuine

ম্যাসেজটি চিরদিনের জন্য বন্ধ করে দিবেন Genuine করা ছাড়াই শুধু মাত্র  CMD ব্যবহার করে

উইন্ডোজ ৭ নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই কারন এর সাথে আমরা কম বেশী সবাই পরিচিত। অনেক সময় দেখা যায় উইন্ডোজ এক্টিভ করার কিছু দিন পরে একটি ম্যাসেজ দেখায় This copy of windows is not genuine. এর সাথে বিরক্ত করে ওয়ালপেপার চলে গিয়ে কালো পর্দা দেখায়। এর জন্য হয়তো অনেকেই উইন্ডোজটি নতুন করে ইন্সট্রল করে ফেলেন।
কিন্তু আপনি চাইলে একটি সহজ ট্রিক এর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করে নিতে পারেন। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক যেভাবে আমরা এই সমস্যাকে ঝেটিয়ে বিদায় করবো ।
প্রথমে আপনার Start Menu তে গিয়ে CMD লিখুন এবং Run As Administrator সিলেক্ট এর মাধ্যমে ওপেন করুন অথবা win+R চেপে Run বক্স এ CMD লিখে Enter প্রেস করুন।
এবার উপরের মত SLMGR -REARM লিখুন এবং Enter প্রেস করুন।
উপরের মত দেখালে আপনার পিসি Restart দিন এবং উপভোগ করুন।
আশা করি আর কোন সমস্যা হবেনা আর সমস্যা হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন সমাধানের চেষ্টা করবো ।


আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে ।

সৌজন্যে ঃ সাইবার প্রিন্স

আপনার কম্পিউটার এ কি ফাইল কপি পেস্ট হতে অনেক সময় নেয় তাহলে এটা ডাউনলোড করে নিন এবং ফাইল কপি পেস্ট করুন আগের থেকে বেশী স্পিডে

পিসিতে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সঞ্চয় করি তা যেখান থেকেই সংগ্রহ করতে হোক না কেন কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে পিসি খুব স্লো ভাবে ফাইল ট্রান্সফার করছে তখন নিশ্চই খুব বিরক্ত লাগে কি আর করা সহ্য করেন অনেকে তবে আপনি কিন্তু চাইলেই আপনার পিসির ট্রান্সফার ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন ছোট্ট একটা সফটওয়্যার ব্যবহার করে।



Tera Copy ব্যবহারের সুবিধাঃ


Tera Copy Pro – Code Sector Corp. এর তৈরী ছোট ও দরকারী পণ্য। এটি দ্রুত হারে আপনার ফাইলগুলির অনুলিপি এবং আপনার ফাইলগুলিকে উইন্ডোজ  এর যে কোন ড্রাইভে সরানোর জন্য সুবিধাজনক প্রতিস্থাপন তৈরী করে। আপনি কপি/অনুলিপি করার সময় Task বন্ধ করে দিতে পারেন আছে Pause করে রাখার মত দরকারী ব্যবস্থা।এছাড়া অপেক্ষা না করে কপি চলাকালীন সময়ে অন্য ফাইল যুক্ত করতে পারবেন। এই অ্যাপটি বিশ্বের ২0 টির বেশি ভাষা সমর্থন করে। সুতরাং, এখন বিনামূল্যে  সিরিয়াল কী সঙ্গে TeraCopy প্রো v3.26 ডাউনলোড করে রাখুন।

Tera Copy এখন উইন্ডোজ ১০ সমর্থন করে।



তবে এটার সম্পূর্ন ফিচার উপভোগ করতে চাইলে আপনাকে প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহার করতে হবে।



দেখুন উপরে Tera Copy Pro এর দাম ২৪ ডলার কিন্তু ভয় নেই আমি আপনাদের সাথে ফ্রিতে  প্রো ভার্সন শেয়ার করবো।

এক্টিভ করার সময় নেট কানেকশন অফ করে নিবেন।


নিচে ডাউনলোড লিংক দেওয়া রইলো।

TeraCopy Pro 3.26 License By Dark Magician
আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট এর মধ্যে পার্থক্য কি?

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি অন্য রকম একটি পোস্ট নিয়ে যার টাইটেল 
“কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট এর মধ্যে পার্থক্য কি” 




আমি চেষ্টা করবো প্রশ্নটির সঠিক উত্তর ব্যাখ্যা করার লজিক দিয়ে তারপর ও যদি কারো কোন মতামত থাকে কমেন্ট বক্স তোমাদের জন্য উন্মুক্ত রইলো।

পোস্ট টি শুরু করার আগে আমাদের জানতে হবে কম্পিউটার কি এবং ইন্টারনেট কি তাহলে আমরা এই দুটোর মাঝে পার্থক্য দাড় করাতে সফল হবো।

তো প্রথমে জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার সম্পর্কেঃ

আপনি কি অ্যাবাকাস এর নাম শুনেছেন হয়তো অনেকেই জানেন যে এটা একটা গণনাকারী যন্ত্র। ইতিহাস থেকে যা জানা গেছে তা হল, প্রায় ৪ হাজার বছর আগে চীনারা গণনা করার জন্য একটি যন্ত্র তৈরি করে। যার নাম ছিল অ্যাবাকাস।এটিই হল পৃথিবীর প্রথম গণনাকারী যন্ত্র। আর এটিই হল বর্তমান কম্পিউটারের পূর্বপুরুষ।আর আমরা যে আজ কম্পিউটারে মুভি,গেমস এবং গ্রাফিক্যাল কাজ সহ ইন্টারনেট সার্ফিং এর মত নানা ধরনের কাজ গুলো করে থাকি সেই কম্পিউটারের আবির্ভাব হয় কিন্তু গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে কিন্তু তা আজ শুধু গণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
আমাদের নিত্যদিনের অধিকাংশ কাজগুলো কম্পিউটারের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।
কম্পিউটার শব্দটি গ্রীক compute শব্দ থেকে এসেছে। compute শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা। মূলত কম্পিউটার (computer) শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র।
(আবার ল্যাটিন শব্দ Computare ও থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি বলে ও মনে করা হয় )
 কম্পিউটার এখন শুধু গননাকারী যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় আর মূল কারণ হলো সময়ের সাথে সাথে পাল্টে গিয়েছে এর ব্যবহার চিত্র কম্পিউটার কি কাজে ব্যবহার হয় সে প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বরং জিজ্ঞাসা করা যায় কি কাজে ব্যবহার হয় না তাহলে উত্তর দেওয়াটা সহজ। কম্পিউটার ছাড়া উন্নত ব্যবস্থাপনা,উৎপাদন,গবেষণা,টেলিযোগাযোগ, প্রকাশনা কল্পনা করা যায় না। কম্পিউটারকে ব্যবহার করা যায় সকল কাজে সকল স্থানে। মুলতঃ মানুষ তার কাজের উন্নয়নের জন্য কম্পিউটারকে কাজে লাগায়। এর ব্যবহারে প্রতিটি কাজ হয়ে পড়ে নির্ভর ও গতিশীল। তাই দিন দিন কম্পিউটারের ব্যবহার বেড়েই চলছে। নিচে কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার উল্লেখিত হলঃ-


অফিস বেবস্থাপনা (In office Management)

শিল্প ক্ষেত্রে (In Industry Sector)
মুদ্রণ শিল্পে (In Printing Industry)
যোগাযোগ ব্যবস্থায় (In Communication)
চিকিৎসা ক্ষেত্রে (In Medical Sector)
গবেষণায় (In Research)
ব্যাংকিং জগতে (In Banking)
আদালত (In Court)
সামরিক ক্ষেত্রে (In Defence Sector)
অর্থবাজারে (In Billing System)
কৃষি ক্ষেত্রে (In Agriculture)
সংস্কৃতি ও বিনোদনে (In Cultures and Recreation)
তথ্য পরিসংখ্যানে (In Information Statistics)
ডিজাইনে (In Design)
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে (In Weather Forecast)
এক কথায় কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় সর্বত্র। আমাদের জীবন যাত্রা কম্পিউটার ভিত্তিক। বাসার পড়ার ঘর, ভিডিও লাইব্রেরী,অফিস,ডিপার্টমেন্ট সেন্টার ও হোটেল থেকে শুরু’ করে সর্ব ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার দিনকে দিন অবিশ্বাস্য গতিতে বেড়ে চলেছে।
কম্পিউটারের শ্রেণী বিভাগ :

আকৃতিগত দিক থেকে কম্পিউটারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. সুপার কম্পিউটার (super computer),
খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (mainframe computer),
গ. মিনি কম্পিউটার (mini computer),
ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer)।


ক. সুপার কম্পিউটার (super computer) : আকৃতিগত দিক থেকে সর্ববৃহত এই কম্পিউটারটিতে তথ্য সংরক্ষণ-তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুত গতিসম্পন্ন। এই কম্পিউটার সাধারণত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও বৃহত প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন-cray-1, cray x-mp, cyber-205.



খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (mainframe computer) : সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তবুও অন্যান্য কম্পিউটারের চেয়ে বড় এ ধরণের কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলো গ্রহণ মুখ ও নির্গমন মুখ, সরঞ্জাম ও বিভিন্ন রকম সহায়ক স্মৃতির সাথে সংযোগ রক্ষা করে কাজ করে থাকে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানসমূহ এ ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে। যেমন-univac1100/01, ibm 6120, ibm 4341, ncr n8370, data general cs30.




গ. মিনি কম্পিউটার (mini computer) : সবচেয়ে জনপ্রিয় এটি কম্পিউটারটি আকৃতিগত ছোট ও দামে সস্তা। অফিসিয়াল কাজ, খেলাধুলা ও এন্টারটেইনমেন্ট কাজে বহুল ব্যবহৃত। এ কম্পিউটারকে পিসি (personal computer) বলে। যেমন-ibm p.c, trs 80, apple 64.


ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer): মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সুপার মাইক্রো (super micro)
২. ডেস্কটপ (desktop)
৩. ল্যাপটপ (laptop)






১. সুপার মাইক্রো (super micro) : সুপার মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রো কম্পিউটার। এর অন্য নাম ওয়ার্ক ষ্টেশন। এই কম্পিউটারের ক্ষমতা যে কোন মিনি কম্পিউটারের কাছাকাছি হওয়ায় এগুলো মিনিফ্রেমের স্থান দখল করে নিচ্ছে।


২. ডেস্কটপ (desktop) : এটি সহজে ব্যবহার ও ডেস্কে স্থাপন করা যায়। যেমন-আইবিএম পিসি, এ্যাপল মেকিনটোশ।







গ.ল্যাপটপ (laptop) : ডেক্সটপ থেকে ছোট কম্পিউটারগুলো সহজে বহন ও ব্যবহার করা যায়। এটি lap (কোল) এর উপর top (উপর) রেথে কাজ করা যায়।


 ল্যাপটপ দুইশ্রেণীতে বিভক্ত। যেমন-
নোট বুক (note book) ও পিডিএ (pda)।


নোট বুক (note book) : ছোট ডায়রী ও নোটবুক আকৃতির ল্যাপটপ। এগুলোকেও পাওয়ার বুক বলা হয়।


পিডিএ (pda) : সাবনোট বুক পিডিএ (personal digital assistance) এক ধরণের ল্যাপটপ।
আকৃতিগত দিক ছাড়াও গঠনগত দিক থেকে কম্পিউটারকে আরও তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যেমন-




১. ডিজিটাল কম্পিউটার (digital computer),
২. অ্যানালগ কম্পিউটার (analog computer),
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার (hybrid computer)।





১. ডিজিটাল কম্পিউটার (digital computer) : এ ধরণের কম্পিউটার বর্ণ/অংক সংকেতের মাধ্যমে তথ্যগ্রহণ করে থাকে এবং ফলাফল প্রকাশ করে। এ কম্পিউটার নির্ভুলভাবে গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে সূক্ষ্মভাবে। 1 ও 0 বাইনারী সংখ্যার উপর নির্ভর করে উপাত্ত সংগ্রহ করে।


২. অ্যানালগ কম্পিউটার (analog computer) : এ কম্পিউটারে বর্ণ ও অংক সংকেতের পরিবর্তে এনালগ বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে। রোদ, তাপ, উত্তাপ, চাপ জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে অ্যানালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং ফলাফল সাধারণ প্লটার দিয়ে অংকন করে। রাসায়নিক, পেট্রোলিয়াম ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।


৩. হাইব্রিড কম্পিউটার (hybrid computer) : ডিজিটাল ও অ্যানালগ এ দুই ধরণের কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে। বৈজ্ঞানিক সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।


আমার মনে হয় না কম্পিউটার সম্পর্কে আর কিছু উল্লেখ করার দরকার আছে আপাদত


এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক ইন্টারনেট কি?



ইন্টারনেট হচ্ছে কম্পিউটার নির্ভর বৈশ্বিক তত্ত্ব পদ্ধতি। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার কেন্দ্রিক নিরবিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক এর সমষ্টিই হচ্ছে ইন্টারনেট।


কি ভাই মাথার উপর দিয়ে গেলে নিচে আরেকটু বিস্তারিত আলোচনার চেষ্টা করবো।



যখন আপনি কারো সাথে চ্যাট করেন কিংবা কাউকে মেইল সেন্ড করেন তখন কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে এই কাজ গুলো সম্পূর্ণ হতে কতোগুলো আলাদা কম্পিউটার একসাথে কাজ করে যাচ্ছে?
ধরুন আপনি  আপনার কম্পিউটার নিয়ে বসে আছেন, পৃথিবীর আরেক প্রান্তে আপনার বন্ধু কম্পিউটার নিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসে আছে আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য। কিন্তু আপনি আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ফাঁকের মধ্যে অসংখ্য কম্পিউটার রয়েছে যা আপনার আর আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যের ফাঁকা স্থান পূরণ করছে। আর এভাবেই একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটার সংযুক্ত রয়েছে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর এটাই হলো দ্যা ইন্টারনেট।


সব কিছুর নাটের গুরু সেই ইন্টারনেটের মালিক কে? সেটা কি সিম কোম্পানি গুলো নাকি ওয়াইফাই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান?



অবাক করা উত্তর হল না আপনি নিজেই এর মালিক। বিশ্বাস হলো না তো আসলে আপনি আমি সকলেই ইন্টারনেটের এক একটা অংশের মালিক
আপনার বাড়িতে যদি দুটি কম্পিউটার থাকে তবে সে দুটিকে অপটিকাল ফাইবার দিয়ে যুক্ত করলে মুহূর্তেই বড় বড় ফাইল আপনি আপনার এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ট্রান্সফার করতে পারবেন। তাহলে তৈরি হয়ে গেল আপনার বাসার ইন্টারনেট। এভাবে যদি এলাকার সব কম্পিউটার জুড়ে দেন তাহলে তৈরি হয়ে গেল এলাকার ইন্টারনেট। এমনিভাবে পুরো দেশ বা পুরো পৃথিবীর কম্পিউটারগুলোকে জুড়ে দেওয়ার নামই হলো ইন্টার কানেক্টেড নেটওয়ার্ক বা সংক্ষেপে ইন্টারনেট। বাংলায় একে আমরা বলতে পারি আন্তঃসম্পর্কের নেটওয়ার্ক।



এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে বাড়ির ইন্টারনেট না হয় অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে যুক্ত করলাম কিন্তু বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গুলো কিভাবে যুক্ত থাকে? এটা কি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে? উত্তর হল না ১০০ ভাগের মধ্যে ৯৯ ভাগ ইন্টারনেট চলে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে।





 চুলের মত আকৃতির শতশত অপটিক্যাল ফাইবার গুলো একসাথে সাবমেরিন কেবলের মধ্য দিয়ে চলে যায় পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। সমুদ্রের নিচে এরকম শত শত সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে আমাদের এই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট তৈরি হয়েছে।





তো বুঝলাম ইন্টারনেটের মালিক আমরা সবাই তবে কেন আমরা ইন্টারনেট চালাতে টাকা দেই? এমন প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক। বন্ধুরা সমুদ্রের নিচে এমন হাজারো তার গুলোকে বলা হয় ইন্টারনেটের মেরুদন্ড। আর এগুলো বিছানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে তো অনেক খরচ তাই না। ইন্টারনেটকে আমাদের ঘরে পৌঁছানোর জন্য কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। যারা আমাদের কাছে ইন্টারনেট পৌঁছান তাদেরকে বলা হয় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানি বা সংক্ষেপে আইএসপি।
আরো বিস্তারিত বলছি আশা করি বুঝতে পারবেন সহজে।
আমাদের জানতে হবে ISP সম্পর্কে, জানতে হবে ISP কি জিনিস। ISP এর পূর্ন রূপ হল Internet Service Provider। আর এই ISP কে ভাগ করাহয় মোট ৩ টি ভাগে :


টাইর ১
টাইর ২
টাইর ৩
 প্রথম পর্যায় এর ISP
এখানে টাইর ১ ISP হল সেসব ISP যারা ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দুবাই, দুবাই থেকে ভারত, বারত থেকে শ্রীলংকা বা বাংলাদেশ ইত্যাদি স্হানে সমুদ্রের নিচ দিয়ে তার বসায় এবং আমাদের দেশের সাথে অন্য দেশের সংযোগ স্হাপন করে, এরা হল আন্তর্জাতিক Internet Service Provider।


দ্বিতীয় পর্যায় এর ISP
আর এর পরেই আসে হল টাইর ২ ISP। যেখানে টাইর ১ ISP আন্তর্জাতিক সেখানে টাইর ২ ISP হল জাতীয় পর্যায়ে কাজ করে এর উদাহরন হল এরা টাইর ১ থেকে ইন্টারনেট গ্রহন করে যেমন: BSCCL বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানী লিমিটেড


এদের সাধারনত সারাদেশে সংযোগ এবং ভালো কানেক্টিভিটি থাকে, এর উদাহরন হল BTCl। এরা বাংলাদেশ এর সরকারি টাইর ২ ISP। অনেক সময় এরাও লোকাল পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে; যেমন : BTCL ADSL (BTCL Broadband সংযোগ যেভাবে নিবেন জেনে নিন)


 তৃতীয় পর্যায় এর ISP
আর এখন আসল টাইর ৩ ISP এরা হল আঞ্চলিক পর্যায়ের ISP যেমন Smile Broadband, Go Broadband, Link3, TM International ইত্যাদি ISP আপনার বাসা বাড়ি বা অফিস বা স্কুল, আদালতে তাদের ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে থাকেএরা টাইর ২ থেকে ইন্টারনেট কেনে। এখানে গ্রামীনফোন, রবি, বা এয়ারটেল কখন এরা টাইর ২ বা টাইর ৩ ISP থেকে তাদের গ্রহকদোর জন্য ইন্টারনেট নেয়। তবে উদাহরন হিসেবে রবি TM International থেকে ইন্টারনেট নেয়। TM হল টাইর ৩ ISP; টাইর ৩ ISP এর ভেতর থেকে TM এর ক্ষমতাটা একটু বেশি।



বিশ্বব্যাপী সম্পর্ক রক্ষার জন্য যারা সমুদ্রের নিচে সাবমেরিন ক্যাবল বিছানো ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন তারা টি আর ওয়ান কোম্পানি। TR 2 এবং TR 3 কোম্পানিগুলো এদের কাছ থেকে ভাড়ার বিনিময়ে সংযোগ নিয়ে দেশের মধ্যে অবস্থিত সকল স্থানে পৌঁছে দেয়। টিয়ার টু কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ভাড়া নেয় আমাদের স্থানীয় ওয়াইফাই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গুলো। আর সিম কোম্পানি গুলো টি আর ওয়ান কোম্পানি থেকে ভাড়া নিয়ে তাদের টাওয়ারের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়।



একটা উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার হয়। , ধরুন আপনি ফেসবুকে ঢুকলেন। সিম কোম্পানি গুলো আপনার এ তথ্য কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় থাকা টি আর ওয়ান কোম্পানির লাইনে পৌঁছে দেয়। আর টি আর ওয়ান কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে থাকা ফেসবুকের সার্ভারে সেটা পৌঁছে দেয়। পুনরায় বিপরীত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ফেসবুকের সার্ভার থেকে আপনার মোবাইলে ফেসবুকের ওয়েব পেইজ ওপেন হয়। তো বন্ধুরা প্রক্রিয়াটা সত্যিই জটিল। আর এগুলো সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ করে কিছু প্রটোকল। যা আবার নিয়ন্ত্রণ করে কিছু প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে একটি হলো দা ইন্টারনেট সোসাইটি। তো বন্ধুরা এই বিশাল মহা আয়োজন এর খরচ তো অনেক তাই না। তাই আমরা ইন্টারনেটের একাংশের মালিক হওয়া সত্ত্বেও টাকা দিয়ে ইন্টারনেট চালাই।






কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট এর পার্থক্য নিচে সংক্ষেপে আলোচনার করছি।


উপরের আলোচনা থেকে যা বুঝা যায় তা হলো কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা দ্বারা মোটামুটি সব ধরনের কাজ করা সম্ভব এবং আমাদের আলোচ্য বিষয় ইন্টারনেট কেও নিয়ন্ত্রন করতে কম্পিউটার প্রয়োজন পড়ে।


   আর অন্যদিকে ইন্টারনেট, আপনার কম্পিউটারকে বিশ্বের অন্যান্য কম্পিউটারগুলিতে সংযুক্ত  করে, এবং ইন্টারনেট ডাটা আদান প্রদানের  মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয় । ওয়েব এমন সফ্টওয়্যার যা আপনাকে সেই ডাটা ব্যবহার করতে দেয় … অথবা আপনার নিজের ডাটা অন্য কোথাও পৌছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।




তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।


সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স