Uncategorized

মুসলিমদের স্বর্নযুগ পর্ব-১

বর্তমান মুসলিম দের তুলনা মূলক পিছিয়ে পড়া আর দক্ষিন এশিয়ার মুসলিমদের দৈন দশার জন্য আমার নিচের এ লেখা। প্রথম পোষ্ট টি পড়ে আসতে পারেন।

আজ শোনাবো মুসলিমদের এমন ৫ টি আবিস্কার/উদ্ভাবন যা ছাড়া আধুনিক বিশ্ব এক মুহুর্ত কল্পনাও করা যায় না। যার উপর ভিত্তি করেই দাড়িয়ে আছে আজকের আধুনিক পৃথিবী। চলুন তবে শুরু করা যাক। আর এভাবেই প্রতিদিন ৫ টি করে লিখে যেতে চেষ্টা করবো।

১- বিশ্ববিদ্যালয়/ইউনিভার্সিটি

হ্যা ঠিকই শুনছেন, প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিস্কার/উদ্ভাবন হয় মুসলিমদের দ্বারা, গিনেজ বুকের রেকর্ড অনুসারে, মরক্কোর ফেজ নগরীর কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয়ই হচ্ছে পৃথিবীর সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। তাও আবার বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করে একজন নারী যার নাম “ফাতেমা আল-ফিহরী” অথচ আজ মুসলিমদের অনেকেই নারীদের পড়াশুনাতে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখান। চিত্না করুন তো বিশ্ববিদ্যালয় না থাকলে পৃথিবী আজ কতোটা পিছিয়ে থাকতো।

২- হসপিটাল/ হাসপাতাল

কি চমকে উঠলেন! না চমকানোর কারন নেই, নিশ্চয়ই এই করোনা মহামারীতে আপনি কল্পনাই করতে পারছেন না বিশ্বকে হসপিটাল ছাড়া। হ্যা এই হসপিটালের আবিস্কারও মুসলিমদের দ্বারাই। নবম শতকে মিসরে প্রথম এই হাসপাতাল ব্যবস্থার সূচনা হয়। আহমদ ইবনে তুলুন নামক এক মুসলিম ৮৭২ সালে মিসরের রাজধানী কায়রোতে সর্বপ্রথম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।

৩- আধুনিক চিৎকিসা বিজ্ঞান।

মূলত এটি মোটামুটি সকলেরই জানা, আধুনিক চিৎকিসা বিজ্ঞানের জনক বলা হয় ইবনে সিনাকে।
তার পুরো নাম “আবু আলী হোসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল হাসান ইবনে আলী ইবনে সিনা”
জন্মগ্রহন করেন বর্তমান উজবেকিস্তানে। মূলত ১৮ শতক পর্যন্ত তার লিখা/রচিত চিকিৎসা বিষয়ক বিশ্বকোষ “কানুন ফিততিব” ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্তও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল প্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ ছিল।
এছারাও তার শুধু মাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞানে অবদান ছিলো তা নয়, তিনি পদার্থবিজ্ঞান, গনিত, অধিবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও একজন দার্শনিক ছিলেন। সব সেক্টরেই তার অবদান ছিলো।

৪- বীজগনিত/আলজেবরা

এটাও প্রায় সকলের জানা, বীজগনিতে জনক বলা হয় “মুহাম্মদ ইবনে আল মুসা খোযারেজমি” কে।
মুসলিম বিজ্ঞানীদের/আবিস্কারদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি। তিনি এছাড়াও ভুগোল, পাটিগণিত, ত্রিকনোমিতি, ইগুদি বর্ষপঞ্জিতে অবদান রাখেন।

৫- ঘড়ি/ক্লক

বিজ্ঞানের এক অসাধারণ এক আবিস্কার ঘড়ি, ঘড়িও প্রাচীন মিশরীয় মুসলিমদের হাত ধরেই আবিস্কার হয়। সূর্যঘড়ি, জলঘড়ি, বালিঘড়ি, মোমঘড়ি এবং পরবর্তিতে একজন ডাচ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ঘড়িকে মিনিট সেকেন্ড কাটায় রুপান্তর করেন। জাষ্ট চিত্না করুন ঘড়ি বা সময় বিহীন পৃথিবী কতটা বিশৃঙ্খলায় ভরপুর হতো। প্রিতিদিন মিনিটে মিনিটে পোডাক্টটিভিটি বাড়ানোর এই উদ্ভাবনও মুসলিমদের হাত ধরেই।

৬- ক্যামেরা (বোনাস)

১০২১ সালে ইরাকের বিজ্ঞানী “ইবনে আল হাইতাম” আলোক বিজ্ঞানের উপর একটি বই লেখেন নাম” কিতাব আল মানাজির” তার এই বইতেই ক্যামেরা আবিস্কারের ধারনা উল্লেখ করা হয় সেখান থেকেই ক্যামেরা আবিস্কারের সূত্রপাত ঘটে। এবং তার কিতাব আল মানাজির বইটিই আলোক বিজ্ঞানের ভিত্তি হয়ে দাড়ায় এবং সেখান থেকেই পরবর্তীতে আস্তে ডিজিটাল ক্যামেরায় রুপান্তর হয়। বর্তমানে যেকোন দেশের যে চতুর্থ বর্গ মানে মিডিয়া! সেটার এবং বিনোদন সহ সকল কিছুর মেরুদন্ড বলা যায় এবং ডিভাইসটিকে।

চিত্না করুন, মধ্যযুগেই মুসলিমদের আবিস্কার আর উদ্ভাবন গুলো ছিলো পৃথিবীকে বদলে দেবার, আর আমরা এখন কিনা বিস্বাস করছি থানকুনি পাতায়, কল্লা কাটা গুজবে, আর শিশু জন্মে রং চা খেতে বলে মরে গেসে! মুসলিমদের আবারো নিজের ঐতিহ্য আর স্বর্নযুগ ফিরিয়ে আনতে উচিত সকলের মন মানসিকতার পরিবর্তন আনা।

নোট- প্রতিটা বিষয়ই অতি থেকে অতি সংক্ষিপ্ত–

ইনশাআল্লাহ চলবে…….
#HomeQuirentine

Smoke And Sacrifice PC Games Review And System Requirements

Smoke And Sacrifice জোস একটি ভিডিও গেমস। আপনি চাইলে খেলতে পারবেন Windows Platform থেকে। তার আগে দেখে নিন রিভিউ।


Smoke And Sacrifice হলো Adventure, RPG, Survival ধাচের গেমস। গেমস টি Develop করেছে  Solar Sail Games Ltd. এবং প্রকাশনায় ছিলো Curve Digital.


Smoke And Sacrifice প্রথম প্রকাশ করা হয়েছিলো ৩১শে মে ২০১৮ইং সালে। Games টি Nintendo Switch, PlayStation 4, Xbox One, Microsoft Windows, Linux, Macintosh operating systems. Platform থেকে খেলা যাবে।


Open World গেমস খেলতে পছন্দ করেন। তবে Smoke And Sacrifice গেমস টি আপনার জন্য।এটা সম্পূর্ন Single Player গেমস। 

Smoke And Sacrifice এর গ্রামবাসীরা বাচ্চাদের বলি দেওয়া কে একটি প্রথা মনে করে। তবে এই রহস্য উদ্ঘাটন করতে গেলেই সব কিছু উলট পালট মনে হবে। আর মনে রাখতে হবে প্রত্যেক টি চরিত্রের নিজস্ব একটি Story Line রয়েছে।


Smoke And Sacrifice এর Story Line হবে বলি দেওয়া কোন ঘটনা নিয়ে। শুরুতেই দেখা যাবে Sachi তার ছেলেকে পাঠাবে অজানা ভয়ংকর অ্যাডভেঞ্চারে যা তাকে অন্ধকার সত্যের দিকে নিয়ে যাবে।আর যত রহস্য সমাধান করবেন ততোটাই Excitement পেতে থাকবেন।


গ্রাফিক্স টা এক কথায় চমৎকার। আর সাউন্ড Effect তো বলতেই হচ্ছে মারাত্মক। এর আগে যদি খেলে না থাকেন তবে অবশ্যই একবার নিজে খেলে দেখতে পারেন।



Smoke and Sacrifice (PC) System Requirements

তবে গেমস টি খেলার আগে আপনার কম্পিউটারে যা থাকা অত্যন্ত জরুরী। চলুন তা আগে দেখে নেওয়া যাক।

Minimum System Requirements
Operating System Windows XP/Vista/7/ 8/10
Processor Intel® Core™ i3-4130 / AMD Phenom™ II X4 or equivalent
RAM / Video Memory 4 GB / NVIDIA® GeForce® GTX 650 / AMD Radeon™ HD 5770 / Intel® HD Graphics 530 or equivalent
Hard Drive  4 GB
Video Card DirectX 11 with Compatible Card

আর যদি একদম সর্বোচ্চ গেমিং এর মজা নিতে চান তাহলে অবশ্যই যে Requirements থাকা জরুরী। 



Recommended System Requirements
Operating System Windows XP/Vista/7/ 8/10
Processor Intel Core i5-6400 AMD FX 6300
RAM / Video Memory 8 GB / Nvidia GeForce GTX 650 | AMD Radeon HD 5770
Hard Drive  4 GB
Video Card DirectX 11 with Compatible Card



Smoke and Sacrifice Gameplay

Smoke And Sacrifice গেমস টির কিছু চিত্র দেখে নেওয়া যাক। 



Smoke And Sacrifice গেমস টি আসলেই অনেক চমৎকার। তাই আপনিও যদি গেমসটি খেলতে চান তবে Microsoft Store থেকে ক্রয় করে নিতে পারেন নিচে লিংক।


Smoke And Sacrifice Microsoft Store Link



আর আপনার যদি ক্রয় করার সামর্থ্য না থাকে তবে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

Download/download/button/#27ae60 

(Size-670 MB)

তাহলে Smoke And Sacrifice গেমসটি install এবং Play করে দেখুন। আর যদি আর্টিকেল টি ভালো লাগে তবে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু।

সবশেষে আবারো দেখা হচ্ছে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে। তবে আমার লেখা অন্যান্য আর্টিকেল দেখতে চাইলে সৌজন্য লিংকে চলে যান।


লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন (সৌরভ)

                        Web | Group | Social

Coronavirus (COVID-19) নিজেকে এবং অন্যকে সুরক্ষিত রাখার উপায়

বর্তমানে যে রোগ টি মহামারীতে রুপ নিয়েছে তার নাম করোনা ভাইরাস কিংবা COVID-19.এটা এমন এক অবস্থা তৈরী করেছে যে সকল বিশ্বের মানুষ আতংকে রয়েছে। 




আপনারা হয়তো অনেক হলিউডের মুভি দেখে থাকবেন। বিশেষ করে Zombie মুভি গুলো। আপনি হয়তো লক্ষ করে থাকবেন যে সেখানেও ভাইরাস মানুষকে বদলে ফেলে। আর মানুষ গুলো একে অন্যকে খাওয়া শুরু করে দেয়। আর এসব ঠেকাতে Lock Down করে দেওয়া হয়। যাতে এসকল ভাইরাস অন্যের সংস্পর্শে না আসতে পারে। 


কেন হলিউডের কথা বলছি জানেন কি ? এজন্যই বলছি মুভিতে এড়িয়া Lock Down করা হয় একদম খারাপ অবস্থায় পৌছালে। তবে আমার পয়েন্ট Zombie নয় বরং Lock Down. কারন এই Corona Virus এর প্রভাবে সারা বিশ্ব Lock Down করে দেওয়া হয়েছে। নিশ্চই তাহলে এটা একটি অপ্রতিরোধ যোগ্য রোগ তাই এমন টা করা হয়েছে। 



জি হ্যা এটি একটি মারাত্মক ভাইরাস। যার ফলে মারা যাচ্ছে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ। আর সবার মাঝে তৈরী করছে আতংক। আর সেই ভয় কে কেন্দ্র করে ব্যবসাও করে যাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাই সকল গুজব বাদ দিয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক Corona Virus (COVID-19) নিয়ে আপনাদের জন্য আমার কিছু তথ্য।







Corona Virus মূলত স্তন্যপায়ী প্রানী এবং পাখিদের আক্রান্ত করে থাকে। COVID-19 মানুষের শ্বাস নালীতে সংক্রমন করে থাকে। আর যার ফলে সর্দি কাশির লক্ষন দেখা দেয় ক্ষানিকটা। তবে মুরগির ক্ষেত্রে এটা উর্ধ্ব শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরের ডায়রিয়া সৃষ্টি করে থাকে। আর Corona Virus যদি মানুষকে আক্রমন করে, তবে বলতেই হচ্ছে এর টিকা বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আজ পর্যন্ত আবিস্কৃত হয় নাই।

ইতিহাসঃ



করোনাভাইরাস ১৯৬০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়।এই সংক্রামক মুরগির মধ্যে  ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে প্রথম দেখা যায়। সর্দি-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়। মানুষের মধ্যে পাওয়া ভাইরাস দুটি ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি৪৩’ নাম রাখা হয়।


তবে সময়ের সাথে ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকেইউ১’, ২০১২ সালে ‘এমইআরএস-সিওভি’ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সাল চীনে এসএআরএস-সিওভি-২’ পাওয়া যায়।


(যা বর্তমানে সবাই নোভেল করোনাভাইরাস নামেই জেনে থাকবেন। এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ ভাইরাসের ফলে শ্বাসকষ্টের গুরুতর সংক্রমণ দেখা দেয়।)


সূত্রঃ Wikipedia Source.


Corona Virus (COVID-19) এর লক্ষণ


  • জ্বর
  • পেটের সমস্যা
  • মাথা ব্যাথা
  • অঙ্গ বিকল হওয়া
  • গলা ব্যাথা
  • শ্বাসকষ্ট
  • বমি হওয়া
  • শুষ্ক কাশি
  • অবসাদ
  • কিছু রোগীর ক্ষেত্রে উল্লেখিত সকল লক্ষন থাকলেও জ্বর থাকেনা।

কতটা ভয়ংকর এই Corona Virus?


শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য রোগের মতো এই Virus দ্বারা আক্রান্ত হলে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরের হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । বৃদ্ধ মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান হারানোর মতো সমস্যা হতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। 

সূত্রঃ Unicef

Corona Virus প্রতিরোধের উপায়ঃ


আপনি মুসলিম হলে হয়তো জানেন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। আর Corona Virus প্রতিরোধে আপনাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। অন্যের সংস্পর্শ থেকে নিজেকে আলাদা রাখতে হবে। আর মাস্ক রোগ বিস্তার থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। আপনি চাইলে হ্যান্ড গ্লাফস ব্যবহার করতে পারেন কারন Safety First. তবে সব থেকে বেশী জরুরী আপনার হাত সার্বক্ষনিক পরিস্কার রাখা। আর অবশ্যই নাকে মুখে হাত দেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছে এমন রোগীদের থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

Corona Virus এর ঝুকি?

যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে করোনা ভাইরাস শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ভয়াবহ রুপ ধারন করে নাই। তবে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে যার ফলে প্রান হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। 


Unicef এর মতে

এই করোনাভাইরাসটি ভয়াবহ গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এটি প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের উপর এই ভাইরাসের প্রভাব বা এতে কতজন আক্রান্ত হতে পারে- সে সম্পর্কে আমরা এখনও বেশি কিছু জানি না। কিন্তু নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধ এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। সময় আমাদের সাথে নেই।



          -ইউনিসেফ নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর –


Home Quarantine তাহলে কি করবেন?


অনেক কিছুই আছে সময় কাটানোর জন্য।

ঘরের সবাই মিলে মুভি দেখুন মনের কথা শেয়ার করুন হয়তো এরকম দিন আর আগামীতে আসবেনা।

যারা খেলাধুলা পছন্দ করেন তারা চাইলে পিসি থেকে কিংবা Android থেকে গেমস খেলে সময় কাটাতে পারেন আর অসংখ্য গেমস রয়েছে শুধু আপনার যা পছন্দ খুজে নিন।

যারা পড়াশুনা করতে ভালোবাসেন তারা অনলাইন কোর্স করা শুরু করেন।

যারা গল্প করতে ভালোবাসেন তারা গ্রুপ চাট কিংবা গ্রুপ কলিং করে সময় কাটাতে পারেন।

মোট কথা নিজে বাচুন অন্যকে বাচতে সহযোগিতা করুন।

কারন আপনার বোকামীর কারনে আক্রান্ত হতে পারে অন্য কেউ।

অনেক মহামারী এসেছে আর মানুষ তার মোকাবেলা করেছে তাই যতদিন করোনার কোন প্রতিষেধক না বের হচ্ছে নিজের জীবনকে ঝুকিতে ফেলার কোন প্রয়োজন নেই।

আর এই রোগে আক্রান্ত হয়ে যদি মারা যান তাহলে।এমন হতে পারে যে আপনার জানাজায় পর্যন্ত কেউ আসবেনা। তাই আপনি কি চান এসময়ে মরে গিয়ে অবহেলায় ফেলতে নিজের মরদেহকে যা কিনা ঠিকমত কেউ মাটি দিতেও আসবেনা।

আপনি নিশ্চই বুদ্ধিমান একজন তাই বোকার মত কাজ করে দেশ ও দেশের মানুষ সহ নিজের পরিবারকে বিপদে ফেলতে চাইবেন না।
তাই আসুন আমরা সবাই মিলে নিয়ম গুলো মেনে চলি।নিজে সুস্থ থাকি অন্যকেও সুস্থ থাকতে দেই।


সবশেষে

Corona Virus বর্তমানে মানুষের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর বিশ্বের ১৫০+ দেশ এই ভাইরাসের স্বীকার। আর প্রতিদিন যেমন আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে ঠিক তেমনি মৃত্যুর হার টাও বাড়ছে। আর তাই সরকার আমার আপনার মত সবাইকে রোগ থেকে দূরে রাখতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। তাই আমাদের উচিৎ সকল নিয়ম গুলো মেনে চলা যাতে নিজেরা সুস্থ থাকতে পারি সাথে অন্যকেও সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারি।

জরুরি প্রয়োজনে 

(Info Collected By Robin)

কল করুন: ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০৯১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮

বি.দ্র: দেশকে মৃত্যুপুরী বানাতে না চাইলে দেশের বর্তমান অবস্থাকে গুরুত্ব সহকারে নিন। সরকার ও গণমাধ্যমের দিকনির্দেশনা মেনে চলুন। নিজে সচেতন থাকুন অন্যকে সচেতন করুন।

(অল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন)


লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন (সৌরভ)

          ProfilePageGroup

Windows 10 এর Maximize এবং Minimize Animation বন্ধ করে গতি বাড়িয়ে নিন পুরাতন পিসির

আপনি যদি উইন্ডোজ 10 ব্যবহার করে থাকেন তবে আপনি জানেন যে Microsoft Operating System টিতে অনেক Visual পরিবর্তন আনা হয়েছে। 





যখনই কোন Application Minimize অথবা Maximize করা হয় তখন একটি ছোট Animation প্রদর্শিত হয়। কিছু ব্যবহারকারী রয়েছে যারা মিনিমাইজ অথবা Maximize Animation বন্ধ করে আরো ভালো পারফরমেন্স পেতে চায়।আর তার জন্য আপনাকে System কিছু সুবিধা দিয়ে থাকে Animation কমানোর জন্য।





তবে যদি Minimize এবং Maximize Animation বন্ধ করে দিতে চান আর্টিকেল টি আপনার জন্য।


পুরাতন পিসি গুলোর কনফিগ একটু খারাপ হয়ে থাকে। কারন দিন যত এগোচ্ছে ঠিক ততটাই আপডেট জিনিস আসছে।আর Windows 10 এর এই Minimize এবং Maximize Animation আপনার GPU কিংবা CPU এর উপর চাপ ফেলে। যার ফলে আপনার পিসি ধীর গতি হয়ে যায়। আর পুরাতন কম্পিউটার হলে তো কথাই নাই Hang হয়ে থাকে অনেক সময়। তবে আপডেট কম্পিউটারের জন্য এটা কিছুই না।

তাই আপনি যদি আপনার Low Config কম্পিউটার থেকে Minimize এবং Maximize Animation বন্ধ করে দিয়ে সম্পূর্ণ গতি পেতে চান তবে নিচে দেখুন।

সুতরাং, এই আর্টিকেল টিতে আমরা উইন্ডোজ 10-এ মিনিমাইজ এবং ম্যাক্সিমাইজ অ্যানিমেশন বন্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা আমাদের পুরানো কম্পিউটারকে চলার গতি বাড়াতে সাহায্য করবে। তাহলে চলুন কীভাবে উইন্ডোজ Minimize এবং Maximize Animation অক্ষম করা যায় তা জেনে নেই।



প্রথমে আপনার Start Menu থেকে সার্চ করুন “sysdm.cpl” লিখে। আপনার সার্চ রেজাল্ট আসলে তাতে প্রবেশ করুন। 

আপনি উপরের মত System Properties এ চলে যাবেন। আর এবার Tab থেকে আপনি চলে যান Advanced  অপশনে।

 Advanced থেকে যেতে হবে Performance এর Settings. এরপর আপনি অনেক ধরনের Animation বন্ধ করতে পারবেন। অন্য কোন Animation যদি বন্ধ করতে হয় তবে তার কাজ কি জেনে বন্ধ করুন।নয়তো হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।



যাই হোক এবার আপনি Animate Windows When Minimizing And Maximizing On থাকলে চেক মার্ক ঊঠিয়ে দিন। আবার যদি অন করতে চান একই নিয়মে এসে চেক বক্সে মার্ক করে Apply করে দিন।


কারো উপকারে আসবে কিনা জানিনা। তবে জানার জন্য দেখে রাখা আর কি। যদি ভালো লেগে থাকে তবে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। আবার দেখা হবে নতুন কোন সময় অন্য কিছু নিয়ে। তবে আপনি চাইলে সৌজন্য লিংক থেকে ঘুরে আসতে পারেন আমার সাইট থেকে।

লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন (সৌরভ)

                        FB | Page | Group

অনলাইনে মোবাইল থেকে তোলা Photo Sell করে অর্থ উপার্জন করতে চান?

অনলাইনে ফটো বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে চান? কীভাবে করবেন তা জানতে চাইলে আজকের আর্টিকেল টি আপনার জন্য।


ছবি তোলা কি আপনার শখ বা আপনি একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার, ফটোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার বানাতে চান। তাহলে দেখে নিন ফটো বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করার সেরা কিছু মাধ্যম।

অনেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করেন। শখের বশেই প্রতিনিয়তই ক্যামেরায় (Camera) ক্লিক করে থাকেন। সাথে অনেক অসাধারণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় বন্দী করেন। তবে তা শখের মাঝেই সীমাবদ্ধ। 


তাই অনেকেই প্রশ্ন  করে কীভাবে ফটো বিক্রয় করে আয় করা সম্ভব।আর্টিকেল টিতে  আমি অনলাইনে ফটো বিক্রির মাধ্যমে কীভাবে অর্থ উপার্জন করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করব।


আপনার ছবি গুলো কপিরাইট মুক্ত হতে হবে। মানে আপনার ক্রিয়েটিভেটি আপনার নিজের। অন্য কারো আপলোড করা ছবি শুধু শেয়ার করে টাকা উপার্জনের চেষ্টা করলে ধরা খাবেন। কারন তা কপিরাইট ফটো হতে পারে। 

কিছু ওয়েবসাইটের তালিকা দেখে নিনঃ

প্রচুর সাইট পাবেন যেখানে আপনার কাছ থেকে ফটো কিনে বিক্রি করে।এবং বিক্রির পরে আপনাকে অর্থ প্রদান করে থাকে।


আবার এমন কিছু সাইট রয়েছে যেখানে আপনার ক্লিক করা ফটো আপলোড করতে পারবেন। সাথে সমস্ত বিবরণ এবং দাম নির্ধারন করতে পারবেন এবং যখন কেউ ফটো ক্রয় করবে আপনি আপনার অর্থ একাউন্টে পেয়ে যাবেন।




কিছু সাইট  কপিরাইটমুক্ত চিত্র বিক্রি করে। আপনি চাইলে ফটোগুলির সাবমিট করতে পারেন মাসিক ভিত্তিতে কমিশন পাবেন। তাই নীচে ফটো বিক্রয় করার সাইটের তালিকা এবং বিবরন দেখে নেওয়া যাক।




1. Shutterstock

এটা একটি Global Platform যেখানে ১৫০ থেকে বেশী দেশের মানুষ ফটো, ভিডিও কিংবা Vector Image বিক্রয় এবং ক্রয় করে থাকে। আর এই প্লাটফর্মটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৩ সালে। আপনি চাইলে সরাসরি ওয়েবসাইট কিংবা App ব্যবহার এর মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন।


আপনিও চাইলে আপনার ফটো গুলোকে প্রকাশ করতে পারবেন Contributor হিসাবে। তবে তার জন্য আপনাকে একটি একাউন্ট তৈরী করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি অর্থ উত্তোলন সহ অন্যান্য কাজ গুলো পর্যবেক্ষন করতে পারবেন।

আর আপনার ফটো Sell করার সময় যে জিনিস গুলো মাথায় রাখতে হবে। ফটোর সাথে খাপ খায় এমন Keyword. সাথে ফটোর Description যাতে সবাই আপনার ফটো টি সম্পর্কে ভালো ধারনা পায়। আর সবচেয়ে দরকারী সঠিক ক্যাটাগরীতে সাবমিট করা। 

আপনি ফটো সাবমিট করার কিছুদিনের মধ্যে তা যাচাই করে তাদের কাছে ভালো মনে হলে প্রকাশ করে দিবে এই Global Market Place টিতে। সর্বনিম্ন 4.0 Mega Pixel+ Camera গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। কারন ফটোর মান যত ভালো আসবে ততো বেশী Response আসবে।


আপনি মাসিক Subscription,on-demand download, single download, এবং refer করেও অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

মোট কথা আপনার ছবির ডাউনলোড চাহিদার উপর আপনার উপার্জন নির্ভর করবে। আর আপনি সর্বনিম্ন ৩৫ ডলার একাউন্টে জমা হলে উত্তোলন করতে পারবেন। আর এর জন্য ব্যবহার করতে হবে Paypal কিংবা Bank Transfer.

দেরী না করে Registration করে ফেলুন নিচের লিংক থেকে।



2. Adobe Stock

Adobe বর্তমান বাজারের সেরা এবং জনপ্রিয় Brand. আর তাদের Stock Photo Program ব্যবহার করে রয়েছে আয় করার সুযোগ। আপনি ফটো কিংবা ভিডিও সাবমিট করতে পারবেন।
 
আপনাকে ফটো কিংবা ভিডিও সাবমিট করার জন্য ১৮ বছর বয়স হতে হবে। আর তাহলেই আপনি শেয়ার করতে পারবেন Contributor হিসাবে।

আপনি নানান ক্যাটাগরীর ফটো সাবমিট করতে পারবেন। যেমনঃ- culture, technology, fashion, lifestyle, beauty এবং আরো অনেক কিছু। আর সাথে ব্যবহার করতে পারবে Auto Suggest Keyword এবং অন্যান্য ফিচার।

আপনার প্রতি ফটো বিক্রয়ের জন্য পাবেন ৩৩% কমিশন। আর যখন আপনার একাউন্টে ২৫ ডলার জমা হয়ে যাবে উত্তোলন করে নিতে পারবেন PayPal অথবা Skrill এর মাধ্যমে।


আপনি যে সুবিধা পাবেনঃ-

  • আপনি সরাসরি Lightroom Classic CC, Bridge, Premiere and Photoshop Mix App ব্যবহার করে ফটো সাবমিট করতে পারবেন।
  • আপনার ক্রিয়েটিভিটি বিশ্বের কাছে তুলে ধরা।
  • ফটো বিক্রয় করতে পারবেন দুটি সাইটে Adobe Stock এবং Fotolia.

Registration করতে চাইলে চলে যান নিচের লিংকে আর শুরু করে দিন অর্থ উপার্জন।



3. Alamy 

এটা একটি অন্যতম সেরা প্লাটফর্ম ফটো বিক্রয় করে আয় করার। তাদের ১,০০০০০ লক্ষ থেকেও বেশী Client রয়েছে। আর এ পর্যন্ত তারা প্রকাশকদের ২০০+ মিলিয়ন ডলার পেমেন্ট করেছে।

আপনি আপলোড করতে পারবেন Photos, vector images সাথে Live news এবং খেলাধুলার চিত্র।
আর আপনার আপলোড করা ফটো বিক্রয় হলে আপনি পাবেন ৫০% কমিশন।

আপনি যদি Registration করে আজ থেকেই কাজে লেগে যেতে চান তবে নিচের লিংকে ভিজিট করুন।

আজকের আর্টিকেল টি এখানেই শেষ করছি আপনাদের জানার ইচ্ছা থাকলে হাজির হয়ে যাবো এরকম আরো ডজন খানেক ওয়েব সাইট নিয়ে।
যদি আর্টিকেল ভালো লেগে থাকে তবে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন। আবার দেখা হবে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে।

লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন ( সৌরভ )

Website | Page | Group

Photo Quality ঠিক রেখে Picture Size কমানোর সেরা পাঁচটি Android Apk

স্মার্ট মোবাইলের দুনিয়া গত কয়েক বছরে অনেক উন্নত হয়েছে। আর তার ফলে Android দিয়েই করা যায় অনেক জটিল কাজ। তাই Android মোবাইল থেকে High Quality Picture গুলো Resolution না হারিয়ে যদি সাইজ কমিয়ে আনতে চান আর্টিকেল টি আপনার জন্য। 





বর্তমানে ভালো মানের Android এ যুক্ত করা হয়েছে 48 MegaPixel Camera.আবার কিছু কিছু Device তো চারটি পর্যন্ত Camera Support করে। যার ফলে যে কোন ছবি তোলা যায় High Quality তে। তবে ঝামেলা হলো  আপনার Picture এর সাইজ হয়ে যায় অনেক বেশী। 



বর্তমানে প্রায় সবাই Social Network এর সাথে যুক্ত রয়েছে। আর এই Social Network হলো সদ্য তোলা ছবি আপলোড করার সেরা মাধ্যম। তবে বিরক্ত লাগে তখন যখন ছবি আপলোড করতে গিয়ে দেখা যায় সাইজ হয়ে গেছে ৫ MB +. যা প্রথমত আপনার Memory Card এ বেশী জায়গা নষ্ট করছে সাথে আপলোড এর সময় Bandwidth. 



তবে আপনি কিন্তু চাইলেই এর সমাধান করে নিতে পারেন। আপনার Picture এর Quality ঠিক রেখে সাইজ ৮০% পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারবেন। আর এতে বাচবে Space সাথে Data Package.

তাহলে চলুন দেখে নেই এমন কিছু Apk যা আপনার চিত্রের Size কমাতে সাহায্য করবে।


5 Best Free Android Apps To Reduce Image Size

আপনি চাইলে বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে ছবি Crop কিংবা Compress করতে পারবেন। কারন জনপ্রিয় Playstore এধরনের অসংখ্য App পাওয়া যাবে। তবে হয়তো সবগুলো আপনার কাজে নাও আসতে পারে। তাই আজকের আর্টিকেল টিতে আপনি খুজে পাবেন ২০২০ সালের সেরা কিছু Application. যা আপনার Img ফাইলের সাইজ কমাতে সাহায্য করবে।



1. Photo Compress 2.0

প্রথম যে Apk তালিকাতে রয়েছে তা হলো Photo Compress 2.0.যা ব্যবহার করে আপনি চিত্রের Resoulation ঠিক রেখে Size কমাতে পারবেন। আপনি সহজেই সাইজ কমানো , আকার পরিবর্তন  এবং Crop করতে পারবেন। এছাড়াও একই সাথে অনেকগুলো ছবির সাইজ কমানোর ফিচার রয়েছে। আবার আপনি চাইলে সাইজ নির্ধারন করে দিতে পারবেন। মানে হলো ছবির সাইজ কতটুকু করতে চান তা নির্বাচন করা যাবে।






2. Photo Compress & Resize

যদি দ্রুত আপনার ছবির আকার বা Resoulation কমানোর জন্য Android App খোজ করে থাকেন তবে Photo Compress & Resize আপনার সেরা পছন্দ হতে পারে। চিত্র Compress এবং পুনরায় আকারের পরিবর্তন করা যাবে। আপনি সহজেই আপনার চিত্রগুলির গুণমান এবং ফাইলের আকার ছোট করতে পারবেন। নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রেখে সাইজ কমানো যাবে। আর এটাও একই সাথে অনেক গুলো চিত্র সাপোর্ট করে Compress করার জন্য।




3. Photoczip

Photoczip তারাই ব্যবহার করুন যারা  সমস্ত ফটোগুলি Compress করতে, পুনরায় আকার দিতে কিংবা Zip তৈরী করতে কাজে লাগাতে চান। এই Apk টি চিত্রের সাইজ ছোট করা  জাতীয় সকল কাজ আপনাকে সহজ করে দিবে। কেবল তাই নয়, আপনার JPG Meta data সম্পাদনা করা যাবে। Compress করা চিত্রগুলির পূর্বরূপ দেখতে পারবেন। এক কথায় আপনার Photo কে কম্প্রেস করার জন্য সেরা একটি Android App.


4. Adobe Photoshop Express

Adobe Photoshop PC দুনিয়ায় জন্য বেস্ট একটি সফটওয়্যার। আর এর Android ভার্সন পাবেন Playstore গিয়ে সার্চ করলেই। Adobe Photoshop Express একটি পরিপূর্ণ একটি Photo Editor বলা যেতে পারে Android এর জন্য। আর আপনি যদি এর সঠিক ব্যবহার জেনে থাকেন তাহলে আপনি সাইজ Compress করতে পারবেন। Img টি Crop করে কিংবা Resolution কমিয়ে Picture এর সাইজ কমাতে পারবেন। 


5. QReduce Lite

টপ রেটিং পাওয়া Playstore একটি এপ হলো QReduce Lite. এর মূল ফিচার হলো নির্দিষ্ট করে দেওয়া সাইজে High Quality তে Compress করা। অনেকে এটাকে aggressive image compression এর জন্য সেরা পছন্দের তালিকাতে রেখেছে। আপনি MB সাইজের Photo গুলো কে KB সাইজে নিয়ে আসতে পারবেন। মোট কথা আপনার জন্য কম সাইজে ভালো কোয়ালিটির Compress করার জন্য সেরা একটি App.


তাহলে এই রইলো আমাদের সেরা পাঁচটি Android App যা দিয়ে Picture Size Compress করা যায়।
যদি ভালো লেগে থাকে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। আবার দেখা হবে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে। তবে আপনি চাইলে ঘুরে দেখতে পারেন www.DarkMagician.Xyz.


লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন সৌরভ। 


 FB Page | Group | Website 

Pen Drive অথবা Hard Drive গুলোতে যেভাবে Password Protection চালু করা যায়

আজকাল যুগে মানুষের অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস হচ্ছে Data. যা হতে পারে কাজের কিংবা পার্সোনাল সিক্রেট। চলুন দেখে নেই কিভাবে তার নিরাপত্তা দেওয়া যায় সহজভাবে।




আপনারাও হয়তো অনেকে জেনে থাকবেন কিছু Third Party Software রয়েছে। যা দিয়ে পাসওয়ার্ড Protection চালু করা যায় এক নিমিষে। কিন্তু আমি আপনাদের সাথে আজকে কোন প্রকার Software শেয়ার করবোনা। আপনার Windows এ থাকা Build Feature ব্যবহার করে আপনি কিভাবে তা করবেন তা তুলে ধরবো।



আমরা যারা Pen Drive কিংবা Hard Disk এ নিজের প্রয়োজনীয় ফাইল রেখে থাকি তাদের সবার উচিৎ নিরাপত্তার দিকে নজর দেওয়া। কারন সিক্রেট কোন ফাইল হলে তা অন্য হাতে পৌছালে বিপত্তি আছে। তাই যারা এই সহজ সিস্টেম টা জানেন না জেনে রাখুন কাজে লাগবে।


প্রথমে আপনার Computer টিতে Pen Drive প্রবেশ করান। আর যদি Drive Lock করতে চান তবে আপনার My Computer এ প্রবেশ করুন। 

এবার আপনি যে Drive টি Password দিয়ে রাখতে চান তার উপর মাউস দিয়ে Right Click করুন।
Turn On Bitlocker নির্বাচন করুন। 

এরপর আপনাকে Password দিতে হবে। দুটো ঘরে পাসওয়ার্ড দিয়ে OK বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনি যাতে ভুলে না যান তাই Backup নিতে বলবে। আপনিও উপরের যে কোন একটির মাধ্যমে Backup নিতে পারেন। আপনার সুবিধা অনুযায়ী।

আমি Text আকারে Save রাখতে চাই তাই নির্বাচন করেছি Save To File এবং কোথায় তা সঞ্চয় থাকবে তা নির্ধারন করছি।

এবার  Encrypt Used Disk Space Only নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করুন।

New Encryption Mode নির্বাচন করে Ok করে দিন।

আগের সব স্টেপ ঠিক মতে করে থাকলে এবার শুধু Start Encrypting বাটনে ক্লিক করে দিন।

এবার Encryption হতে সময় লাগবে ১০০% না শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

যদি উপরের মত Message দেখতে পান তবে আপনার Pen Drive কিংবা Hard Drive টি সফলভাবে Password Protected হয়েছে। এবার আপনি যখন Drive টি খোলার চেষ্টা করবেন  আপনার কাছে Password চাইবে আর তা সঠিকভাবে দিলে Unlock হয়ে যাবে।

আশা করি ছোট্ট এই ট্রিক টি আপনার ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তবে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন।

আর চাইলে ভিজিট করুন প্রতিদিন DarkMagician.Xyz.

সৌজনেঃ ইসমাঈল হোসেন সৌরভ 

Maxthon Fast And Secure Browser ডাউনলোড করে নিন Andorid কিংবা PC Version


Maxthon

এই ব্রাউজার টিতে রয়েছে ইউনিক সকল ফিচার। আর এর Cloud ফিচারের জন্য অনেকের পছন্দের Browser. আপনার যে কোন Device এর ডাটা ব্যবহার করতে শুধু একাউন্ট টা লগিন করতে হবে। 


তাদের Cloud সার্ভিসের আরেকটি ফিচারের নাম হলো Cloud Push. যার সুবিধা হলো যেকোনো কনটেন্ট আপনার বন্ধুদের সাথে Mail বা Text Message এর মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন। এছাড়াও তারা Multiplatform Support করে Data Share করার জন্য।



Cloud Base আর সাথে রয়েছে এর দ্রুত গতির অভিজ্ঞতা। যা আপনি ব্যবহার না করলে বুঝতে পারবেন না।

Youtube Video আপনি চাইলে Pop-Up Player মাধ্যমে চালাতে পারবেন। আর যদি Download করতে চান তবে Build Download Manager.

আরো কিছু Tools রয়েছে যেমন আপনার চোখকে সুরক্ষা রাখার ফিচার। আর Screen Capture এবং Screen Recorder Tools যা আপনার কাজ সহজ করে দিবে।

রয়েছে Build in RSS reader, Notepad , Password Manager , Virtual Mainbox এবং Adblock Plus. এছাড়াও ব্রাউজারে রয়েছে একটি Reader Mode যেটার মাধ্যমে যেকোনো আর্টিকেল বা পেপাল আপনি সাচ্ছন্দ্যে পড়তে পারবেন।
আপনার পাসওয়ার্ড একবার প্রবেশ করালেই সঞ্চয় করে রাখবে। তাই বারবার লেখার ঝামেলা থেকে আপনি মুক্ত।

আপনার জন্য Incognito Mode রয়েছে যাতে আপনি আপনার Private Browsing গুলো চালিয়ে যেতে পারেন।

Maxthon Browser একই সাথে দুটি ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে একটি হচ্ছে Trident এবং আরেকটি হচ্ছে WebKit, যেগুলো Internet Explorer এবং Safari Browser গুলোতে সাধারণত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

এবার আপনি যদি কম্পিউটার কিংবা Android মোবাইলের জন্য ডাউনলোড করতে চান নিচে লিংক।

Vivaldi Browser ব্যবহার করুন আর সব রাখুন নিজের দখলে Android And PC

Vivaldi একটি Chromium প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবহার করা Browser. আপনি Chrome এর মত ব্যবহার করতে পারবেন এছাড়াও কিছু বাড়তি ফিচার রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট হলো আপনি Browser টিকে নিজের মত করে Customize করতে পারবেন। 



Vivaldi

Vivaldi Develop করেছে Vivaldi Technologies. এবং Opera Software প্রকাশনায় ছিলো Founder হিসাবে। Vivaldi Browser প্রথম প্রকাশ করা হয় এপ্রিল ১২, ২০১৬ইং সালে। আর এই Browser টিতে ব্যবহার করা হয়েছে Presto Engine. যা কিনা Opera 2013 সাল পর্যন্ত ব্যবহার করেছিলো।

আপনার মনে হয়তো প্রশ্ন জাগতে পারে ২০১৩ সালের পর বন্ধ করে দিলো কেন ?

Opera Company এর Co-Founder এবং CEO যার নাম Jon Stephenson von. তিনি Opera কে বিদায় বলে দেয় এবং Tetzchner Company তে চলে যায়। আর তিনি Opera 14 পর্যন্ত Develop করেছিলো। যার মানে দ্বারায় Opera 14  এর পরেই Vivaldi বাজারে আসে। 

Vivaldi নামের পিছনে রয়েছেন একটা মজার তথ্য। Italian Baroque Composer এবং Virtuoso Violinist হলো Antonio Lucio Vivaldi.যার নাম থেকে থেকে Browser টির নাম রাখা হয়।


Browser টির নিজস্ব কোন Default Setting নেই। আপনি যেভাবে পছন্দ করেন সাজিয়ে নিতে পারবেন। চাইলে Browser এর জন্য একটি Theme তৈরী করে নিতে পারবেন। কোন স্থানে কি Effect রাখা যায় তা নির্ধারন করতে পারবেন।


আরেকটি ফিচার হচ্ছে Web Panel, যা প্রায় বুকমার্কের মতোই কিন্তু বুকমার্কের থেকেও বেশ কাজের। Web Panel সাইটগুলো Panel এর মধ্যেই Open হয় এবং কোনো Address bar  থাকবে না।


আর এর অন্যতম ফিচার হলো Privacy Security. আপনি কিছু বাড়তি ফিচার পেয়ে যাবেন নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।


আরো ব্যবহার করা যাবে Mouse কিংবা Keyboard Gesture. আপনি যে কোন নির্দিষ্ট একটি শর্টকাট Gesture এর মাধ্যমে দ্রুত কাজ করতে পারবেন।

আপনি আরো ফিচার জানতে চাইলে লিংক দিয়ে দিচ্ছি তাদের অফিশিয়াল সাইটের দেখে নিতে পারেন।

Navigation

User Interface

এবার আপনি যদি ডাউনলোড করতে চান তবে নিচে লিংক।


Download Link – 58 MB



আর আপনি যদি Android User হয়ে থাকেন তবে আপনার জন্য রয়েছে Android Verison. ডাউনলোড করতে চাইলে নিচের লিংকে চলে যান।


Direct Link


Alternative


PlayStore Link

তাহলে এবার ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে পরখ করে দেখুন। আর যদি আর্টিকেল টি আপনার ভালো লেগে থাকে। তবে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। চাইলে আমার ওয়েবসাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন নিচে লিংক।

লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন (সৌরভ)FB | Website | Group

Opera Neon Computer Browser Review সাথে ডাউনলোড করে নিন পিসির জন্য

বর্তমান সময়ে যদিও খুব কম লোক Opera ব্যবহার করে। তারপরেও কিন্তু এক সময় সবার মুখে মুখে ছিলো এই Opera. আর এখন বলতে গেলে অপেরাকে সবাই ভুলতে বসেছে। 


Opera Company সিদ্ধান্ত নিলো তাদের বাজার ধরে রাখতে হলে আরো ভালো কিছু করতে হবে।আর তাই ২০১৭ সালের শুরুর দিকে এই Opera Neon Browser টি বাজারে প্রকাশ করে।


এই Opera Neon এর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে Blink Rendering Engine. আর যুক্ত করা হয়েছে চমৎকার কিছু ফিচার। যা মানুষকে আকর্ষন করবে। তাহলে চলুন তাদের ফিচার সম্পর্কে আরো জানা যাক।

এমন কিছু Visual Effect ব্যবহার করা হয়েছে যা আপনার চোখকে দিবে পরিপূর্ণ তৃপ্তি। এর ডিজাইনটা অনেক সুন্দর যখন আপনি Neon ব্যবহার করবেন তখন পাবেন একটু আলাদা লুক।

 ধরুন যে কোন ওয়েবসাইটের বিশেষ কোন Menu একটু বেশী ব্যবহার করেন। Visual Tab এবং Gravity Menu ফিচার টি আপনার Menu কে একটি Shortcut তৈরী করে দিবে যাতে কম সময়ে তা ব্যবহার করতে পারেন। আর অবশ্যই তা Floating Menu হবে। আর এই Browser আপনাকে একটি সেই মানে Visual Look দিতে প্রস্তুত Trust Me.



ধরুন আপনার একই সাথে দুইটি ট্যাব ব্যবহার করা দরকার তখন কি করেন আপনি। এর একটি ফিচার আপনাকে দুইটি Tab একই সাথে দেখাবে কোন প্রকার Back Click করে সময় নষ্ট করা ছাড়া।
আপনি চাইলে সরাসরি Screen Short তুলতে পারবেন Browser থাকা ফিচার ব্যবহার করে। আর সব Screen Short গিয়ে Save হবে Gallery তে।

আর এর অন্যতম একটি Feature হলো Video Pop-Out. ধরুন আপনি কোন ভিডিও দেখছেন সাথে আপনার অন্য কাজ করা দরকার। চিন্তা নেই আপনি চাইলে Pop-Out ফিচার ব্যবহার করে কাজ এবং Video দুটোই দেখতে পারবেন।

এবার আপনি যদি ডাউনলোড করতে চান তবে নিচে লিংক দেওয়া হলো।


আমাদের প্রতিদিন আপডেট জানতে ভিজিট করুন। আর্টিকেল ভালো লেগে থাকলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করে সবাই কে জানাতে সাহায্য করুন।আবার দেখা হবে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে।

লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন (সৌরভ) 

 FB Page | Website | FB Group

Time Travel চলুন ফিরে যাই দাদার আমলে Windows 1.0.1 তে বিস্তারিত না পড়লেই মিস করবেন

আমরা তো সবাই ডিজিটাল যুগে বসবাস করছি। আর কম্পিউটারের বদৌলতে তো নিজেরাও হয়েছি আধুনিক। আর আমাদের ডিজিটাল জগতের অন্যতম সেক্টর হলো কম্পিউটার। 



এর এটা এমনি এক যন্ত্র যার উপর নির্ভর করে প্রযুক্তিগত সকল কিছুই। কম্পিউটার যেহেতু একটি যন্ত্র তাই তাকে অপারেট করার জন্য দরকার হয় উইন্ডোজ কিংবা অপারেটিং সিস্টেম। 

উইন্ডোজ এর কাজ হলো Hardware এর সাথে Software এর সম্পর্ক তৈরী করা।Windows ইন্সটল করার ফলে আপনি কম্পিউটার থেকে নানান ধরনের কাজ করতে পারেন।আর আপনি হয়তো Windows Xp,Vista, 7,8 ,10 etc ব্যবহার করেছেন। তাহলে এটাও জেনে থাকবেন যে এর নির্মাতা মাইক্রোসফট।  


আর এই Microsoft সেই আদিকাল থেকেই তাদের সিস্টেম আপডেট করেই যাচ্ছে। যাতে আরো বেশী ফিচার আমরা ব্যবহার করতে পারি। 

যদি কেউ এর আগে Microsoft Windows 1.0 না চালিয়ে থাকেন তবে বাকী অংশ দেখুন মাথা নষ্ট হয়ে যাবে। 

Windows 1.0

১৯৮৫ সালের ২০শে নভেন্বর Microsoft তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ১.০ প্রকাশ করে। IBM PC XT (Model 5160) কম্পিউটারে প্রথমবার উইন্ডোজ ১.০ চালানো হয়। এই অপারেটিং সিস্টেমটি চালানোর জন্য দরকার হবে মাত্র 256 KB সাইজের Ram.আর Hard Disk দরকার হবে আমার আপনার মেমোরী কার্ডের থেকেও ছোট Storage.
দাদার আমলের সেই IBM PC XT (Model 5160) কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ছিলো মাত্র ১০ মেগাবাইট। যা তখন দরকারের তুলনায় যথেষ্ট বেশি ছিলো। এই কম্পিউটারের Clock Speed ছিলো 4.77 Megahertz. আজ আমরা আমাদের কম্পিউটারে চালিয়ে দেখাবো আদি যুগের Microsoft এর এই অসাধারন Operating System.
IBM PC XT (Model 5160) যার মাধ্যমে Windows 1.0.1 চালানো হয়েছিলো।
এর আগে আমি একটি আর্টিকেল শেয়ার করেছিলাম Virtual Machine নিয়ে।যার ব্যবহার করে Windows কম্পিউটারে Android,Linux Kernel কিংবা Macintosh Operating System গুলো চালোনো যায়। তবে এই Windows টি চালাতে কোন Virtual Machine এর প্রয়োজন পড়বেনা।
আমরা তা আমাদের নিজেদের Computer অথবা Mobile Browser থেকেই চালাতে পারবো। আপনি হয়তো ভাবছেন কিভাবে ? 
এর জন্য আপনার সর্বোচ্চ গেলে 5MB খরচ করতে হবে এর বেশী দরকার হবে না।তবে Loading হতে কতটুকু টাইম নিবে তা নির্ভর করে আপনার ইন্টারনেট এর গতির উপর। আমি পোষ্টের শেষে লিংক দিয়ে দিবো যাতে আপনারাও ব্যবহার করতে পারেন। তবে দেখে নেই কিছু Screenshort সাথে Review.
Windows 1.0.1 ব্যবহার করতে পারবেন CGA কিংবা EGA Display ফিচারের মাধ্যমে।
  • CGA Display
  1. IBM PC XT, 256Kb RAM, 10Mb Hard Disk, Color Display

  • EGA Display

  1. IBM PC XT, 640Kb RAM, 10Mb Hard Disk (Formatted), 128Kb EGA, Enhanced Color Display


আপনি চাইলে দুটোই ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তাহলে আমার যুক্ত করা লিংকে প্রবেশ করার পর Loading সফল হলে নিচের মত আসবে।
Windows 1.0.1 Boot Logo
Loading শেষ হয়ে গেলে পেয়ে যাবেন আপনার জন্য Windows 1.0.1 . তাই অপেক্ষা করতে হবে মূল Interface না আসা পর্যন্ত। আর তারপরেই লাগবে অদ্ভুত।

উপরে যা দেখতে পারছেন তা Windows 1.0.1 এর মূল Interface. আমি আপনি যেমন Desktop বলে থাকিনা ঠিক তেমনি এটা। তবে দাদার আমলের বলে একটি অপরিচিত লাগছে আর কি। শত হলেও আমরা Time Travel করে আদি যুগে ফিরে এসেছি।
আপনি যেমন Start Menu তে ক্লিক করা মাত্র Category দেখতে পান এখানেও ঠিক তেমন। আপনি যেমন সেখানে Menu তে ক্লিক করে SubMenu তে প্রবেশ করেন এখানেও ঠিক সেটাই। তবে পার্থক্য হলো এখানে A,B,C হলো আপনার Category. A অথবা B কিংবা C তে ক্লিক করে Windows 1.0.1 এর ফিচার গুলো দেখতে পারবেন। যেমন উপরের চিত্রে A.
উপরের চিত্র টি B ক্যাটাগরি তে থাকা পোগ্রামগুলোর। এখানেও আপনি Menu নয়তো SubMenu পেয়ে যাবেন। তবে কথা একটাই আপনি মাউসে Double Click করে প্রবশ করতে পারবেন না। Sub Menu তে ঢোকার জন্য মাউস ক্লিক করে রাখতে হবে।
উপরের চিত্র রয়েছে C তে থাকা পোগ্রামগুলো। এখানেও আপনাকে উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে।  আর যেহেতু এটা ৩০+ বছর আগের অপারেটিং সিস্টেম তাই অনেক কিছুই আপনার অচেনা হতে পারে তবে চলুন দেখে নেই এর কিছু ব্যবহার।

How To Use Windows 1.0.1  


আমরা বর্তমান সময়ের উইন্ডোজ গুলোতে অনেক কিছু করতে পারি। তবে তাতে কিছু নির্দিষ্ট ফিচার যুক্ত করা থাকে। যেমন Calculator,Calendar,Paint, Notepad ইত্যাদি। তাহলে অবশ্যই Windows 1.0.1 এর জন্য ফিচার Microsoft তৈরী করেছিলো কি সেগুলো। হয়তো ৩০ বছর আগেও এসব কাজ করা যেতো।

আপনি যদি Program গুলো চালিয়ে দেখতে চান তবে View Menu তে মাউস ক্লিক করে ধরে রাখুন।
SubMenu দেখা দিলে Programs নির্বাচন করুন।


Program গুলো উপরে রয়েছে যা দেখে মনে হচ্ছে ৩০+ বছর আগে আমাদের দাদা যারা ছিলেন অনেক কিছুই মিস করে গিয়েছে। যদি তারা কম্পিউটার চালিয়ে থাকে আর কি।


আপনার Program গুলোতে প্রবেশ করার জন্য .exe ফাইল গুলোতে ক্লিক করতে হবে শুধু। যেমন আমি Calculator.exe ফাইলে ক্লিক করার পর আমার হিসাব নিকাশ করার জন্য Calculator চলে এসেছে। আমিও হিসাব কষে নিলাম ৫০+৫০= ১০০ রেজাল্ট দিচ্ছে ঠিকমতো। শুধু শুধু তো আর Abacus এর আপডেট হিসাবে Computer আবিস্কার হয়নি।


আপডেট Windows গুলোর মত আপনি Close নামক X আইকন টি ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই আপনাকে উপরের চিত্রের মত করে Close করতে হবে।

সময় জানতে ঘড়ির বিকল্প কিছু নেই। কারন কথায় আছে সময়ের এক ফোড় অসময়ের দশ ফোড়ের সমান। তাই হয়তো ঘড়ি যুক্ত করতে ভুলে যায়নি Microsoft.


Paint Program টা ব্যবহার করার লোভ সামলাতে পারলাম না তাই নিজের একটি Text তৈরী করলাম Box আকারে। আপনিও চাইলে তাদের Paint পোগ্রাম ব্যবহার করে দেখতে পারেন।


আপনারা Microsft Office নিশ্চই ব্যবহার করেছেন এবার তাহলে আদি যুগের লেখার পোগ্রাম টি দেখে নিন। এর নাম Write.Exe আপনিও চাইলে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।  আর পাশাপাশি যদি Code Practice করতে চান তবে আপনার জন্য বিদ্যমান রয়েছে Notepad.exe ব্যবহার করে দেখতে পারেন।


আমাদের ব্যবহার করা Control Panel অনেক আধুনিক আমরা অনেক Lucky যে আদি যুগের ফিচার ব্যবহার করতে হয় নি ।


সব গুলো যদি উল্লেখ করতে থাকি তবে আর্টিকেল অনেক বড় হয়ে যাব। বাদ বাকী ফিচার গুলো দেখতে চাইলে আপনি নিজেই 5Mb খরচ করে চালিয়ে দেখতে পারবেন।


নিচে লিংক দেওয়া হলো আপনিও মজা নিন Windows 1.0.1 এর সাথে বন্ধুদের দেখিয়ে চমকে দিন।

Windows 1.01


যদিও এটাতে ভালো ফিচার নেই তবে একটা কথা জেনে রাখুন এই অপারেটিং সিস্টেম আপডেট হতে হতে আজ Windows 10 হয়েছে। আজ আমরা যা ব্যবহার করছি আমাদের আগামী প্রজন্ম হয়তো তা দেখে আমার মতই বলবে ইস দাদারা কত ফিচার মিস করে গেছে। কারন সময়ের সাথে সাথেই পরিবর্তন হতে থাকবে সব কিছু। আজ আমরা যা উপভোগ করছি আগামীর জন্য হয়তো তা কিছুই না।


জানিনা আপনাদের কাছে আর্টিকেল টি কেমন লেগেছে। তবে যদি ভালো লেগে থাকে তবে আপনার মূল্যবান মতামত, লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে অন্যদের জানিয়ে দিতে ভুলবেন না কিন্তু।

আবারো দেখা হবে অন্য কোন সময় নতুন কিছু নিয়ে তাই আমাদের প্রতিটি আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন। 


লেখকঃ ইসমাঈল হোসেন সৌরভ।